উত্তর : ছহীহ হাদীছে এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে কুরআন-সুন্নাহর সাধারণ নীতিমালার আলোকে এবং সালাফদের বক্তব্যে অনুরূপ কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যেমন আল্লাহ বলেন, অতঃপর তিনি তাকে সুগঠিত করলেন এবং তার মধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে রূহ ফুঁকে দিলেন। তিনি তোমাদের জন্য কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় সৃষ্টি করলেন। কিন্তু তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর (সাজদাহ ৩২/৯)। এখান থেকে বুঝা যায়, রূহ ফুঁকে দেওয়ার পরেই আল্লাহ মানুষকে দান করেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং হৃদয় বা অন্তর। আর মানব দেহে রূহ ফুঁকা হয় ১২০ দিন বয়সে। অর্থাৎ এরপর থেকে মা যা করে গর্ভস্থ শিশু তা দেখে, শুনে এবং অনুধাবন করে (The Cambridge Encyclopedia of Child Development, অধ্যায় “Prenatal sensory development, পৃ. ৪০০-৪১০)। অতএব যদি মা গর্ভাবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত, যিকর, ছালাত ইত্যাদি ইবাদতের মধ্যে লিপ্ত থাকেন, তবে এর প্রভাব গর্ভস্থ সন্তানের ওপর পড়বে বলে আশা করা যায় ইনশাআল্লাহ। সেজন্য এসময় মায়ের আমল সুন্দর ও শরী‘আত সম্মত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
প্রশ্নকারী : নাজমুল, শেরপুর।