উত্তর : কুরবানী ও আক্বীক্বা দু’টি পৃথক ইবাদত। কুরবানীর পশুতে আক্বীক্বার নিয়ত করা শরী‘আত সম্মত নয়। রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরামের যুগে এ ধরনের আমল ছিল না। তাছাড়া দু’টি ইবাদত পৃথক উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছে (আলোচনা দ্রঃ নায়লুল আওত্বার ৬/২৬৮, ‘আক্বীক্বা’ অধ্যায়; মির‘আত ২/৩৫১ ও ৫/৭৫; হায়তামী, তুহ্ফাতুল মুহ্তাজ ৯/৩৭১)






প্রশ্ন (৩/৪৩) : হজ্জের ইহরামের সময় আমি অধিক সতর্কতার জন্য অজ্ঞতাবশে আন্ডারওয়ার ব্যবহার করেছিলাম। হজ্জের কিছুদিন পর জানতে পারি যে এগুলো পরিধান নিষিদ্ধ। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪০/১২০) : সর্বপ্রথম জানাযার ছালাত শুরু করেন কে? মৃত ব্যক্তি ছিলেন কে?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : কাপড়ে যদি বীর্য লেগে যায় এবং গাঢ় না হওয়ায় শুকানোর পর উঠিয়ে ফেলা সম্ভব না হয় তাহ’লে পুরো কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে, নাকি পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (১৭/১৭) : এ বছর কুরবানীর চামড়ার মূল্য অল্প হওয়ায় অনেকে তা ফেলে দিয়েছে বা মাটিতে পুঁতে ফেলেছে। এ কাজ কি সঠিক হয়েছে? - -এম, এ, মান্নান, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৫/৫) : শেষ রাতে শয্যাত্যাগ করে আমার তাহাজ্জুদ ও পড়ার ইচ্ছা হয়, আবার দ্বীনী ইলম অর্জনেরও আগ্রহ হয়। আমার জন্য কোনটা অধিক উত্তম হবে?
প্রশ্ন (২০/২০) : জনৈক আলেম বলেন, আল্লাহ নিরাকার নন তা যেমন বলা যাবে না, তেমনি তাঁর আকার আছে একথাও বলা যাবে না। একথার সত্যতা আছে কি? - -মুখতারুল ইসলামবাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : পরীক্ষার খাতায় কারো সামান্য কিছু দেখে লেখা বা কমন না পেয়ে বিপদগ্রস্ত এমন কাউকে খাতা দেখানো জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৫) : স্ত্রী অনুমতি ছাড়াই পিতার বাড়িতে চলে যাওয়ার কিছুদিন পর আমি তাকে আইনগতভাবে তালাক দেই। এভাবে বিচ্ছেদের ১০ বছর পর সে মোহরানা দাবী করছে। এক্ষণে তাকে মোহরানা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : সূরা রহমানের ১৭ আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -মেসের আলী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২২/৪২২) : হাদীছে বর্ণিত জামা‘আত বলে কি বুঝায়? হকপন্থী তথা নাজাতপ্রাপ্ত জামা‘আতের বৈশিষ্ট্য কি?
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : আমি যে এলাকায় কাজ করি, সেখানে প্রতিটি বাড়িতে কুকুর পালন করা হয়। এসব কুকুর মাঝে-মধ্যে গা ঘেঁষে দাঁড়ায়, কখনওবা পা বা শরীরের কাপড় চেটে দেয়। উক্ত অবস্থায় কি ছালাত আদায় করা যাবে, নাকি শরীর বা কাপড় ধৌত করতে হবে? উল্লেখ্য যে, এসব কুকুর খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে এবং বাইরের কোন খাবার খায় না। - -ক্বাছিদুল হক কুতুব, লিমাস্সল, সাইপ্রাস।
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : জনৈক ইমাম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) শিশুদের তাবীয দিতেন। তাই ছোটদের তাবীয দেওয়া যাবে, কিন্তু বড়দের নয়। আর হাদীছে বর্ণিত তামীমা দ্বারা তাবীয নয় বরং তাগা, সুতা এগুলো বুঝায়। আর তাবীযই ভালো করবে বা নাপা ওষুধই ভালো করবে এরকম মনে করলে শিরক হবে। সাধারণভাবে ব্যবহার করলে শিরক হবে না। এসব কথার সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.