উত্তর : এ বিষয়ে বিশুদ্ধ মত হ’ল, সহোদর ভাই জীবিত থাকা অবস্থায় দাদা পোতার সম্পত্তিতে মীরাছ পাবেন এবং এমতাবস্থায় ভাইয়েরা বঞ্চিত হবে (বুখারী ২২/২২১; আত-তাহজীল ফী তাখরীজে মা লাম ইউখাররাজ্ ফী ইরওয়াউল গালীল ১/২০৭)। এই পক্ষেই মত দিয়েছেন আবুবকর, আবু মূসা ও ইবনু আববাস সহ চৌদ্দজন ছাহাবী (রাঃ)। তাছাড়া আবূ হানীফা, আহমাদ ইবনু হাম্বল, ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনুল ক্বাইয়িম, বিন বায, উছায়মীন ও ছালেহ ফাওযান প্রমুখ। দাদা পিতার মতই কখনো ওয়ারিছ হিসাবে, কখনো আছাবা হিসাবে, আবার কখনো ওয়ারিছ ও আছাবা উভয় দিক থেকে পোতার সম্পত্তিতে ওয়ারিছ হবেন (উছায়মীন, তাসহীলুল ফারায়েয ৪০ পৃঃ; ছালেহ ফাওযান, আত-তাহক্বীক্বাতুল মারযিয়াহ ফী মাবাহিছিল মারযিয়াহ ১৩৫-১৪০ পৃঃ)। 






প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : ছিয়ামরত অবস্থায় ইনজেকশনের মাধ্যমে ঔষধ বা স্যালাইন দেওয়া হলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে কি? - -আফতাব, কাহারোল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : জামা‘আত চলাকালীন সময়ে ইমাম ছাহেব তেলাওয়াতে কোন ভুল করলে বা কোন আয়াতাংশ ছুটে গেলে সাহু সিজদা দিতে হবে কি? এছাড়া মুছল্লীদেরকেও কি এই সিজদা দিতে হবে?
প্রশ্ন (২৫/২২৫) : কুরবানীর জন্য ক্রয়কৃত বা উক্ত উদ্দেশ্যে পোষা পশুর চাইতে উত্তম পেলে তা পরিবর্তন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/২৯০) : মসজিদে ই‘তিকাফরত অবস্থায় দুনিয়াবী বই-পুস্তক যেমন পাঠ্যপুস্তক, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং বই ইত্যাদি অধ্যয়ন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩২) : মৃত ব্যক্তিকে অতি আবেগের বশে চুমু খাওয়া বা স্পর্শ করার বিধান সম্পর্কে ইসলামে কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি?
প্রশ্ন (৯/১২৯) : জুম‘আর দিনে সুস্থ-সবল ইমামকে লাঠি ভর দিয়ে খুৎবা প্রদান করতে দেখা যায়। এর রহস্য কি?
প্রশ্ন (২৯/৩০৯) : দ্বিতীয় খলীফা ওমর (রাঃ)-এর শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগে প্রাদেশিক গভর্ণর আবু হুরায়রা পদচ্যুত হয়েছিলেন। এ ঘটনার সত্যতা আছে কি? - -আব্দুল বাসেত, মেলান্দহ, জামালপুর।
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, একদল আলেম ক্বিয়ামতের দিন তাদের নাড়িভুঁড়ির চারপাশে ঘুরতে থাকবে, যারা জনগণকে যা উপদেশ দিত নিজেরা তা মেনে চলত না। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : ব্যাংক বা এনজিও থেকে সূদভিত্তিক ঋণ নিয়ে ব্যবসা করলে উক্ত ব্যবসা হালাল হবে কি? - -মনীরুযযামান টুটুল, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্নঃ (৯/৮৯): নৈক ব্যক্তি এবার সস্ত্রীক হজ্জে যাচ্ছেন। তাঁর সংগৃহীত টাকার প্রায় অর্ধেক নিম্ন বর্ণিত টাকা। যেমন বাইশ বছর আগে এক ব্যক্তি তাঁর নিকটে ১৬ শতাংশ আবাদী জমি বিক্রি করে। দাতা-গ্রহীতা উভয়েই শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও ভুলক্রমে আবাদী জমির দাগ নং দলীলে লিখিত না হয়ে বাস্ত্ত ভিটা লিখিত হয়। এক্ষণে জমি খারিজ করতে গেলে ভুল ধরা পড়ে। আবাদী জমির মূল্য এক লাখ টাকাও হবে না। বিক্রেতা মারা গেছে। তার ছেলে মেয়েরা দলীল সংশোধন করে দিতে রাযী। কিন্তু ক্রেতা বাড়ীর জমি দখলে নিতে চায়। ফলে দাতার ওয়ারিছরা এক লাখ টাকার বিনিময়ে হাজীর নিকট থেকে বাস্ত্ত ভিটা ফিরিয়ে নিতে চায়। তাতে রাজী না হ’লে এক লাখ আশি হাযার টাকা দিয়ে হাজীর কাছ থেকে বাড়ী ভিটা দলীল করে নেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে সংগৃহীত টাকা দ্বারা কৃত হজ কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : কবরের শাস্তি কমানোর জন্য কবরের উপর খেজুরের ডাল পুতে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপর দরূদ পাঠের ক্ষেত্রে সংক্ষেপে ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদ’, ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বা ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া‘লা আলে মুহাম্মাদ’ ইত্যাদি বলা যাবে কি?
আরও
আরও
.