উত্তর : ইচ্ছাকৃতভাবে সাহারী না করে ঘুমিয়ে থাকা সুন্নাতের বরখেলাফ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা সাহারী খাও। কেননা তাতে বরকত রয়েছে’ (বুখারী হা/১৯২৩, মুসলিম হা/১০৯৫)। তিনি বলেন, ‘আমাদের ও আহলে কিতাবদের ছিয়ামের পার্থক্য হ’ল সাহারী করা’ (মুসলিম হা/১০৯৬)। অর্থাৎ ইহূদী-নাছারারা সাহারী করে না, আমরা করি। তিনি আরও বলেন, সাহারী বরকতপূর্ণ খাদ্য। অতএব তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। বরং একঢোক পানি হলেও তোমরা তা পান করো। কেননা  আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ সাহারী গ্রহণকারীদের উপর রহমত বর্ষণ করেন (আহমাদ, ছহীহুল জামে‘ হা/৩৬৮৩)। তবে বাধ্যগত কারণে সাহারী খেতে না পারলেও ছিয়ামের নিয়ত করলে ছিয়াম আদায় হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ (বুখারী, ফাৎহুল বারী ৪/১৭৫ হা/১৯২২-এর আলোচনা দ্রঃ ‘সাহারী ওয়াজিব নয়’ অনুচ্ছেদ; নায়লুল আওত্বার ২/২২২)

-জামাল, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।







প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : মদ খেয়ে ইবাদত করলে ইবাদত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (৭/৭) : আল্লাহু আকবার, আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ প্রত্যেকটি বাক্য ১০০ বার করে পাঠ করার কোন ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : ক্বাযা ছালাত আদায় করার সময় সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? উক্ত সুন্নাত না পড়লে কি গোনাহ আছে?
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : আমি ১৪ বছর বয়সী একজন শিক্ষার্থী। নিয়মিত ছালাত ও ছিয়াম পালনের চেষ্টা করি। বয়ঃসন্ধি কালীন শারীরিক পরিবর্তনের কারণে আমি তীব্র জৈবিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছি, যা নিয়ন্ত্রণ করা আমার জন্য অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। হারাম কাজ ও পাপাচার থেকে বেঁচে থেকে আত্মসংযম বজায় রাখার ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় আমি দিশেহারা হয়ে যাই। কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : আযল-এর বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫/৫) : জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক ক্লাসে ব্যাঙ কেটে পরীক্ষা করতে হয়। কিন্তু শুনেছি এ প্রাণীকে এভাবে হত্যা করা গোনাহের কাজ। এক্ষণে করণীয় কি? - -নুছরাত সাকী ইউহাসাতকানিয়া সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (২২/১৮২) : ফজরের ছালাতের সময়ের এক ঘণ্টা আগে ভুলবশতঃ আযান দিয়ে জামা‘আত সহ ছালাত আদায় করে ভুল বুঝা যায়। ঐ ছালাত কি পুনরায় পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : কিয়ামত দিবসে কে কে শাফা‘আত করার সুযোগ লাভ করবেন?
প্রশ্ন (৩৫/৩৯৫) : ছিয়াম অবস্থায় মযী নির্গত হ’লে বা নাকে পানি প্রবেশ করলে ছিয়াম ভেঙ্গে যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : মিশকাত হা/৫৭৩৭-এ বলা হয়েছে, আল্লাহ তা‘আলা ৩১৫ জন রাসূলসহ এক লক্ষ ২৪ হাযার নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। অথচ অত্র হাদীছটিকে অধিকাংশ বিদ্বান ও বহু সংখ্যক আলেম যঈফ বলছেন। উক্ত হাদীছের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/১৬৩) : কোন মুসলিম বা অমুসলিমকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : রাসূল (ছাঃ) কি কোন ছাহাবীকে শা‘বান মাসের ছুটে যাওয়া ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে বলেছিলেন?
আরও
আরও
.