উত্তর : ট্রাকের ক্রয় মূল্যের উপর যাকাত লাগবে না। বরং ট্রাক থেকে উপার্জিত অর্থ যদি নিছাব পরিমাণ হয় এবং তা একবছর সঞ্চিত থাকে, তাহলে ২.৫% হিসেবে যাকাত দিতে হবে। তবে নিছাব পরিমাণ সম্পদ সঞ্চিত না রেখে যদি ঋণ পরিশোধ করে সেক্ষেত্রে যাকাত প্রদানের প্রয়োজন হবে না। হযরত ওছমান (রাঃ) বলতেন, এটি (রামাযান) যাকাতের মাস। অতএব যদি কারো উপর ঋণ থাকে তাহলে সে যেন প্রথমে ঋণ পরিশোধ করে। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ নিছাব পরিমাণ হ’লে সে তার যাকাত আদায় করবে (মুওয়াত্ত্বা মালেক হা/৮৭৩, ইরওয়া ৩/৩৪১, সনদ ছহীহ)।






প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : ইমাম যদি আগে ভুল করে এবং আমি পরে জামা‘আতে যোগদান করি। অতঃপর ইমাম সালাম ফিরানোর পূর্বে সহো সিজদা দিলে আমার জন্য করণীয় কি? - -হাসান মাহমূদ, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : আমি মানুষের বসার সুবিধার্থে গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে দু’টি বসার স্থান তৈরী করে দিয়েছি। কিন্তু অনেকের অভিযোগ যে, সেখানে বসে ভালো-মন্দ উভয় কাজই হয়, তাই এটা উঠিয়ে ফেলা উচিৎ। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : মানতকৃত পশুর গোশতের অংশ নিজে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্ন (২৭/৩০৭) : মসজিদ স্থানান্তরের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন। - মুহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম, বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৭/৩৫৭) : যাকাতের সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়ার নিয়ত করে আমার নিকট থেকে ঋণগ্রহীতাকে কিছু ঋণ মাফ করে দেওয়া যাবে কি? - -আহমাদ, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : কোন যুবক-যুবতীর মধ্যে বহুদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক ছিল। শরী‘আত বুঝার পর তারা সম্পর্ক ত্যাগ করতে চায়। এক্ষণে তারা পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : পাখির পায়খানা জামায় লেগে গেলে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে কি? এই জামা পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১১২) : আমরা তিন বোন, আমাদের কোন ভাই নেই। আমার পিতার সামান্য কিছু জমি আছে, যার অর্ধেক অংশে আমাদের বাড়ি এবং বাকি অর্ধেক ফাঁকা। পিতা তার নিজের উপার্জনে কেনা এই ফাঁকা জমিটুকু যদি স্বেচ্ছায় আমার মাকে দান করে দেন, সেক্ষেত্রে শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : মানুষের বয়স ৪০ হ’লে শ্বেত, কুষ্ঠ ও পাগলামির মত ভয়াবহ রোগ থেকে মুক্তি পাবে। ৫০ বছর হ’লে আল্লাহ তা‘আলা পরকালে কঠিন হিসাব নেন না। ৬০ বছর হ’লে ফেরেশতা বন্ধু হয়ে যায়। ৭০ বছর বয়স হ’লে আল্লাহ তার বান্দাকে দুনিয়ায় দেখতে চান না। এভাবেই ৯০ বছর বয়স হ’লে তার আগে-পরের কোন গোনাহ থাকে না। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : ইয়াজূজ-মাজূজ কি মানুষের মতই কেউ? তারা কি মুসলিম হিসাবে জন্মগ্রহণকারী? না জন্মগতভাবেই পথভ্রষ্ট। তাদের কাছে কি কোন নবী এসেছিল? তাদের মধ্যে কেউ কি মুসলিম হবে না?
প্রশ্ন (৪/৪) : জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, সূরা বাক্বারাহ ১৮৭ আয়াতে ছিয়াম রাত্রি পর্যন্ত পূর্ণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া সূরা ইনশিক্বাক্বের ১৬-১৭ আয়াতে আল্লাহ সন্ধ্যা ও রাতকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন। সেকারণ সূর্যাস্তের পর নয়; বরং তার ১ ঘণ্টারও অধিক সময় পর রাত শুরু হ’লেই ইফতার করতে হবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মুস্তাফীযুর রহমান, গুলশান, ঢাকা।
আরও
আরও
.