উত্তর : মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত তরককারী অথবা ছালাত ফরয হওয়াকে অস্বীকারকারী এবং শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি কাফির ও চিরস্থায়ী জাহান্নামী। ঐ ব্যক্তি ইসলাম হ’তে বহিষ্কৃত। তাদের জানাযা পড়া যাবে না (তওবা ৮৪, ১১৩)। মুসলিম কবরস্থানে তাদের দাফনও করা যাবে না (মাজমূ‘ ফাতাওয়া বিন বায ১০/২৫০)। কিন্তু যে ব্যক্তি ঈমান রাখে, অথচ অলসতা ও ব্যস্ততার অজুহাতে ছালাত তরক করে, সে ব্যক্তি কবীরা গোনাহগার। তার জানাযা কোন বড় আলেম পড়াবেন না (মুসলিম হা/৯৭৮)। আর যে ব্যক্তির অবস্থা অজ্ঞাত এবং যার ব্যাপারটা অস্পষ্ট ও সন্দেহযুক্ত, তার জানাযা পড়া যাবে (বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল, পৃঃ ৩২-৩৫)

-ফীরোয, গোপালপুর, দুর্গাপুর রাজশাহী।







প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : সূরা জিন ৭০০ বার পড়লে জিন হাযির হয়। এ কথার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৮/৪৮) : জনৈক ব্যক্তি ওযূর ধারাবাহিকতা এবং ফরয গোসলের ক্ষেত্রে বহুদিন যাবৎ বড় ধরণের ভুলের মধ্যে ছিল। এখন তা বুঝতে পারার পর তার পূর্বের আমলের অবস্থা কি হবে? এক্ষেত্রে তার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : স্বামী-সন্তানহীন বিধবা নারী সক্ষম হলে তার জন্য কুরবানী করা কর্তব্য হবে কি? - -জাহিদ হাসান রাজিব , রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : হিজড়াদের সামনে পুরুষ বা নারীদের পর্দার বিধান কি?
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : নামের শেষে অনেকে জিহাদী, ইউসুফী, ফারুকী, ছিদ্দীক্বী, আনছারী, কুরায়শী যুক্ত করেন, যা তার মূল নামের অংশ নয়। বিষয়টি কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - -আমজাদ হোসাইন, কাটাখালী, পাবনা।
প্রশ্ন (২১/১৪১) : জাহান্নামের কাজ-কর্মে ১৯ জন ফেরেশতা রয়েছেন। তাদের ৭০ হাযার ডান হাত ও ৭০ হাযার বাম হাত রয়েছে। প্রত্যেক হাতে ৭০ হাযার তালু আছে, প্রত্যেক তালুতে ৭০ হাযার আঙ্গুল আছে। প্রত্যেক আঙ্গুলের মাঝে ৭০ হাযার অজগর সাপ আছে। প্রত্যেক সাপের মুখে একটি করে দেশী সাপ আছে। আর দেশী সাপের দৈর্ঘ্য ৫০০ বছরের রাস্তা। প্রত্যেক সাপের মুখে ১টি করে বিচ্ছু আছে। ঐ বিচ্ছু একবার কামড় দিলে ৭০ বছর জ্ঞান থাকবে না। এ হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : এশার পরে নফল ছালাত আদায় করতে চাইলে তা কি বিতর ছালাতের পূর্বে না পরে পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইমাম কি তাকবীর পাঠের মাধ্যমে ঈদের খুৎবা শুরু করবেন?
প্রশ্ন (৪/৪) : একই পাপ বারবার করছি আর তওবা করছি। কিন্তু কোনক্রমেই ছাড়তে পারছি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : সূদ কি? এটি কেন ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়? যদিও আপাত দৃষ্টিতে কল্যাণকর।
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : একটি কিতাবে লেখা আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) যখন ‘কাশফে’ থাকতেন, তখন তিনি ওযূর পানির সাথে গুনাহ ঝরতে দেখতেন। তাই কাশফে থাকাকালীন ওযূর পানি নাপাক বলে ফৎওয়া দিতেন। প্রশ্ন হ’ল, ‘কাশফ’ কি ? এটা কি শরী‘আতের কোন দলীল? এরূপ কথাবার্তায় যারা বিশ্বাস রাখে তারা কোন আক্বীদার অনুসারী?
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : ঈদের ছালাতের পূর্বে গযল গাওয়া বা বক্তব্য দেওয়া যায় কি?
আরও
আরও
.