উত্তর : নারী-পুরুষের জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক। এই ব্যবস্থা না থাকলে সাধ্যমত দৃষ্টি নত রেখে পাঠদান করবে (নূর ২৪/৩০-৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আলী (রাঃ)-কে বলেন, ‘হে আলী! তুমি দৃষ্টির উপর দৃষ্টি ফেলো না। হঠাৎ যে দৃষ্টি পড়ে ওটা তোমার জন্য মাফ। কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি তোমার জন্য বৈধ নয়’ (আবুদাঊদ হা/২১৪৯ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১১০)। তবে প্রয়োজনে বা বাক্যালাপকালে দৃষ্টি প্রদানে সাধারণভাবে বাধা নেই, যদি তা কামনামুক্ত থাকে। কিন্তু কামনাপূর্ণ কুদৃষ্টি সর্বাবস্থায় হারাম (নববী, শরহ মুসলিম হা/৩৩৮-এর আলোচনা ৪/৩১ পৃ.)

প্রশ্নকারী : ফয়েয আহমাদ, গাযীপুর।








প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : জুম‘আ মসজিদে খুৎবার পরে মসজিদের সভাপতি দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ বক্তব্য দেন। এরপরে ছালাত শুরু হয়। উক্ত সময়ে সভাপতি ছাহেবের বক্তব্য দেওয়ার বৈধতা আছে কি? - -মুহাম্মাদ কেরামত আলী, বুধহাটা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : বেনামাযী মুসলিম কসাই আল্লাহর নামে পশু যবেহ করলে তা খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/২৪৩) : কুরআনের কোন সূরা বা আয়াতের তেলাওয়াতকে বিশেষভাবে প্রাধান্য নেওয়া যাবে কি না?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : কোন ব্যক্তি বিবাহের পর সহবাসের পূর্বে মারা গেলে উক্ত স্ত্রীকে ইদ্দত পালন করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : পিতা সন্তান রেখে মারা গেলে সন্তানেরা দাদার সম্পত্তি পাবে না মর্মে সরাসরি কোন দলীল হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : দত্তক নেওয়া সন্তানকে মাহরাম বানানোর জন্য বোনের বা ভাবীর দুধ পান করানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২/২) : বিভিন্ন সময় আরব থেকে শায়েখ-মাশায়েখ বাংলাদেশে আগমন করেন এবং বিভিন্ন মসজিদে খুৎবা দেন। আরবী ভাষায় খুৎবা প্রদান করায় মুছল্লীরা বুঝতে পারে না। এমতাবস্থায় কোন বাঙ্গালী খুৎবার তরজমা করে দিলে কোন দোষ হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : জুম‘আর দিন অনেকে তাদের মৃত পিতা-মাতার জন্য দো‘আ চাইলে ইমাম ছাহেব সূরা ফাতিহা সহ দো‘আ-দরূদ পাঠ করে সকলকে নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেন এবং সবাইকে সিন্নী খাওয়ানো হয়। এতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - -আব্দুল হাই আল-হাদী, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : আমি সর্বদা পর্দার মধ্যে থাকি। এক্ষণে আমি মাথার সামনের চুল সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কেটে সাইজ করে রাখতে চাচ্ছি। গৃহাভ্যন্তরে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এভাবে চুল ছাটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১২/৪১২) : আলু, কলা ও পানের ওশর দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : প্রচলিত আছে কোন মহিলার ২০টি সন্তান হলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পুনরায় বিবাহ দিতে হবে। উক্ত ধারণা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : পিতার অবর্তমানে আমার অমতে বড় ভাই আমাকে বিবাহ দেন। বিবাহে আমি কবুল বলিনি এবং কাবিননামায় স্বাক্ষর করিনি। এরপর সংসার হয়, সন্তান হয়। একসময় আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু স্বামী তালাক দিতে রাযী নন। আর আমার পরিবার ডিভোর্সের ব্যাপারে রাযী নয়। পরে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী খোলা তালাকের চিঠি দেই। তারপর বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া নিজে ব্যক্তিগতভাবে অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরে জানতে পারি অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ জায়েয নয়। বর্তমানে আলাদা আছি। অভিভাবকের সম্মতি আদায়ের চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাদের কথা পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে না গেলে তারা কোন সম্পর্ক রাখবে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.