উত্তর : আপনা-আপনি তালাক হবে না। ওযর ব্যতীত স্বামী স্ত্রী থেকে দূরে থাকলে বা কোন ধরনের খোঁজ-খবর না নিলে স্ত্রী আদালত বা সমাজের দায়িত্বশীল নেতার মাধ্যমে ‘খোলা’ করে বিচ্ছিন্ন হ’তে পারে (বুখারী, মিশকাত হা/৩২৭৪)। তবে স্বামী যদি কোন ইঙ্গিত ছাড়াই নিখোঁজ হয়ে থাকে, তবে স্ত্রীর জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করা উচিৎ। ওমর (রাঃ) নিখোঁজ স্বামীর জন্য স্ত্রীকে চার বৎসর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলতেন (বায়হাক্বী হা/১৫৩৪৫, মুহাল্লা ৯/৩১৬ পৃঃ)।  






প্রশ্ন (৫/৪৪৫) : শিখা চিরন্তনে গিয়ে মাথা নত করা ও সেখানে নীরবতা পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২/২৪২) : রামাযানে ‘বড় শয়তানগুলি শৃঙ্খলিত হয়’ -এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (১৫/২৫৫) : পিতা-মাতার কথা মনে আসলে তাদের জন্য আমি দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করি। এরূপ আমল শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২০/২৬০) : আমরা ৬ বোন ৩ ভাই। পিতা-মাতা মারা গেছেন। এক্ষণে আমাদের মাঝে পিতার সম্পদ কিভাবে বণ্টিত হবে? - -মুহাম্মাদ মানযূরব্রুকলিন, নিউইয়র্ক।
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : মাযহাবী ইমামের পিছনে ইচ্ছাকৃতভাবে জামা‘আতে ছালাত আদায় না করলে গোনাহগার হতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : সন্তান জন্মদানের সময় মা মারা যাওয়ায় উক্ত সন্তানের সহোদর বড় বোন ব্যতীত দুগ্ধ দানের কেউ নেই। এমতাবস্থায় বোনের দুগ্ধদান জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : নিয়মিত ইস্তেগফার পাঠ দো‘আ কবুলের অন্যতম কারণ মর্মে ইমাম আহমাদ (রহঃ) এবং রুটি বিক্রেতার মধ্যে প্রসিদ্ধ একটি কাহিনী রয়েছে। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্নঃ (৯/৪৪৯) : ওমরী ক্বাযা ছালাত আদায় করার কোন ছহীহ দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (০৪/৩৬৪) : আমি যে মসজিদে ফজরের ছালাত আদায় করি সেখানকার ইমাম ছাহেব ছালাতের পর কিছু বিদ‘আতী আমল করেন। তাই আমি মসজিদের মধ্যে মুছাল্লা ছেড়ে পৃথক স্থানে যিকির-আযকার করে ইশরাক্বের ছালাত আদায় করি। এতে নেকীর কোন কমতি হবে কি? - আবুল হাসান, মহাদেবপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : যদি আমি এক ওয়াক্ত ছালাত ক্বাযা করি তাহ’লে আমার প্রবল অনুশোচনা হয়। কিন্তু আমি যদি গান শুনি বা গোপন গুনাহ করি তখন আমার মধ্যে অনুশোচনা আসে না। কিভাবে আমি এসব পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারি।
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : অর্থ থাকলেই কি তা ইচ্ছামত খরচ করা যাবে? যেকোন বিলাসিতার জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে কি? অপচয় বা বিলাসিতার স্বরূপ কি?
প্রশ্ন (২/৮২): নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করার পর আমি এক মাদ্রাসায় প্রভাষক পদে আবেদন করেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমার নিকটে ৭ লক্ষ টাকা দাবী করছে। এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানেই আবেদন করি না কেন সেখানেই এরূপ অর্থ দাবী করছে। এক্ষণে এ অর্থ প্রদান করে চাকুরী নিলে কি আমার সারা জীবনের উপার্জন হারাম হয়ে যাবে? জনৈক আলেম বললেন, সঊদী ওলামায়ে কেরাম এক্ষেত্রে গোনাহের দায়ভার প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উপর বর্তাবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনাদের মতামত দলীলভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.