উত্তর : হক প্রকাশের ক্ষেত্রে কোন কিছুতেই বাধা নেই। তবে সর্বাবস্থায় বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আবশ্যক। হক কথা বলার সময়ও সর্বোচ্চ সম্মান বজায় রাখতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় (আবুদাঊদ হা/৪৯৩৯, তিরমিযী হা/১৯২০, ছহীহাহ হা/২১৯৬)। অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই প্রবীণ মুসলমানদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অন্তর্ভুক্ত’ (আবুদাঊদ হা/৪৮৪৩, মিশকাত হা/৪৯৭২)। এছাড়া গুরুজন সর্বদা সম্মানের পাত্র এবং সবদেশেই পরস্পরে সম্মানসূচক অথবা স্নেহব্যঞ্জক লকবে ডাকার প্রচলন রয়েছে। তাই সম্মানসূচক সম্বোধনেই তাদের ডাকতে হবে।






প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : প্রচলিত আছে কোন মহিলার ২০টি সন্তান হলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পুনরায় বিবাহ দিতে হবে। উক্ত ধারণা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৮/৪৮) : ব্যভিচারে লিপ্ত হলে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করা কি আবশ্যক হয়ে যায়? বার বার সতর্ক করার পরও এরূপ করলে সে ব্যাপারে স্বামীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৭/৪৭) : ‘আল্লাহুম্মা ছল্লে ‘আলা মুহাম্মাদ...’ মর্মে বর্ণিত দো‘আটি জুম‘আর দিন পাঠ করায় প্রভূত নেকী হয় কি? বিশেষতঃ এদিন আছরের পর ৮০ বার পাঠ করলে ৮০ বছরের গোনাহ ঝরে যায় এবং ৮০ বছর ইবাদতের নেকী লিপিবদ্ধ হয়। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -আনাম হুদাইসলামপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : গায়ের মাহরাম নারীর সাথে কথপোকথন ও চলাফেরার ক্ষেত্রে কি কি বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক?
প্রশ্ন (১/১): আমাদের এলাকায় জনৈক ব্যক্তি বজ্রপাতে মারা যায় তাকে কবরস্থ করার পরপরই কবর পাকা করা হয় এবং উপরে ঢালাই দেওয়া হয়। কারণ এ ধরনের লাশ চুরি হয়ে যায়। এক্ষণে এর হুকুম জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়া কি ছাহাবী ছিলেন, না তাবেঈ ছিলেন? কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার সাথে তিনি কি জড়িত ছিলেন?
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : জনৈক বক্তা বলেন, ওযর ব্যতীত হজ্জ থেকে বিরত থাকা ব্যক্তি ইহূদী বা খ্রিষ্টান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে। একথা কোন সত্যতা আছে কি? - -সাইফুদ্দীন, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : যঈফ হাদীছ তো সন্দেহযুক্ত। তাই যঈফ হাদীছের উপর আমল করা যাবে না। কিন্তু ইমাম তিরমিযী, আবুদাঊদ প্রমুখ তাদের স্ব স্ব গ্রন্থে যঈফ হাদীছ উল্লেখ করেছেন। কেউ যদি তা দেখে যঈফ হাদীছের উপর আমল করে তবে দায়ী কে হবে? কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে যঈফ হাদীছের উপর আমল করা যায়?
প্রশ্ন (১১/২৯১) : আমাদের মেডিকেল কলেজে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ক্লাস থাকায় প্রতিদিন যোহরের ছালাত দেরী করে পড়তে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নূরুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : গর্ভবতী নারী যে কাজগুলো বেশী বেশী করবে, তার প্রভাব কি তার গর্ভের সন্তানের উপর পড়বে? যেমন বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত, দো‘আ পাঠ করা, নেক আমল করা ইত্যাদি।
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) : রাতে পশু শিকার করা যাবে কি?
আরও
আরও
.