উত্তর : বিলম্বে বিয়ে করার প্রবণতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও স্বাধীনতার পাশাপাশি সঠিক বয়সে বিয়ে করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সমাজের এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলো হ’ল (১) দেরীতে বিয়ের কারণে পরিবার গঠন বিলম্বিত হয়। ফলে পারিবারিক বন্ধন ও সম্পর্কগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানদের যত্নশীলতা কম দেখা যায়, কারণ প্রজন্মগত ব্যবধান অনেক বেড়ে যায়। (২) দীর্ঘ সময় অবিবাহিত থাকার কারণে সন্তান জন্মদানের হার কমে যায়, যা সমাজে বার্ধক্যজনিত সমস্যা সৃষ্টি করে। জাপান ও কিছু ইউরোপীয় দেশে এ ধরনের প্রবণতার ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গেছে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। (৩) দেরীতে বিয়ের কারণে অনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টির দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক মানসিক অস্থিরতা এবং যৌন অপরাধের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সর্বোপরি নির্দিষ্ট বয়সের পর সমাজের জন্য অবিবাহিতরা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, যা তার মানসিক ও সামাজিক বিকাশকে রুদ্ধ করে দেয়।

তাছাড়া দেরীতে বিবাহ ব্যক্তিজীবনেও অনেক ক্ষতি ডেকে নিয়ে আসে। যেমন- (১) দীর্ঘদিন অবিবাহিত থাকার ফলে নিশ্চিতভাবেই একাকীত্বের অনুভূতি বাড়ে, যা হতাশার কারণ হ’তে পারে। সামাজিক অনুষ্ঠানে বা পরিবারের মধ্যে নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। (২) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়, পুরুষদেরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, ফলে সুস্থ সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি বাড়ে। (৩) দীর্ঘদিন নিজের ইচ্ছামতো জীবনযাপন করতে করতে তাদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ কমে যায় এবং আত্মকেন্দ্রিকতা বৃদ্ধি পায়। (৪) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে মানসিকতা কঠিন হয়ে যায়, ফলে দাম্পত্য জীবনে বোঝাপড়া কম হ’তে পারে (ছালেহ আল-ফাওযান, আল-মুনতাক্বা ১০/৬৯)। এজন্য ইসলাম বিবাহকে উৎসাহিত করেছে এবং একটি যরূরী সুন্নাত হিসাবে ঘোষণা করেছে (বুখারী হা/৫০৬৬)। সুতরাং ক্যারিয়ার গঠনের নামে দেরিতে বিবাহ মানুষকে বহু কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করে, যা তার মানবিক সত্তার সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

প্রশ্নকারী : রোকেয়া ইসলাম, নাটোর।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (২/১৬২) : কেউ যদি পাথরের খনিজ সম্পদ লাভ করে তাহ’লে তখনই কি এর যাকাতের অংশ বের করে আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : সূরা দুখানের ৪৪ আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -খন্দকার জাহিদুল ইসলাম, ব্যাংকপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : আমাদের ইমাম ছাহেব খুৎবায় বলেন, আব্দুর রহমান, আব্দুল খালেক এসব নামে আল্লাহর গুণাবলী প্রকাশ পাওয়ায় এরূপ নাম রাখা জায়েয নয়। একথা সঠিক কি? - -আনীসুর রহমানদারিয়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (০৩/৩৬৩) : আরাফাহর ময়দানে অবস্থানকালে যোহর ও আছরের ছালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? - শেফালী, দুর্গাপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব মসজিদের মধ্যে অনেক দিন যাবত গাজা খায়। ১ম বার ধরা পড়ার পর কমিটি তাকে ক্ষমা করে দেয়। তারপর ২য় বার ধরা পড়ার পরও কমিটি ক্ষমা করতে চায়। এরূপ ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : জমি বর্গা চাষ বা ইজারা দেওয়ার শরী‘আতসম্মত পন্থা কি কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : জনৈক ব্যক্তি বললেন, সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ছালাত ও দো‘আ রয়েছে। উক্ত ছালাত ও দো‘আ সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : বিড়াল কিছু অংশ ভক্ষণ করলে বাকী খাবার খাওয়া জায়েয হবে কি? - -আবু জা‘ফরবড়াইগ্রাম, নাটোর।
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : আমি বিদ্যুতের লাইনম্যানের কাজ করি। গ্রাহকের কোন কাজ করে দিলে তারা আমাকে বখশিশ দেয়। অন্যদিকে আমি সরকার প্রদত্ত মাসিক বেতন পাই। এক্ষণে বখশিশের টাকা গ্রহণ করা যাবে কি? - -যহীরুল ইসলামসখীপুর, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : বেনামাযী মুসলিম কসাই আল্লাহর নামে পশু যবেহ করলে তা খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/১০২) : একটি বইয়ে পড়েছি ছাহাবায়ে কেরাম ফাসেক ও বিদ‘আতীদের সালাম দিতেন না। এর সত্যতা আছে কি? এরূপ কাজ বর্তমানে অনুসরণযোগ্য কি? - -মুমিনুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : একটি কবরে একাধিক ব্যক্তিকে দাফন করা যাবে কি? - -পারভিন বেগম, হেতম খাঁ, কলাবাগান, রাজশাহী।
আরও
আরও
.