উত্তর : জয়ফল বহু প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত মশলা জাতীয় খাদ্য। তবে খাদ্য হিসাবে এটি ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে বিদ্বানগণের মধ্যে দু’টি মত লক্ষ্য করা যায়। একদল এটি হারাম বলেছেন। আরেকদল খাদ্য-দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিতভাবে স্বল্প পরিমাণ জায়েয বলেছেন। ইবনু দাক্বীকুল ঈদ, ইবনু হাজার হায়তামী প্রমুখ হাশীশের মত নেশাদার দ্রব্য সাব্যস্ত করে এই ফল খাওয়াকে হারাম বলেছেন (ইবনু হাজার হায়তামী, আয-যাওয়াজের ১/৩৫৫)। তবে আধুনিক বিদ্বানগণ ঔষধে বা খাদ্যের সাথে মিশ্রিতভাবে এর স্বল্প পরিমাণ ব্যবহারে বাধা নেই বলেছেন, যাতে মাদকতা আসে না। তবে কোন অবস্থাতেই একে পৃথকভাবে নেশাদার বস্ত্ত হিসাবে গ্রহণ ও ব্যবহার করা যাবে না (নাদওয়া ফিক্বহিয়া ত্বিবিবয়াহ ছামেনাহ (কুয়েত, মে ১৯৯৫)।

প্রশ্নকারী : আশিকুর রহমান, মাদারীপুর।






বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ছালাতের পূর্বে মিসওয়াক করলে ৭০ গুণ বেশী নেকী হয়, এ হাদীছের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) :এলাকায় মসজিদ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আদায়কারীর কোন বেতন নির্ধারণ না করে আদায়কৃত অর্থের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মজুরী হিসাবে নির্ধারণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : সন্তান প্রসবের পর নিফাসকালীন সময়ে স্ত্রী মিলন বৈধ কি?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : মুসলমানদের যাকাত বা ওশর থেকে কিছু অংশ অমুসলিম ফকীর-মিসকীনদের মাঝে বণ্টন করা যাবে কি? - -মেরিনা খাতূন, বিরামপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : কুরবানীর বকরী ক্রয়ের কিছুদিন পর বকরীর পায়ের খুর বড় হওয়ায় খুঁড়িয়ে হাটে। এমতাবস্থায় পায়ের ক্ষুর কাটা যাবে কি? অথবা যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় কুরবানী জায়েয হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২/৩৬২) : ছালাতে যদি দুনিয়াবী চিন্তা চলে আসে, তাহ’লে ছালাত সঠিক হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : হাদীছে এসেছে করযে হাসানা প্রদানকরলে ঋণ দানের চেয়েও বেশী নেকী লাভ হয়। কিন্তু ব্যবসার টাকা বাকী রাখলে তার জন্য কি করযে হাসানার ছওয়াব পাওয়া যাবে?যেহেতু পণ্য বাকী দেওয়া করয দেওয়ার মতই।
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : ইক্বামত শুরু হয়ে গেলে সুন্নাত ছালাতের ১ম রাক‘আত আদায়রত অবস্থায় আমার করণীয় কি? - -আবু আমাতুল্লাহ, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : আমার পরিবার আছে। ছোট চাকুরী করি। কিন্তু কোন কারণে এখন চাকরী না থাকায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি এবং দারুণ আর্থিক কষ্টের মধ্যে আছি। আমি যাকাতের টাকা গ্রহণ করতে পারব কি?
প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : নবম শ্রেণীর ইসলাম শিক্ষা বইয়ে ১৬৯ পৃষ্ঠায় আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) একাধারে ত্রিশ বছর রোযা রেখেছেন ও চল্লিশ বছর যাবৎ রাতে ঘুমাননি। অর্থাৎ এশার ওযূতে ফজরের ছালাত আদায় করেছেন। বর্ণনাটি কতটুকু সত্য? - -আনীস, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : মসজিদ নির্মাণে অর্থ আদায়ের সময় তা হালাল না হারাম জেনে নেওয়া আবশ্যক কি? হারাম টাকা হ’লে ফেরৎ দেওয়া আবশ্যক কি?
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : বিতর ছালাত পড়ার সময় তাকবীর দিয়ে হাত উঠানোর পর পুনরায় হাত বেঁধে দো‘আ কুনুত পড়ার ছহীহ দলীল জানতে চাই।
আরও
আরও
.