উত্তর : আল্লাহর একত্ব সম্পর্কে জানার জন্য যে তিন প্রকার তাওহীদ সম্পর্কে জানা আবশ্যক তার মধ্যে তাওহীদে আসমা ওয়াছ ছিফাত অন্যতম। এর অর্থ আল্লাহর নামসমূহ ও গুণাবলী সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। যার মাধ্যমে মানুষ বিবিধ কল্যাণ লাভ করতে পারে। যেমন- ১-মানুষ যখন আল্লাহ্কে ‘রাযযাক’ বা একমাত্র রিযিকদাতা বলে বিশ্বাস করে, তখন সে রুযী নিয়ে চিন্তিত হয় না। ২- মানুষ যখন জানবে যে, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর কোন শরীক নেই। তখন মানুষ শিরকমুক্তভাবে ইবাদত করবে। ৩- মানুষ যখন জানবে যে, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। তখন স্বাভাবিকভাবেই আল্লাহর প্রতি তার ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে। ৪- মানুষ যখন জানবে যে, আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা, তখন সে কোন অন্যায় কাজ করতে ভয় পাবে। ৫- মানুষ যখন জানবে যে, আল্লাহ হায়াত ও মঊতের মালিক, তিনি সন্তানদাতা এবং রোগ ও আরোগ্যদাতা, তখন সে এসব নিয়ে কোনরূপ দুশ্চিন্তায় ভুগবে না। এভাবে মানুষ যখন আল্লাহর নাম ও গুণাবলী সম্পর্কে জানবে তখন সে বুঝতে পারবে যে, তার জন্য এসব কিছু শোভা পায় না। মনে রাখা অবশ্যক যে, অধিকাংশ বাতিল ফেরকারই জন্ম হয়েছে এই তাওহীদ সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে। একই বিভ্রান্তির শিকার হয়ে অনেক তাফসীরবিদ তাদের তাফসীর গ্রন্থসমূহে আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলী সম্পর্কে অবমাননাকর ও ঈমানবিধ্বংসী আকীদাসমূহ প্রচার করেছেন।






প্রশ্ন (৩৮/৪৭৮) : ছালাতে সূরা ফাতিহার পর সর্বনিম্ন কয়টি আয়াত পাঠ করা আবশ্যক?
প্রশ্ন (৪/৮৪) : কোন ঈদগাহ বা মসজিদে মহিলাদের জন্য বিশেষ জায়গা সংরক্ষণ করা আছে; কিন্তু পুরুষ মুছল্লীদের দুই বা তিনটা কাতার খালি থাকে। এমতাবস্থায় মহিলারা ইমামের ইক্তেদা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : ক্বিয়ামত কোন দিন ও তারিখে হবে। অনেকে বলে যে মুহাররম মাসের ১০ তারিখ শুক্রবার ক্বিয়ামত হবে? এ কথা কতটুকু সত্য? - -নাহীদুল ইসলাম, আটমূল, শিবগঞ্জ ,বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : আমার স্বামী প্রায়শঃ আমার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। আমার আশঙ্কা যেকোন সময় তালাক দিয়ে দিতে পারে। এক্ষণে তাকে না জানিয়ে সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : চাঁদ দেখার দো‘আটি কি কেবল ঈদের চাঁদের সাথে নির্দিষ্ট না ১২ মাস নতুন চাঁদ দেখলে উক্ত দো‘আটি পাঠ করা যাবে? - -জুবায়দা ইয়াসমীন, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩২/১৫২) : আমার বিয়ের পর স্বামী বিদেশ চলে যায়। তারপর ঐখানে বসে আমাকে এক তালাক দেয়। আমি যতদূর জানি বিয়ের পর যদি স্বামীর সাথে কোন সহবাস না হয়। আর তখন যদি তালাক দেয়, তাহ’লে নাকি এক সাথে থাকতে চাইলে নতুন করে বিবাহ করতে হয়। আমরা এক সঙ্গে এক রাতও থাকিনি। কিন্তু আমরা ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন আমরা হোটেলে একান্ত সময় কাটাই। আমার তখন মাসিক ছিল বলে মিলন হয়নি। কিন্তু মিলন ব্যতীত সবকিছু হয়েছিল এবং আমার স্বামীর উপর গোসল ফরয হয়েছিল। এ অবস্থায় আমার স্বামী কর্তৃক তালাক কি কার্যকর হয়েছে? আমরা সংসার করতে চাইলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : মৃতব্যক্তির কবরে কয়েকজন মিলে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : দু’জন নারী জামা‘আতে ছালাত আদায় করতে চাইলে মহিলা ইমাম ও মুক্তাদী কিভাবে দাঁড়াবে?
প্রশ্ন (৮/৪০৮) : পিতা ছূফীবাদী আক্বীদাসহ নানা শিরকী আক্বীদায় বিশ্বাসী। নিয়মিত ছালাতও আদায় করেন না। তিনি আমার বিয়ের ওলী হ’তে পারবেন কি?
প্রশ্ন (১০/১৩০) : আমি জনৈক মহিলার দুধ পান করেছি। এক্ষণে উক্ত মহিলার মেয়েকে আমার ভাই বিয়ে করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩/৪৩) : আমরা যে মাযহাবী ভাইদের সাথে অর্থাৎ বিদ‘আতীদের সাথে বিবাহ দিয়ে থাকি। শরী‘আতের দৃষ্টিতে তা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : ই‘তিকাফ-এর ফযীলত কি? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ই‘তিকাফের পদ্ধতি কি ছিল? মহিলারা কি এ ইবাদতে অংশগ্রহণ করতে পারবে?
আরও
আরও
.