উত্তর : কুরবানী করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। অতএব প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সাধ্যানুযায়ী কুরবারী করা আবশ্যক। তবে এটি ওয়াজিব নয়, যে সাধ্যে না কুলালেও তাকে কুরবানী করতেই হবে। এটি ইসলামের অন্যতম নিদর্শন, যা আল্লাহ কুরআনে ছালাতের পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন (কাওছার ১০৮/০২; আন‘আম ৬/১৬২)। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়’ (ইবনু মাজাহ হা/৩১২৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৪৯০)

প্রশ্নকারী : মুঈনুল ইসলাম, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : কোন ব্যক্তি যদি অনুতপ্ত হয়ে ব্যাংক থেকে গৃহীত সূদের টাকা ফেরত দিতে চায় তথা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করতে চায়। তবে একসাথে সম্পূর্ণ টাকা ব্যয় করার সামর্থ্য না থাকায় অল্প অল্প করে ব্যয় করতে চায়। এরূপ পদ্ধতিতে সূদমুক্ত হওয়া সঠিক হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : মায়ের হাতে বা পায়ে চুমু খাওয়া জায়েয হবে কি? - -আব্দুল হালীম, মালদ্বীপ।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বর ও কনের মাঝে কিভাবে বিবাহ পড়াতেন?
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের ছায়াতলে থাকবে মর্মে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এই আরশ বলতে কি আল্লাহর আরশ বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : এশার ছালাতের পর বিতর পড়লে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার পর পুনরায় বিতর পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (৬/৮৬) : দাফনের প্রাক্কালে নারী বা পুরুষ মাইয়েতের বুকের উপর নিজের হাত রেখে ইমাম ছাহেব ‘বিসমিল্লাহি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ’ বলবেন। এ বিধানের কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : আল্লাহ তা‘আলা মুমিন বান্দার কলবের ভিতর অবস্থান করেন। আর মুমিন বান্দার কলব হল আল্লাহ্র আরশ।’ এর দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন। হে আল্লাহ তোমার রহমত ও গুণসমূহের অসীলায় আমাকে আরোগ্য দান কর। এভাবে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/৫২) : জনৈক ব্যক্তি অনেক ফযীলত মনে করে প্রতিদিন সূরা বাক্বারাহর প্রথম ৫ আয়াত তেলাওয়াত করেন। এর বৈধতা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/৪৫০) : পেশাব পরিপূর্ণভাবে শেষ হ’তে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী দেরী হ’লে করণীয় কি? ডাক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী কোন অসুখ নেই। কিন্তু এ কারণে প্রায়ই ছালাত ছুটে যায়।
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫): একটি সূরা বার বার পড়লে প্রত্যেকবার বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি? সূরার মধ্য থেকে পড়লে বিসমিল্লাহ বলতে হবে কি? পড়তে পড়তে কিছুক্ষণ বিরতির পর পড়লে বিসমিল্লাহ বলতে হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমি ২য় পক্ষ গ্রহীতা। আমার জমি ক্রয়ের প্রয়োজনে নগদ টাকার দরকার হওয়ায় ১ম পক্ষ দাতার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করি। এর বিপরীতে ১ম পক্ষকে উক্ত টাকার উপর লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে মাসিক আনুমানিক ১৫০০/= হারে প্রদান করতে বাধ্য থাকি। বছর শেষে তখনকার সময় জমির হারাহারি মূল্যের উপর লভ্যাংশ বিবেচনা করে চূড়ান্ত লাভ-লোকসান হিসাব করা হবে। উক্ত লভ্যাংশ গ্রহণ করা সূদ হবে কি-না। যদি সূদ হয়, তবে কোন পদ্ধতিতে সূদ হবে না জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৮/৮৮) : খারেজী, রাফেযী, শী‘আ, মুরজিয়া, মু‘তাযিলা ইত্যাদি বাতিল ফের্কার লোকদের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
আরও
আরও
.