উত্তর : সুফারিশের বিনিময়ে কোন প্রকারের সুবিধা গ্রহণ করা যাবে না। সেটি ঘুষ হবে। যখন নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট কোন প্রার্থী আসত, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলতেন (এর জন্য) ‘তোমরা সুফারিশ কর, তোমাদেরকে পরস্কার দেওয়া হবে। আর আল্লাহ তাঁর নবীর যবানে যা পসন্দ করেন, তা ফায়ছালা করে দেন’ (বুখারী হা/১৪৩২; মুসলিম হা/২৬২৭)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের জন্য সুফারিশ করল, অতঃপর তার জন্য হাদিয়া দিল তারপর সুফারিশকারী তা গ্রহণ করল, তাহ’লে সে সূদেরই এক বড় দরজায় উপনীত হ’ল (আবুদাউদ হা/৩৫৪১; মিশকাত হা/৩৭৫৭)। অতএব কারো জন্য সুফারিশ করা ছওয়াবের কাজ। কিন্তু এর বিনিময় গ্রহণ করা হারাম।

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।








প্রশ্ন (২০/১৮০) : বোনদের বঞ্চিত করে মায়ের সম্পদ ভাইয়েরা কৌশলে মায়ের কাছ থেকে লিখে নিলে ভাইদের পরকালীন শাস্তি কি হবে?
প্রশ্ন (২৯/২৬৯) : পেশাবযুক্ত পানির ফোঁটা কাপড়ে লাগলে তা দ্বারা ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -হাসিনা খাতুন, রংপুর।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : জনৈক ব্যক্তি মানত করেন যে, তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তার এলাকার সব নতুন মসজিদের বৈদ্যুতিক তারের ব্যবস্থা করে দিবেন। তিনি কয়েক বছর উক্ত ব্যবস্থা করলেও বর্তমানে করতে চাচ্ছেন না। এজন্য কি তাকে কাফফারা দিতে হবে?
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : মোবাইল যোগে মেয়ের বাবা দুইজন সাক্ষীর সামনে বলেছেন যে, তোমার সাথে আমার মেয়েকে বিবাহ দিলাম। এ বিবাহ কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (১০/২১০) : বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন শায়েখের ভক্তরা অন্য শায়েখদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে, বিদ‘আতী ও কাফের বলে ফৎওয়া দেয় এবং নানা গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যে লিপ্ত হয়। এসব করা কতটুকু জায়েয? এসবের পরিণতি কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম বা অন্য যেকোন ছিয়াম ছুটির দিন হিসাবে নিয়মিতভাবে শুক্রবারে রাখা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : ৪টি ছেলে সন্তান একত্রে জন্মলাভ করলে আক্বীক্বার ক্ষেত্রে পিতা-মাতার করণীয় কি? ৮টি পশুই যবেহ করতে হবে না কম করলেও চলবে?
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : মসজিদ কমিটি ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ডিপোজিট রেখে তার লভ্যাংশ থেকে মসজিদের ইমাম ও মুওয়াযযিনের বেতন দেয়। এরূপ করা জায়েয হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : কোন দুর্যোগ কিংবা শত্রু কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকলে ফরয ছালাতের শেষ রাক‘আতে রুকূর পর সবাই মিলে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠের পর ইমাম যখন অন্য সূরা পাঠ করেন তখন কি মুছল্লীকে চুপ থাকতে হবে? একেবারে চুপ না থেকে তাসবীহ পাঠ করা, আয়াতগুলো ইমামের সাথে সাথে আওড়ানো বা আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব প্রতিদিন ফজরের ছালাতে রুকূর পর হাত তুলে কুনূত পাঠ করে। এভাবে নিয়মিতভাবে করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : রামাযান মাসে সারারাত জেগে ক্বিয়ামুল লায়ল পালন করা যাবে কি?
আরও
আরও
.