উত্তর : মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত তরককারী অথবা ছালাত ফরয হওয়াকে অস্বীকারকারী এবং শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি কাফির ও চিরস্থায়ী জাহান্নামী। ঐ ব্যক্তি ইসলাম হ’তে বহিষ্কৃত। তাদের জানাযা পড়া যাবে না (তওবা ৮৪, ১১৩)। মুসলিম কবরস্থানে তাদের দাফনও করা যাবে না (মাজমূ‘ ফাতাওয়া বিন বায ১০/২৫০)। কিন্তু যে ব্যক্তি ঈমান রাখে, অথচ অলসতা ও ব্যস্ততার অজুহাতে ছালাত তরক করে, সে ব্যক্তি কবীরা গোনাহগার। তার জানাযা কোন বড় আলেম পড়াবেন না (মুসলিম হা/৯৭৮)। আর যে ব্যক্তির অবস্থা অজ্ঞাত এবং যার ব্যাপারটা অস্পষ্ট ও সন্দেহযুক্ত, তার জানাযা পড়া যাবে (বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল, পৃঃ ৩২-৩৫)

-ফীরোয, গোপালপুর, দুর্গাপুর রাজশাহী।







প্রশ্ন (১১/৯১) : জনৈক ব্যক্তির অনেক জমিজমা আছে। কিন্তু নগদ অর্থ অল্পই আছে। তার উপর হজ্জ ফরয হয়েছে কি?
প্রশ্ন (২৬/১৪৬): ওযূ করার পর হাত-পা মুছতে হবে মর্মে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (১/১) : ঈদায়নের ছালাতের তাকবীর কয়টি? ছয় তাকবীরের পক্ষে কোন ছহীহ হাদীছ আছে কি? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৭/৩১৭) : আমার কাছে ৩ লক্ষ ৫০ হাযার টাকা আছে। আমি এই টাকা ব্যাংকে রেখে সূদ নিয়ে তা গরীব মাদ্রাসা ছাত্রীকে দিতে পারবো কি?
প্রশ্ন (২৭/৪৬৭) : জনৈক নারী পরিবারকে না জানিয়ে দু’জন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে এক ছেলেকে বিয়ে করেছিল। বর্তমানে ছেলেটি পালিয়ে গেছে। এদিকে মেয়ের পরিবার মেয়েটিকে বিবাহের জন্য চাপ দিচ্ছে। এক্ষণে ছেলেটি যেহেতু মেয়েটিকে তালাক দেয়নি এমতাবস্থায় মেয়েটি অন্য কোথাও বিবাহ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমার তিন সন্তান ছোট থেকে বাড়ির বাইরে থেকে পড়াশুনা করেছে এবং বর্তমানেও বাইরে চাকুরীরত। ছোট সন্তান বাড়িতে থেকে আমার জমি-জমা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু দেখাশুনা ও পরিচালনা করে। আমার বিবেচনায় অন্য সন্তানদের চেয়ে সে আমার সম্পদের বেশী হকদার। এক্ষণে আমি অন্য সন্তানদের সাথে পরামর্শ না করে ছোট সন্তানকে যদি অতিরিক্ত কোন সম্পদ দিতে চাই, সেটা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : অর্থ বা মর্ম না বুঝে কেবল কুরআন হেফয করলে নেকী পাওয়া যাবে কি? আর কুরআনের সর্বনিম্ন কতটুকু অংশ হেফয করলে হাফেযের মর্যাদা পাওয়া যাবে?
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : আরবী পড়তে না পারার কারণে বাংলায় উচ্চারণ করে কুরআন তেলাওয়াত করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি? কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবের কোন কম-বেশী হবে কি? উত্তর : আরবী পড়ে কুরআন শিক্ষা করে কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে (বুখারী, মিশকাত হা/২১০৯)। কুরআন শিক্ষা করার জন্য অক্ষরগুলি উচ্চারণ ও শব্দ বুঝার জন্য বাংলা উচ্চারণের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। কুরআন পড়ার জন্য চেষ্টা করলে দ্বিগুণ নেকী রয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২১১২)। কুরআন শিক্ষা করার চেষ্টা না করে শুধু বাংলা বা অন্য কোন ভাষায় উচ্চারণ করে পড়া উচিত নয়। কারণ এভাবে পড়লে কুরআন শিক্ষা করার গুরুত্ব ও ফযীলত থাকবে না। এছাড়াও উচ্চারণ সঠিক না হওয়ার কারণে অর্থের মধ্যে গোলমাল হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবে কোন কম-বেশী হবে না (ছহীহ তিরমিযী হা/২৯১০)। কারণ এতে দেখে আর মুখস্থ পড়ার মধ্যে কোন পার্থক্য করা হয়নি।
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) : আলী (রা:)-এর সাথে ফাতেমা (রাঃ)-এর বিবাহের পর মুহাম্মাদ (ছাঃ) আলী (রাঃ)-কে একাধিক বিবাহ করতে নিষেধ করেছিলেন, যাতে ফাতেমা (রাঃ)-এর অসুবিধা না হয়। এটা কি সত্য? - -শরাফত আলী, দক্ষিণ দাঘবপুর, পাবনা।
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) ছিয়াম অবস্থায় ইচ্ছার বিরুদ্ধে পেটের খাবার বেরিয়ে আসলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : ইমাম গাযালী (রহঃ) রচিত ‘কীমিয়ায়ে সা‘আদাত’ বইতে এসেছে, রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে জনৈক ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ নিয়ে আসলে তিনি তাকে সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী... দো‘আটি পাঠ করতে বলেন। ফলে সে ধনী হয়ে যায়। হাদীছটি কি ছহীহ?  - মামূন, গোপালপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১/৪০১) : বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রেডিয়াম ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি কোম্পানী ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগে’র আহবান জানাচ্ছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০ ইউএস ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ‘রিপটন কয়েন’ নামে দুইশ’ কয়েন দিচ্ছে। যেটা একদিনে দেওয়া হয় না। বরং ন্যূনতম ছয় মাসে মাইনিং হিসাবে প্রতিদিন ১/২টা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা হয়। তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর রেট একটা উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। আনুমানিক প্রতি কয়েন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার হ’তে পারে। দ্বিতীয়তঃ তাদের সাথে কাজ করলে অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে রেফার করলে কোম্পানির পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির বিনিয়োগের ৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে। কিন্তু বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের কোন কমতি হবে না। এইভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে তারা আরো পারসেন্টেজ লাভের ব্যবস্থা রাখছে। আবার এই কারেন্সির বিনিময় মূল্য রয়েছে এবং তারা বলছে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে ভার্চুয়াল কারেন্সির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হবে। ইতিপূর্বে ‘বিটকয়েন’ নামে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বাযারে এসেছিল ২০০৯ সালে। তখন তার মূল্য ছিল ৮/৯ টাকা। বর্তমানে ২০২০ সালে সেই কয়েনের মূল্য ৮ লক্ষ টাকা (১৩১১৯ সিঙ্গাপুরী ডলার)। ঠিক তেমনি ‘রিপটন কয়েন’ থেকে আয় আসবে বলে দাবী করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হ’ল অধিক মুনাফা লাভের আশায় এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যাবে কি? বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
আরও
আরও
.