উত্তর : হজ্জ করতে গিয়ে সেখান থেকে বৈধ পন্থায় ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে মালামাল নিয়ে আসাতে কোন বাধা নেই। কারণ হজ্জ পালনকালেও মালামাল ক্রয়-বিক্রয় বৈধ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের উপর কোন গোনাহ নেই স্বীয় প্রতিপালকের অনুগ্রহ অন্বেষণ করতে’ (বাক্বারাহ ২/১৯৮)। অনুগ্রহ বলতে এখানে ক্রয়-বিক্রয়কে বুঝানো হয়েছে। তবে হজ্জের সময় ব্যবসা যেন মূল উদ্দেশ্য না হয়। তাতে হজ্জের নেকীতে ঘাটতি হবে।






প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : অসুখের কারণে ১৭ বছর বয়সে ব্যাপকভাবে চুল পাকতে শুরু করেছে। এক্ষণে এরূপ চুলে কালো খেযাব ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : ছালাতুল হাজত-এর বিধান ও পদ্ধতি কি? এটা যে কোন সময়ে, এমনকি নিষিদ্ধ সময়েও পড়া যায় কি?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : কুরবানীর সময় অনেকেই বলে থাকেন যে, কুরবানী কবুল না হ’লে পুলছিরাত পার হওয়া যাবে না। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : ব্যবসা পণ্যের মোড়কে বিভিন্ন ছবি দেওয়া থাকে। এমতাবস্থায় করণীয় কি? ঐ সকল পণ্য কি বিক্রি করা যাবে?
প্রশ্ন (৩১/৩১) : পিতা-মাতা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে বিয়ে দিতে চায়। তাদের এই নির্দেশ অমান্য করলে আমি গোনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : জনৈক ইমাম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) শিশুদের তাবীয দিতেন। তাই ছোটদের তাবীয দেওয়া যাবে, কিন্তু বড়দের নয়। আর হাদীছে বর্ণিত তামীমা দ্বারা তাবীয নয় বরং তাগা, সুতা এগুলো বুঝায়। আর তাবীযই ভালো করবে বা নাপা ওষুধই ভালো করবে এরকম মনে করলে শিরক হবে। সাধারণভাবে ব্যবহার করলে শিরক হবে না। এসব কথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৭৪) : সূরা ক্বাছাছ ৮৮ আয়াত এবং রহমান ২৭ আয়াতে ‘ওয়াজহু’ শব্দ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে? অনেকে বলেন, ইমাম বুখারী (রহঃ) এর অর্থ ‘আল্লাহর রাজত্ব’ করেছেন। এ ব্যাপারে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : আমরা যে মাযহাবী ভাইদের সাথে অর্থাৎ বিদ‘আতীদের সাথে বিবাহ দিয়ে থাকি। শরী‘আতের দৃষ্টিতে তা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : আমরা জানি ১২০ দিন তথা ৪ মাস পরে মাতৃগর্ভে ভ্রূণে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়। এর পূর্বে যেকোন মাধ্যমে ঐ ভ্রূণ ফেলে দিলে গোনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : অনেক আলেম বলে থাকেন, সরাসরি কুরআন হাদীছ অনুযায়ী বর্তমানে আমল করা যাবে না। কারণ কুরআন হাদীছ বুঝার বিষয় আছে। তাই চার ইমামের যেকোন একজনের অনুসরণ করতে হবে।
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : ঈদের ছালাতের পূর্বে গযল গাওয়া বা বক্তব্য দেওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : আল্লাহ তা‘আলার কোন ছিফাত বা গুণবাচক নামের মাধ্যমে কিছু প্রার্থনা করা যাবে কি? যেমন কেউ বলল, হে আল্লাহর কালাম! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও ইত্যাদি।
আরও
আরও
.