উত্তর : মহান বিশেষণটি সর্বাপেক্ষা বড় বুঝায়। তাই মহান সত্তা হিসাবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা ঠিক হবে না। তবে বাংলায় এটি উদার ও বড় অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন মহান হৃদয়। সে হিসাবে মহান নেতা বলায় শিরক হবে না। মে দিবস বা স্বাধীনতা দিবসকে মহান বলার কোন যুক্তি নেই। কেননা এগুলি কোন ব্যক্তি বা সত্তা নয়।






প্রশ্ন (৫/৪০৫) : শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে ই‘তিকাফকারী সেদিন বাড়ী আসবে না পরের দিন সকালে ঈদ পড়ে আসবে?
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : ওযূ করার পরে বায়ু নিঃসরণ হয়েছে এরকম মনে সন্দেহ সৃষ্টি হ’লে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : আমি পেশায় একজন দর্জি। প্রবাস থেকে আমার পরিচিত একজন কিছু জামা বানিয়ে দিতে বলল। প্রশ্ন হচ্ছে আমি অল্প দামে বাজার থেকে কাপড় কিনে তার কাছ থেকে বেশী দাম নিতে পারব কি?
প্রশ্ন (২/৮২) :কোন পাপ কাজ করার মানত করার পর তা না করে থাকলে কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : ছেলে ও মেয়ে পালিয়ে গিয়ে অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কোর্টের মাধ্যমে আজকাল যেভাবে বিবাহ করছে তা কি শরী‘আত সম্মত? কিছুদিন পর তারা অভিভাবকদের সাথে আপোষ করে নিয়ে বাড়ীতে এসে ঘর-সংসার করে। এক্ষেত্রে তাদের পূর্বের বিবাহ কী বহাল থাকবে, না কি নতুন করে বিবাহ দিতে হবে?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : ওযূ করার সময় অঙ্গ সমূহ ধৌত করার মধ্যে সময়ের পার্থক্য কতক্ষণ রাখা যায়? অর্ধেক ওযূর পর যরূরী কোন কাজ চলে আসলে সেটা করে বাকি অর্ধেক সম্পন্ন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : ছিয়াম অবস্থায় বিমানে পশ্চিম দিকে গেলে দিন বড় হয়ে যায়, তাহ’লে আমি কি বিমানে বাংলাদেশের সময়ে ইফতার করব নাকি সেদেশের সময়ে ইফতার করব? - -আল-মামূন, মাকলাহাট, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১২/২৫২) : ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আযান দিলে সেই আযানে ছালাত আদায় করা যাবে কী?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : আমার পিতার ১ ভাই এবং কয়েকজন বোন আছেন। পিতা ২০০৫ সালে এবং দাদা-দাদী ২০১২ ও ২০২১ সালে মারা গেছেন। দাদা মৃত্যুর পূর্বে মেয়েদের বঞ্চিত করে সব সম্পদ আমার চাচাকে দিয়ে গেছেন। আমার মৃত পিতা ১৬ বিঘা নিজস্ব জমি রেখে গেছেন। যা থেকে আমার দাদা-দাদী অংশ পাবেন। এক্ষণে দাদা যেহেতু আমার ফুফুদের বঞ্চিত করেছেন তাই আমরা দাদা-দাদীর প্রাপ্য সম্পদ চাচাকে না দিয়ে ফুফুদের মধ্যে ভাগ করে দিতে পারব কি?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : যেনাকার নারী তথা পতিতার জানাযায় অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - -খায়রুয যামান, বিরামপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : জনৈক ব্যক্তি হজ্জের মাসে ওমরার নিয়ত করে মক্কা গেল অতঃপর ওমরা পালন শেষে মদীনায় যাবে এবং মদীনা থেকে ফিরার পথে ইফরাদ হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধবে। এটা কি জায়েয হবে?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ইমাম রুকূতে যাওয়া অবস্থায় জামা‘আতে শরীক হ’লে সূরা ফাতিহা পড়ে শরীক হ’তে হবে, না ইমাম যে অবস্থায় আছেন সে অবস্থায় শরীক হ’তে হবে?
আরও
আরও
.