উত্তর : যে পরিমাণ অর্থ মিথ্যার মাধ্যমে অর্জন করেছে, সে পরিমাণ অর্থ তার জন্য হারাম হবে। তবে ব্যবসায় মিথ্যা বললে বরকত উঠে যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যদি তারা সত্য বলে ও সবকিছু খুলে বলে, তাহ’লে তাদের ব্যবসায়ে বরকত দেওয়া হবে। আর তারা যদি (দোষ-ত্রুটি) গোপন রাখে এবং মিথ্যা বলে, তাহ’লে তাদের দু’জনের ব্যবসায়ে বরকত রহিত করা হবে (বুখারী হা/২০৭৯; মিশকাত হা/২৮০২)। মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয়কারীর সাথে আল্লাহ কথা বলবেন না, তাকে পবিত্র করবেন না, তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে (মুসলিম হা/১০৬; মিশকাত হা/২৭৯৫)। অতএব মিথ্যা বলে অতিরিক্ত গৃহীত লভ্যাংশ গ্রহণ করা যাবে না।

প্রশ্নকারী : রিয়াদ ইসলাম, মান্দা, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (১০/৩৩০) : আল্লাহ বলেছেন, তোমরা আল্লাহকে দেখতে পাবে না। তাহ’লে আদম (আঃ) কি আল্লাহকে দেখেছিলেন?
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : পূর্বে ডিভোর্স হওয়া কোন নারীকে পরবর্তীতে বিবাহ দেওয়ার সময় ডিভোর্সের বিষয়টি গোপন রাখা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : বাজারে কালো মেহেদী নামে যে মেহেদী পাওয়া যায়, তা মেহেদী হ’লেও চুল-দাড়ি কালোর কাছাকাছি রঙ হয়। এটি ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : গার্মেন্টসে চাকুরী করা যাবে কি? এর উপার্জন হালাল হবে কি? - -যাকীরুল ইসলামসেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৭/৪৭) : জায়গা সংকুলান না হওয়ার কারণে একই মসজিদে একাধিকবার জুম‘আর ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : পিতার পাপ ছেলের উপর বর্তাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : সন্তান গ্রহণে অক্ষম দম্পতি গরীবদের নিকট থেকে সন্তান ক্রয় করেন। এ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : ঋণগ্রস্তের জন্য যাকাত আদায় করা ফরয কি?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : জনৈক আলেম বলেন, নফল ছালাতে ছানা পাঠ করার কোন বিধান নেই। এর কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩/৪৪৩) : ২৩ বছরের যুবক এইচ.এস.সি পাস করেছে। পিতার ইনকাম হালাল-হারাম মিশ্রিত। পিতা চায় তার খরচে সন্তান বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুক। আর ছেলে পিতার হারাম ইনকাম ভক্ষণ না করে চাকুরী করে ইনকাম করতে চায়। এক্ষণে তার জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : আমি সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি। আমাদের গভর্নিং বডি সম্প্রতি মাত্র ৫.৫% সূদে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সামান্য সূদে উক্ত টাকা গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
আরও
আরও
.