রামাযান মাস রহমতের বারিধারা নিয়ে আমাদের দ্বারে উপস্থিত হয়। বড়দের পাশাপাশি আমাদের ছোট্ট সোনামণিদের মনেও এই পবিত্র মাসের আনন্দের ঢেউ লাগে। সাহারীর সময় ঘুম থেকে ওঠা, ইফতারের সময় সবার সাথে বসা এই দৃশ্যগুলো শিশুদের কোমল হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। তবে অভিভাবক হি
পিতা-মাতার কাছে সন্তান কেবল রক্ত-গোশতের কোন শরীর নয়; সন্তান হ’ল তাদের অস্তিত্বের অংশ, স্বপ্নের চারাগাছ এবং দুনিয়া ও আখেরাতের সেতুবন্ধন। প্রত্যেক পিতা-মাতা চান সন্তান বড় হয়ে অনেক বড় কিছু হবে, সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বড় আলেম, বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়া
ভূমিকা: শিশুরা হ’ল পরিবারের আয়না। সেই আয়নাতেই প্রতিফলিত হয় বাবা-মায়ের শিক্ষা, আচরণ ও চরিত্রের সূক্ষ্ম ছাপ। আখলাক বা চরিত্রের সবচেয়ে সুন্দর বাহ্যিক রূপ হ’ল আদব। একজন মানুষের সৌন্দর্য ফুটে উঠে তার আদবের মধ্যে। উত্তম আদবের মাধ্যমে মানুষ দুনিয়া ও আখেরাতে
ভূমিকা : উঠতি বয়স তথা ‘কৈশোর’ কালের এক অত্যন্ত নাজুক ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। এই সময়ে একজন কিশোর বা কিশোরীর মন ও শরীরে ঘটে যায় নানামুখী পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের ধারায় যখন সবকিছু ওলটপালট মনে হয়, তখন জীবনে বন্ধুর আবির্ভাব ঘটে এক নতুন প্রভাবক হিসাবে। এসময়
আধুনিক যুগে পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা ও বিশৃঙখলা আমাদের সামাজিক জীবনে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক পরিবারেই আজকাল দেখা যায় ভূমিকার অস্পষ্টতা, দায়িতেবর সংঘাত এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিভ্রান্তি। এই সমস্যার মূল কারণ হ’ল একটি স্পষ্ট ও কার্যকর অগ্রাধ
পুত্র সন্তানদের আচরণ সংশোধনে অনেক সময় পিতা-মাতা বা অভিভাবক যেভাবে উপদেশ দেন বা শাসন করেন, তা ফলপ্রসূ না হয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, বকা-ঝকা বা মারধর যদি প্রকাশ্যে হয় বা ঘন ঘন হয়, তাহ’লে সন্তান আরও যেদী, নির্লিপ্ত বা বিদ্রোহী হয়ে উ
গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের জন্য ‘দেখানো উচিত নয়’ বা ‘দেখানো উচিত’ এমন কিছু চ্যানেলের তালিকা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট চোখে পড়ছে। বর্তমান সময়ে এই ধরনের আলোচনা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে একজন সচেতন মুসলিম অভিভাবক হিসাবে আমাদের আরও গভীর এ
আমাদের সন্তানরা বড় হ’তে হ’তে জীবনের নানা ধাপে নানা রকম মানসিক আঘাত পায়। এই আঘাতগুলোর প্রতিক্রিয়ায় কোন কোন শিশু ভেঙে পড়ে, আবার কেউ কেউ সময়ের সাথে সেই আঘাত থেকে নিরাময় লাভ করে। কেউ আঘাত পেয়ে তা কাটিয়ে উঠে, আবার কেউ তা নিজের ভেতরে জমিয়ে রাখে। এটা আসলে ক
শফীক ছাহেব খুব চিন্তিত। পার্কে বসে বসে ভাবছেন, তাঁর ১৪ বছর বয়সী ছেলে রফীকের পড়াশোনা দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। গল্প, উপন্যাস, ছড়া-কবিতা, সাইন্স ফিকশন তো দূরে থাক, ছেলেটা স্কুলের বইও এখন পড়তে চায় না। কি করে যে ছেলেটাকে পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করা যায়। প্