উত্তর : বীর্য অপবিত্র নয়। তাই গাঢ় বীর্য কোন কাপড়ে লেগে শুকিয়ে গেলে তা ঘষে তুলে ফেললে উক্ত কাপড়ে ছালাত আদায় করা জায়েয। জ্যেষ্ঠ তাবেঈ হুমাম বিন হারেছ একদিন আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হন। এমতাবস্থায় সকালে তিনি কাপড় ধুতে থাকলে আয়েশা (রাঃ)-এর দাসী সেটা দেখেন এবং তাঁকে সেটা অবহিত করেন। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, তার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট ছিল যে, সে বীর্য দেখলে কেবলমাত্র সে স্থানটি ধুয়ে ফেলবে। আর না দেখা গেলে স্থানটিতে কেবল পানি ছিটিয়ে দিবে। কেননা আমি রাসূল (ছাঃ)-এর কাপড় থেকে শুকনো বীর্য ঘষে তুলে ফেলেছি এবং তিনি সেই কাপড়েই ছালাত আদায় করেছেন’ (আবুদাঊদ হা/৩৭১; মুসলিম হা/২৮৮)। অনুরূপভাবে কোন পোষাকে বীর্য লেগে থাকলে তা ঘষে ফেলে তাতে ছালাত আদায় করলে কোন দোষ নেই (ইরওয়া হা/৯৪৮-এর আলোচনা; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/১০৫)।

প্রশ্নকারী : সোহাগ* হোসাইন, মিরপুর, ঢাকা।

[* শুধু ‘হোসাইন’ নাম রাখুন! (স.স.)]






বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩৮/৪৭৮) : ছালাতে সূরা ফাতিহার পর সর্বনিম্ন কয়টি আয়াত পাঠ করা আবশ্যক?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : জামা‘আত চলাকালে মহিলারা সশব্দে আমীন বলতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : ফরয গোসল আবশ্যক হওয়া অবস্থায় দো‘আ-দরূদ পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : বিবাহের জন্য একাধিক মেয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া জায়েয হবে কি? নাকি সরাসরি দেখার ক্ষেত্রে একজনের বেশী দেখা যাবে না? - -মুহাম্মাদ শরাফত আলী, পাবনা।
প্রশ্ন (২৩/২৩) : ছেলে ও মেয়ে পালিয়ে গিয়ে অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কোর্টের মাধ্যমে আজকাল যেভাবে বিবাহ করছে তা কি শরী‘আত সম্মত? কিছুদিন পর তারা অভিভাবকদের সাথে আপোষ করে নিয়ে বাড়ীতে এসে ঘর-সংসার করে। এক্ষেত্রে তাদের পূর্বের বিবাহ কী বহাল থাকবে, না কি নতুন করে বিবাহ দিতে হবে?
প্রশ্নঃ (১০/১০) : জনৈক ব্যক্তি তার পুত্রবধুর সাথে যেনায় লিপ্ত হয়। এমতাবস্থায় তার পুত্রের বিবাহ বিচ্ছেদ হবে কি? স্বামী যদি ঐ স্ত্রীর সাথে ঘর-সংসার করে তাহ’লে সে গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (২/১২২) : গরু দিয়ে আক্বীক্বা দেওয়া যাবে কি? - -শরীফুল ইসলাম, সাঘাটা, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : ছবিযুক্ত টাকা ও পরিচয়পত্র পকেটে রেখে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩০৫) : হক-বাতিল প্রকাশের ক্ষেত্রে বড়দের মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রাখার প্রয়োজনীয়তা আছে কি? এছাড়া বড়দের নাম ধরে ডাকায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের ‘আক্বীদা ইসলামিয়াহ’ এবং মক্কার আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আহমাদ রচিত ‘সহজ আক্বীদা বা ইসলামের মূল বিশ্বাস’ বই পড়ে জানলাম আল্লাহর কথার বর্ণ ও শব্দ আছে, যা কানে শোনা যায়। অথচ ‘ফিক্বহুল আকবারে’ লেখা আছে, ‘উপকরণ ও বর্ণ ছাড়াই আল্লাহ পাক কথা বলেন’। কোনটি সঠিক? এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা কী?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : ওয়াইস ক্বারনী ও হাসান বছরী (রহঃ) কি ছূফী ছিলেন যেমনটি দাবী করা হয়? - -মুহাইমিনুল হক, শ্যামলী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : নখ কাটার পর তা মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়, নইলে পরকালে শাস্তি পেতে হয়। কথাটা কি ঠিক?
আরও
আরও
.