উত্তর : পৃথিবীর সকল স্থানের চাঁদের উদয়স্থল এক নয়। কাজেই সারা দুনিয়ার ছিয়াম রাখা ও ছিয়াম ছাড়া এক সাথে হতে পারে না। আল্লাহ বলেন, তোমাদের যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন ছিয়াম পালন করে (বাক্বারাহ ১৮৫)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা চাঁদ দেখে ছিয়াম শুরু কর এবং চাঁদ দেখে ছিয়াম ছাড় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৭০)। এতে প্রমাণিত হয় যে, সারা দুনিয়ার মানুষ এক সাথে চাঁদ দেখতে পারে না। কারণ কোন দেশে যখন ফজরের সময় হয় অন্য দেশে তখন গভীর রাত থাকে, (যেমন মক্কার লোকেরা যখন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখে বাংলাদেশে তখন ৩ ঘণ্টা রাত হয়ে যায়) তখন কিভাবে তাদের বলা হবে যে, তোমরা চাঁদ না দেখলেও ছিয়াম রাখ? অথচ রাসূল (ছাঃ) আমাদেরকে চাঁদ দেখে ছিয়াম রাখতে বলেছেন (ছালেহ আল-উছায়মীন (সাবেক কেন্দ্রীয় মুফতী, সঊদী আরব), ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, মাসআলা নং ৩৯৩)। অতএব বাংলাদেশে ছিয়াম শুরু হবে পরদিন চাঁদ দেখার পরে। ঈদও হবে একদিন পরে। কেননা যোহরের ছালাত যেমন ফজরের সময় আদায় করা যায় না, তেমনি মক্কার সঙ্গে ঢাকা মিলাতে গিয়ে একদিন পরের ছিয়াম ও ঈদ একদিন আগে করা যায় না। এটি রাসূল (ছাঃ)-এর আদেশের স্পষ্ট লংঘন।






বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (২৯/৩৪৯) : বিভিন্ন সূরা পাঠের ফযীলত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : ছহীহ মুসলিম ও মুসনাদে আহমদের হাদীছে বুঝা যায় কদরের রাত্রি হবে ২৭ রামাযান (মুসলিম হা/২৮০৪; মিশকাত হা/২০৮৮)। সে অনুযায়ী আমাদের দেশে উক্ত রাত্রিতে কদর তালাশ করা হয়। অনেকে এর বিরুদ্ধে বলেন। এর সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৪/২৪) : মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় স্ত্রী স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে যে, মোহরানাসহ তোমার যা কিছু আছে সব ফেরত নিয়ে আমাকে তালাক দাও। অন্যথায় এখনই আমি আত্মহত্যা করব বলে সে আত্মহত্যা করতে উদ্যত হয়। এমতাবস্থায় স্বামী নিরুপায় হয়ে একত্রে তিন তালাক প্রদান করে। অতঃপর ঘন্টাখানেক পর স্ত্রী স্বাভাবিক হ’লে তারা উভয়ে অনুতপ্ত হয়ে একত্রে বসবাস করতে থাকে। বিভিন্ন সময়ে তিনবার এরূপ ঘটনা ঘটে। এক্ষণে করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : মানবদেহের অবাঞ্ছিত লোম ৪০ দিনের অধিক সময় পরিষ্কার না করলে ইবাদত কবুল হবে কি এবং তা পরিষ্কার করার পর গোসল করা আবশ্যক কি?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : ছালাতরত অবস্থায় কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে মুছল্লীদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৭৬) : আমার পিতা-মাতা ১৫ বছর যাবৎ ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণগ্রস্থ। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া তাদের নেশা। বর্তমানে প্রতিমাসে ৫০-৬০ হাযার টাকা কিস্তি শোধ করতে হয়। আমি ও আমার ছোট ভাই সাধ্যমত পরিশোধ করি। তা না করলে তারা আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের উপর মানসিক নির্যাতন করে ও বাড়ী থেকে বের করে দিতে চায়। এক্ষণে এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঈশ্বরদী, পাবনা।
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : জেনারেল লাইনে পড়ুয়া ছাত্রদের বিদেশী লেখকের বই কিনতে হয়। কিন্তু মূল বইয়ের মূল্য অনেক বেশী হওয়ায় সাধারণ পরিবারের পক্ষে কেনা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। কপিরাইটের আওতাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও দেশে এগুলো বইয়ের ফটোকপি বিক্রি করা হয় এবং প্রায় সবাই সেগুলো ক্রয় করে। এসব বই কেনা বা বিক্রির বিধান কি?
প্রশ্ন (২০/৪২০) : ইবনু মাসঊদ (রাঃ) মহিলাদেরকে মসজিদ থেকে বের করে দিতেন মর্মে যে বর্ণনাটি এসেছে সেটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : জমহূরের মত বলতে কী বোঝায়?
প্রশ্ন (৪/৪৪) : যারা কথা বলতে পারে না তারা কিভাবে বিবাহে ঈজাব কবুল করবে?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : সূদ হারাম জানা সত্ত্বেও আমি ব্যাংক থেকে একাধিক বার সূদ নিয়েছি। আমি গুনাহগার। আমি কিভাবে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাব? আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
প্রশ্ন (৩১/৩১) : পিতা-মাতা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে বিয়ে দিতে চায়। তাদের এই নির্দেশ অমান্য করলে আমি গোনাহগার হব কি?
আরও
আরও
.