উত্তর : বক্তব্য ভিত্তিহীন এবং মনগড়া। পৃথিবীর কোন মুফাসসির উক্ত আয়াতের তাফসীরে এরূপ কথা বলেননি। আয়াতটির অর্থ হ’ল- ‘আর তুমি নিজেকে ধরে রাখো তাদের সাথে যারা সকালে ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে আহবান করে তাঁর সন্তুষ্টি কামনায় এবং তুমি তাদের থেকে তোমার দু’চোখ ফিরিয়ে নিয়ো না পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনায়। আর তুমি ঐ ব্যক্তির আনুগত্য করো না যার অন্তরকে আমরা আমাদের স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি এবং সে তার খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে ও তার কার্যকলাপ সীমা অতিক্রম করে গেছে’ (কাহফ ১৮/২৮)। সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে ডাকার তাফসীরে ইবনু ওমর ও আমর ইবনু শু‘আইব বলেন, তারা ফজর ও আছরের ফরয ছালাত আদায় করে। এছাড়া কেউ কেউ সকাল-সন্ধ্যায় কুরআন শিক্ষা ও কুরআন তিলাওয়াতের কথা বলেছেন (তাফসীরে ইবনু আবী হাতেম হা/১২৭৭২-৭৪; ইবনু কাছীর)। ইবনু কাছীর সকাল-সন্ধ্যায় যিকির-আযকার, তাসবীহ্, তাহলীল পাঠ ও আল্লাহ নিকট চাওয়ার ব্যাখ্যা করেছেন (ইবনু কাছীর ঐ আয়াতের ব্যাখ্যা)। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি এমন একটি দলের সাথে বসব যারা ফজরের ছালাত থেকে শুরু করে সূর্য উঠা পর্যন্ত মহান আল্লাহর যিকরে মশগূল থাকে। এ কাজ আমার নিকট ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশের দাসী আযাদ করার চেয়ে অধিক প্রিয়। আমি এমন একটি দলের সাথে বসব যারা আছরের ছালাত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর যিকরে মশগূল থাকে। আমার নিকট এ কাজ চারটি দাসী আযাদ করার চেয়েও অধিক প্রিয়’ (আবুদাউদ হা/৩৬৬৭; মিশকাত হা/৯৭০; ছহীহাহ হা/২৯১৬)। অতএব এ আয়াত দ্বারা সম্মিলিত মুনাজাতের দলীল গ্রহণ করার কোন সুযোগ নেই।






প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : বাজারে মবিল কোম্পানী নাম ব্যবহার করে অনেক ব্যবসায়ী নকল মবিল তৈরী করে। এক্ষেত্রে একেকজন একেক পদ্ধতি অনুসরণ করে। কেউ ঐসব কোম্পানীর মবিলের খালি ক্যানে নিজেদের বানানো মবিল ভরে, কেউ পরিমাণ কম-বেশী করে নকল করে। এক্ষণে নকল তৈরীর ক্ষেত্রে আমার জন্য কোন পদ্ধতি হালাল হবে? - -আবু আব্দুল্লাহ, ভোলা।
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ব্যবসা করা কি শরী‘আত সম্মত? ন্যায্য মূল্য দিয়েই অন্য দেশ থেকে জিনিসটি ক্রয় করে আনা হয়। কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৯/৪৭৯) : আমার স্ত্রী পালিত সন্তান। তাকে ও আমাকে এখনো পর্যন্ত আসল পিতা-মাতা সম্পর্কে জানানো হয়নি। এনিয়ে শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার মত অবস্থা হয়েছে। আমার মধ্যে কখনোই কিছু চাওয়া-পাওয়ার ছিল না। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : পবিত্র অবস্থায় তালাক দিতে চাই। কিন্তু স্ত্রী দূরে থাকায় অবস্থা জানি না। এক্ষণে করণীয় কী? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/৩৯৭) : ছিয়াম অবস্থায় অনেক মানুষ এমনকি কোন কোন আলেমও দাঁতে গুল দেন এবং বলেন এতে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে না। এ ব্যাপারে সঠিক সমাধান জানতে চাই।
প্রশ্ন (৯/৪০৯) : কোন অমুসলিমকে দান করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/৪৩) : আমাদের ইমাম ছাহেব খুৎবায় বলেন, আব্দুর রহমান, আব্দুল খালেক এসব নামে আল্লাহর গুণাবলী প্রকাশ পাওয়ায় এরূপ নাম রাখা জায়েয নয়। একথা সঠিক কি? - -আনীসুর রহমানদারিয়া, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : মসজিদে উঁচু মিনার তৈরি করা যাবে কি? আর তাতে চাঁদের ছবি অাঁকানো বা আল্লাহু আকবার লেখা যাবে কি? - -আব্দুল হালীম, সন্তোষপুর, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : জনৈক আলেম বলেন, সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে কিছু নারী। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : ‘আহলেহাদীছদের স্বভাব হবে এই যে, তারা কোন কাজের ক্ষেত্রে বলবে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন তাই এই কাজটি করো, রাসূল (ছাঃ) এভাবে করতেন তাই এভাবে করো’। উপরোক্ত কথাটি কি হাদীছ না কোন মনীষীর উক্তি? - -তাহসীন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : আলমে বরযখ কী? বরযখ এবং আখেরাতের জীবন কি একই?
আরও
আরও
.