উত্তর : উক্ত সন্তানদের খরচ বহন করা অপরিহার্য নয়। বরং মায়ের অধীনে থাকলে অভিভাবক হিসাবে মা তাদের খরচ বহন করার ব্যাপারে দায়িত্বশীল হবে। তবে মা যেহেতু  ব্যক্তির স্ত্রী হিসাবে তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেহেতু অশেষ ছওয়াবের আশায় উক্ত সন্তানদের খরচ বহন করা উচিৎ। রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ)-এর পূর্ব স্বামীর পাঁচটি বা ছয়টি সন্তানের লালন-পালনের দায়িত্বসহ তাকে বিবাহ করেন (আহমাদ হা/২৯২৬; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৫২৩)। এছাড়া তিনি অপর স্ত্রী উম্মে সালামার পূর্ব স্বামীর সন্তানদের লালন-পালন করেছিলেন (বুখারী হা/৫৩৭৬; মুসলিম হা/২০২২)।






প্রশ্ন (৩/৪০৩) : বার্ধক্যের কষ্ট থেকে মুক্তির কোন উপায় শরী‘আতে আছে কি?
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : কোন কিছু উদ্বোধন করার ইসলামী বিধান কী? মাটিতে কোপ দেওয়া বা হাতুড়ি মেরে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ উদ্বোধন করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : পাথর নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও তা জাহান্নামের ইন্ধন হবে কেন?
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : পবিত্র কুরআনে কি কবর আযাবের কথা আছে?
প্রশ্ন (৩১/২৭১) : আমি অমুসলিম পরিবারে বিবাহ করেছি এবং দু’জনেই ইসলামী জীবন যাপন করছি। এক্ষণে আমার অমুসলিম শ্বশুরালয়ে বেড়াতে যাওয়া, ওঠা-বসাম খাওয়া-দাওয়া, ছালাত আদায় করা ইত্যাদি জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৬/৬) : আমি একজন মুওয়াযযিন। আমার দুই স্ত্রী এবং ৫ ছেলে ও ২ মেয়ে আছে। সম্পদের ৪ ভাগের ৩ ভাগ আমি ছেলেমেয়েদের মাঝে হেবা বিল এওয়ায মোতাবেক বণ্টন করেছি। কিন্তু ইমাম ছাহেব বলছেন, মালিক জীবিত অবস্থায় বণ্টন করা জায়েয নয়। তাই তা ফেরত না নিলে চাকুরী করা যাবে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -আব্দুল জাববারআত্রাই, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : আয়না দেখে কোন হারানো বস্ত্ত বের করার বিষয়টি সমাজে প্রচলিত রয়েছে এবং তার বাস্তবতাও রয়েছে। এক্ষণে এতে বিশ্বাস করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : ছহীহ মুসলিমের একটি হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, ওয়াসওয়াসাই সুস্পষ্ট ঈমান। উক্ত হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৪/২৪) : যাকাত বণ্টনের আটটি খাতের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা আবশ্যক কি? - -ওয়ালিউল্লাহ, কাটাখালী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪/৪৪) : আয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা এক চাঁদনী রাত্রে যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথা আমার কোলে ছিল, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আকাশে যে পরিমাণ নক্ষত্র আছে সেই পরিমাণ কারো নেকী হবে কি? তিনি উত্তরে বলেন, ওমরের নেকী এই পরিমাণ। আমি বললাম, তাহ’লে আবুবকরের নেকী কোথায়? তখন তিনি বললেন, ওমরের সমস্ত নেকী আবুবকরের একটি নেকীর সমান (রাযীন)। উক্ত হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : ঋণগ্রস্তের জন্য যাকাত আদায় করা ফরয কি?
প্রশ্ন (৭/৭) : যারা সীমান্ত এলাকায় বসবাস করে তারা সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে ঘুষ দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে এসে ব্যবসা করে। এই ব্যবসা কি হালাল?
আরও
আরও
.