উত্তর : হিজড়া সন্তান তিন ভাগে বিভক্ত। কেউ পুরুষাঙ্গ বিশিষ্ট। এরূপ সন্তানের জন্য দু’টি ছাগল আক্বীক্বা দিবে। কেউ নারী অঙ্গ বিশিষ্ট। এরূপ সন্তানের জন্য একটি ছাগল আক্বীক্বা দিবে (বায়হাক্বী হা/১২৫১৪; শানক্বীত্বী, শারহু যাদিল মুসতাক্বনে‘ ১৯/১৩৩)। কিছু হিজড়া সন্তান রয়েছে যাদের নারী বা পুরুষ হিসাবে পার্থক্য করা কঠিন। এরূপ সন্তানের আক্বীক্বার ব্যাপারে আল্লামা শানক্বীত্বী বলেন, বিদ্বানগণ এদের নারী হিসাবে গণ্য করে একটি ছাগল আক্বীক্বা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন (শারহু যাদিল মুসতাক্বনে‘ ২৭/১৩০)। অনুরূপভাবে এদের মীরাছের ব্যাপারেও মতপার্থক্য রয়েছে। তাদের মধ্যে নারী বা পুরুষালী বৈশিষ্ট্য কোনটা স্পষ্ট না হ’লে ইমাম মালেকসহ একদল বিদ্বানের মতে, তাদেরকে মীরাছের ক্ষেত্রে মুতাওয়াস্সিত বা মধ্যবর্তী ধরে নিতে হবে। অর্থাৎ তারা একইসাথে পুরুষের মীরাছের অর্ধেক এবং নারীর মীরাছের অর্ধেক পাবে (ইসলাম ওয়েব ফৎওয়া ক্রমিক ৪৬৭২৪)।

প্রশ্নকারী : আব্দুর রায্যাক, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।






প্রশ্ন (১/৩২১) জনৈক আলেম বলেন, সকলে একত্রিত ইফতার করা বিদ‘আতের অন্তর্ভুক্ত। এব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত কি?
প্রশ্নঃ (৯/২৪৯): রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দ্বীন প্রচারের পদ্ধতি কি ছিল?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : গান গাওয়া, লেখা, সুর করা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো প্রভৃতিকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা যাবে কি? এর সমর্থক হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ২৫ ও ১৮ বছর বয়সী স্বামী-স্ত্রী উভয়ে পড়াশুনায় ব্যস্ত। সন্তান দেখার মত কেউ না থাকায় তারা বর্তমানে আযলের মাধ্যমে সন্তান নেওয়া থেকে বিরত থাকছে। এরূপ করায় তাদের গুনাহ হবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : ইহূদী-খ্রিষ্টান ও হিন্দু-বৌদ্ধ সহ বর্তমান বিশ্বের সমস্ত মানুষকে উম্মতে মুহাম্মাদী বলে আখ্যায়িত করা যাবে কি? - .
প্রশ্ন (১০/১৩০) : স্ত্রী পাপ করলে স্বামীকে কি সেই পাপের ভাগিদার হ’তে হবে?
প্রশ্ন (২১/১০১) : যৌথ ফ্যামিলিতে একত্রে থাকার কারণে পর্দা মেনে চললেও কাজ করার ক্ষেত্রে গায়রে মাহরামের সামনে কনুই পর্যন্ত দুই হাত, পায়ের গোড়ালী বা পাতা ঢেকে রাখা সম্ভব হয় না। এতে আমি গুনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : ব্যাংকে ডিপিএসকৃত টাকা থেকে সূদ দান করে দিয়ে মূল অর্থ দিয়ে হজ্জ বা ওমরাহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : জনৈকা গর্ভবতী নারী মাটি বা মাটির তৈরী পাত্র চিবিয়ে খায়। এরূপ মাটি খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২১/১৮১) : জনৈক ইমাম খুৎবায় বলেছেন যে, হজ্জের সময় হাজীগণ শয়তানের উদ্দেশ্যে যে কংকর নিক্ষেপ করেন, তা জমা হয়ে পাহাড়ের রূপ ধারণ করে। আল্লাহ তা‘আলা পরবর্তী হজ্জের আগে ফেরেশতা দ্বারা সেই কংকর অপসারণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দেন যে কুরআন শরীফে এর উল্লেখ আছে। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : আমার পিতা কয়েকবার হজ্জ করেছেন। কিন্তু তিনি সামান্য ভুলের জন্য আমার মাতার সাথে জঘন্য ব্যবহার করেন। মিথ্যা অপবাদ দেন। গায়ে হাত তোলেন। আমি এসব সহ্য করতে পারি না। আমার জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : পুরাতন গোরস্থান কবরে ভরে গেছে। এক্ষণে সেখানে নতুনভাবে কবর দেওয়ার জন্য করণীয় কি?
আরও
আরও
.