উত্তর : সমিতির নিয়ম-নীতি যদি কুরআন-হাদীছ বিরোধী না হয় ও ব্যবসায়ের জন্য ক্ষতিকর না হয় তাহ’লে দুনিয়াবী শৃংখলার স্বার্থে নিয়ম মেনেই বই কেনা-বেচা করবে। কারণ ইসলামী শরী‘আত সর্বাবস্থায় জাগতিক শান্তি-শৃংখলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে (ক্বাছাছ ২৮/৮৩)






প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : মসজিদে গিয়ে ২ রাক‘আত ছালাত আদায় করে চুপচাপ বসে থাকলে ফেরেশতারা তার জন্য দো‘আ করবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - -মেহেদী হাসান, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) : জনৈক ইসলামী বক্তা টিভিতে আলোচনা করতে গিয়ে বায়হাক্বীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, নবী-রাসূলগণ কবরে ছালাত আদায় করছেন। উক্ত কথার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৯/৮৯) : কেবল পরিদর্শনের জন্য মাযার বা শিরকী কার্যকলাপ চলে এরূপ স্থানে যাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : ইসলামী বিধান মতে কসাইয়ের কাজ জায়েয কি? গোশতের ছিটেফোঁটা ও রক্ত শরীরে বা কাপড়ে লাগলে ছালাত জায়েয হবে কি? - -আব্দুল ক্বাইয়ূম সরদার, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : পুরাতন কবরস্থানে মসজিদ বানানো যাবে কি? এমন স্থানে মসজিদ হ’লে সেখানে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/১৭৭) : জানাযা ও দুই ঈদের অতিরিক্ত তাকবীরগুলোতে হাত উঠানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : আমি মসজিদে ফরয ছালাত পড়ার পর সুন্নাত/নফল পড়ার জন্য প্রস্ত্ততি নিচ্ছি। এমন সময় দেখি কয়েকজন লোক এসে ফরয ছালাতের জামা‘আত করছে। এমতাবস্থায় ছহীহ মুসলিমের হাদীছ অনুযায়ী আমি সুন্নাত বাদ দিয়ে জামা‘আতে শরীক হব কি?
প্রশ্ন (২১/২২১) : ছগীরা গুনাহ কাকে বলে? কয়েকটি ছগীরা গুনাহের উদাহরণ দিলে উপকৃত হব। - -নাসীম, বখশী বাযার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : রাসূল (ছাঃ) জনৈক মহিলাকে বলেন যে, মেহমান তোমার গৃহ থেকে ফিরে যাওয়ার সময় সবধরনের ক্ষতিকর প্রাণী নিয়ে যায়। আর মেহমানদারীর জন্য এটাই তোমার প্রাপ্তি। বর্ণনাটির কোন সত্যতা আছে কি? - -আব্দুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : মাসবূক যদি দ্বিতীয় রাক‘আতে ইমামের সাথে যোগদান করে আর ইমাম ভুল করে পাঁচ রাক‘আত ছালাত আদায় করে সালাম ফিরায়, তাহ’লে মাসবূক কি ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে? না আরো এক রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরাবে? একইভাবে ইমাম যদি ভুলবশতঃ তৃতীয় রাক‘আত শেষে সালাম ফিরায় এবং পরক্ষণে দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট রাক‘আত আদায় করে, সেক্ষেত্রে মাসবূক কি করবে? - -আব্দুল্লাহ আল-মামূনছোট বনগ্রাম, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১/১৬১) : ‘ক্বিয়ামতের দিন সূর্য সোয়া হাত নীচে নেমে আসবে’ হাদীছের এই বাণীটির যৌক্তিকতা ও ওলামায়ে কেরামের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। আমার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী উভয়ই আছে। আমি হাত ও পা মোজা, নিকাবসহ পূর্ণ পর্দার সাথে ক্লাস নেই। অবসরে পৃথক কক্ষে বসার কারণে সহকর্মীদের সাথেও একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কথা বা সাক্ষাৎ হয় না। পড়ানোর সময়ও কন্ঠ কঠোর রাখি। এক্ষণে আমার জন্য শিক্ষকতা করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.