উত্তর : তাদের অসীলায় নয়, বরং তাদের দিয়ে দো‘আ করানো যাবে। নবী করীম (ছাঃ)-এর মৃত্যুর পর ছাহাবায়ে কেরাম তাঁর চাচা আববাস (রাঃ)-কে দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করেছিলেন (বুখারী, মিশকাত হা/১৫০৯ ‘ইস্তিসক্বা’ অনুচ্ছেদ)। উল্লেখ্য যে, কোন মৃত ব্যক্তিকে অসীলা করে দো‘আ করা শিরক (ইউনুস ১৮; যুমার ৩)




বিষয়সমূহ: দো‘আ
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : আমি কোম্পানীর ‘সাইট ইঞ্জিনিয়ার’ হিসাবে কোম্পানীর টাকা দিয়ে প্রজেক্ট চালাই। প্রত্যেক লেবারের জন্য কোম্পানী থেকে আমি যে অর্থ নেই লেবারদের সাথে তার চেয়ে কমে চুক্তি করি এবং অতিরিক্ত অর্থ নিজে ভোগ করি। এটা আমার জন্য হারাম হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩৯১) : বিবাহের সময় ১০ লক্ষ টাকা মোহর নির্ধারিত হ’লেও আমার স্বামী এখনও আমাকে মোহর প্রদান করেননি। আগামী ২/১ বছর পর তিনি পরিশোধের ওয়াদা করেছেন। এক্ষণে আমাকে উক্ত মোহরের উপর যাকাত প্রদান করতে হবে কি? - -সাবীহা ইয়াসমীন, মাটিডালী, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : নযর লাগা কি সত্য? এর প্রতিকার কিভাবে সম্ভব? জনৈক লেখক ‘ইসলামী আক্বীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ’ নামক বইয়ে লিখেছেন, নযর লাগার আশঙ্কা হলে মুখ-হাত ধুয়ে ফেলবে অর্থাৎ গোসল করবে। রেফারেন্স হিসাবে তিনি ছহীহ বুখারী ও মুসলিম উল্লেখ করেছেন। বিষয়টা কি ঠিক?
প্রশ্ন (২/২৪২) : মহিলারা কবর যিয়ারত করতে পারবে কি? দলীলসহ জানতে চাই। - আব্দুল মুমিন, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২০/৩৪০) ‘আসসালামু ‘আলা মানিত্তাবা‘আল হুদা’ বাক্যটি কেবল অন্যধর্মের লোকদের প্রতি সালাম প্রদানের সময় বলতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : আমি যে মসজিদে মুওয়াযযিন এবং ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করি, বর্ষাকালে প্রচুর ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে মাঝে মাঝে সেখানে যেতে ভয় লাগে। ফলে সেই সব ওয়াক্তে মসজিদে আযান ও ছালাত হয় না। এতে কি আমি গুনাহগার হব?
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : ‘মাসআলা ও হাকীকত’ নামক বইয়ে জনৈক লেখক লিখেছেন, দাড়ির সর্বোচ্চ পরিমাণ এক মুষ্টি। এর অতিরিক্ত লম্বা দাড়ি রাখা হারাম। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা দাড়ি অল্প লম্বা কর। অনুরূপ চুল-দাড়িতে কালো খেযাব, কালো মেহেদী ব্যবহার করা সুন্নাত। আবুবকর, ওমর, ওছমান (রাঃ) সহ অনেক ছাহাবী কালো কলপ ব্যবহার করেছেন। কালো খেযাব ব্যবহার করার বিরুদ্ধে যেসব হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলো সবই জাল, যঈফ। লেখকের উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : মা হাওয়া নাকের কোন্ দিকে নাকফুল ব্যবহার করতেন? আমরা নাকের ডান দিকে নাকফুল ব্যবহার করি। কারণ রাসূল (ছাঃ) সব কাজ ডান দিক থেকে করা ভালবাসতেন। আমাদের একাজ কি শরী‘আত সম্মত হচ্ছে?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : দাজ্জাল কি মৃত্যুবরণ করবে? সে কিভাবে মারা যাবে?
প্রশ্ন (২/৪০২) : অনেকে ছোট বাচ্চাদেরকে সূর্য ও চাঁদকে দেখিয়ে সূর্য মামা ও চাঁদ মামা বলে পরিচয় করান। এগুলো করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৪৭৪) : আত্মরক্ষার কোন উপায় না থাকলেও যদি কেউ জীবন, সম্মান বা সম্পদ রক্ষার জন্য দলবদ্ধ অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী বা ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে আহত বা নিহত হয়, তাহ’লে সে শহীদ হিসাবে গণ্য হবে কি? আর যদি প্রতিরোধে নিশ্চিত মৃত্যুর আশঙ্কা জেনেও কেউ তা করে, তবে কি তা আত্মহত্যা হিসাবে ধরা হবে, না-কি শরী‘আতে বৈধ সাহসী পদক্ষেপ হিসাবে গণ্য হবে?
আরও
আরও
.