উত্তর : কুরবানী করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। অতএব প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সাধ্যানুযায়ী কুরবারী করা আবশ্যক। তবে এটি ওয়াজিব নয়, যে সাধ্যে না কুলালেও তাকে কুরবানী করতেই হবে। এটি ইসলামের অন্যতম নিদর্শন, যা আল্লাহ কুরআনে ছালাতের পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন (কাওছার ১০৮/০২; আন‘আম ৬/১৬২)। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়’ (ইবনু মাজাহ হা/৩১২৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৪৯০)

প্রশ্নকারী : মুঈনুল ইসলাম, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (৩০/১৫০): সূরা আ‘রাফ ১৯০ আয়াতের তাফসীর জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : কোন মুক্তিযোদ্ধা বা সরকারী কর্মকর্তা মারা গেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নামে দাফনের পূর্বে রাইফেলের গুলি ফুটানো, বাঁশি বাজানো ইত্যাদি কর্মসূচী পালন করা হয়। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৪০/২৮০) : পায়ুপথ দিয়ে কৃমি বের হলে ওযূ ভঙ্গ হবে কি? - -ডা. মাহবূব, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : ছহীহ হাদীছের আলোকে মৃত ব্যক্তিকে গোসল, কাফন-দাফন ও খাটিয়া বহনের ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই। - -আব্দুল্লাহিল কাফী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১০/৯০) : শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) সহ অনেক সালাফী বিদ্বানের কবর পাকা দেখা যায়। এগুলো কারা করেছে? - -শিহাবুদ্দীন, শিবগঞ্জ, বগুড়া।
প্রশ্ন (২১/৩০১) : অনেক মসজিদে লেখা দেখা যায়, লাল বাতি জ্বললে কেউ সুন্নাতের নিয়ত করবেন না। এভাবে লেখা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১২/২১২) : একটি পারিবারিক কবরস্থান ছিল যেখানে প্রথম ৪০ বছর পূর্বে এবং সর্বশেষ ১০ বছর পূর্বে লাশ দাফন করা হয়। বর্তমানে ঐ পরিবারের সদস্যরা সরকারী কবরস্থানে লাশ দাফন করে। আর তারা পারিবারিক কবরস্থানটিকে ড্রেজার দিয়ে ভেঙ্গে পরিষ্কার করেছে। তারা জায়গাটিতে চাষাবাদ করবে বা বিক্রয় করে দিবে। এক্ষণে লাশের সাথে এমন আচরণ করা সমীচীন হয়েছে কী?
প্রশ্ন (৩৮/৩৩৮) : শিশুদের অসুখ হয় কেন? তারা তো নিষ্পাপ। অসুখ হয় পাপ মোচনের জন্য। তাদের তো কোন পাপ নেই।
প্রশ্ন (২১/৬১) : কোন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করলে তার খাৎনা করা লাগবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) ‘বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে উত্তম’ বক্তব্যটির কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : কাপড়ে যদি বীর্য লেগে যায় এবং গাঢ় না হওয়ায় শুকানোর পর উঠিয়ে ফেলা সম্ভব না হয় তাহ’লে পুরো কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে, নাকি পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : বিজিবিতে কর্মরত জনৈক ভাই ঘুষের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন এবং চাকরিরত অবস্থায় বিভিন্ন শিরক ও বিদ‘আত যেমন- দিবস পালন, পতাকাকে সম্মান, মীলাদ ইত্যাদি কাজের সাথে আপোষ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়া কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তিনি সময়মতো ছালাত আদায় করতে পারেন না। এমতাবস্থায় উক্ত চাকরী করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.