উত্তর : বিদ‘আতকে এড়িয়ে চলা একজন মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব। সুতরাং কারো নির্দেশ বা হুমকিতে কোন বিদ‘আতী কর্মে শরীক হওয়া যাবে না। বরং অন্য কোন বৈধ পথ ও পন্থার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করবে। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উপায় বের করে দেন’। ‘... বস্ত্তত যে ব্যক্তি আল্লাহ্র উপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান’ (তালাক-মাদানী ৬৫/২-৩)। আর একান্ত বাধ্যগত অবস্থায় আল্লাহ ক্ষমা করবেন বলে আশা করা যায়। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘ আল্লাহ কারো ওপর এমন বোঝা চাপান না, যা সে বহন করতে সক্ষম নয়’ (বাক্বারা ২৮৬)। আর বিকল্প এমন মাদ্রাসা খোঁজার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে যেখানে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক চলার পরিবেশ রয়েছে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বিদ‘আতের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি বিদ‘আতের ওপর স্থির থাকে, তার জন্য তওবার দরজা বন্ধ থাকে, যতক্ষণ না সে তা ত্যাগ করে’ (ছহীহুত তারগীব হা/৫৪)।
প্রশ্নকারী : জাহিদ, স্বপ্নপুরী, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।