উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। কারণ শরী‘আতের উৎস হল, পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ (মুস্তাদরাক হাকেম হা/৩১৮, সনদ ছহীহ)। এছাড়া উদ্ভূত কোন সমস্যার সমাধান কুরআন-সুন্নাহ্র মাঝে না পেলে আহলেহাদীছগণ ইজমায়ে ছাহাবা অতঃপর ইজতিহাদের শরণাপন্ন হন।

শাশুড়ী স্বামীর জন্য হারাম এটি কারু মত হিসাবে নয়, বরং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর সাথে যেনা করে। আর উক্ত বিধানের উপর ক্বিয়াস করে বলে যে তার মাও তার জন্য হারাম, তবে সেটি আদৌ কোন ক্বিয়াস নয়, বরং শরী‘আত বিরোধী কথা। কেননা যেনা দ্বারা যেমন কেউ কারু স্ত্রী সাব্যস্ত হয় না, তেমনি তার মাও শাশুড়ী সাব্যস্ত হয় না। আহলেহাদীছগণ এই ধরনের ফাৎওয়াকে গ্রহণ করেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যেনা (হালালকে) হারাম করতে পারে না (ইরওয়াউল গালীল, ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃঃ ২৮৭)। কাজেই যেনাকারিণীর মা হারাম হবে না।

উল্লেখ্য যে, ক্বিয়াস শারঈ কোন ভাষা নয়। বরং তার স্থলে ইজতিহাদ কথাটি হাদীছ সম্মত। অনুরূপ তাক্বলীদ কথাটি শারঈ পরিভাষা নয়। বরং ইত্তেবা কথাটি কুরআন-সুন্নাহ সম্মত।






প্রশ্ন (১৩/১৩৩) : জনৈক যুবক-যুবতীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার এক পর্যায়ে কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের উপস্থিতিতে উভয়ের পিতা-মাতার অগোচরে এবং তাদের অনুমতি ছাড়াই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এতে কোন মোহরানা ছিল না, নির্ধারিত কোন কাযীও ছিল না। কেবল এক বন্ধু তাদের বিবাহের কবুল পড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে কোন শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াই তাদের সম্পর্ক শেষ হয়। বর্তমানে তারা পৃথকভাবে বিবাহিত এবং স্বামী-সন্তানসহ সংসার করছে। এক্ষণে আগের বিবাহ হয়েছিল কি?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : কাবিননামা রেজিস্ট্রারে আমার অজান্তেই কাযী ছাহেব তাকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা দিয়েছিলেন। তার ভিত্তিতে আমার স্ত্রী কিছু না জানিয়েই হঠাৎ আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। এক্ষণে আমি গ্রহণ না করলে এর কার্যকারিতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : বিবাহের সময় দেনমোহর দেওয়া হয়নি। তিন মাস পর মেয়ের পক্ষ থেকে তালাকের নোটিশ দেওয়া হয়। বর্তমানে জামাই মারা গেছে। এখন কি দেনমোহর দিতে হবে? - -যহীরুল ইসলাম, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২/২০২) : গ্রামে অনেকে গরু কিনে অন্যকে পালন করতে দেয়, কয়েক বছর পর তা বিক্রি করে উভয় পক্ষ লভ্যাংশ ভাগ করে নেয়। এরূপ চুক্তি জায়েয কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : টয়লেটে প্রবেশের সময় মুখ ঢাকার ব্যাপারে শরী‘আতের কোন নির্দেশনা আছে কি? - -আব্দুল মালেকদুমকী, পটুয়াখালী।
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : জনৈক ব্যক্তি শস্য ক্রয় করে ঘরে রেখে বিক্রি করে। বাকীতে বিক্রয় করলে নগদ মূল্যের চেয়ে কিছু বেশী ধরে। এভাবে ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৪২০) : পিতা-মাতার অবাধ্যতায় দ্বীনি শিক্ষা অর্জনের জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : পিতা সন্তানের কোন অপরাধ প্রকাশ্যে ক্ষমা করে দেওয়ার পরেও তার বিরুদ্ধে ‘আল্লাহ তুমি তাকে জাহান্নামে দাও এবং দুনিয়াতে ধ্বংস করে দাও’ বলে বদ দো‘আ করেন। এরূপ বদদো‘আ কবুল হবে কি? - সাইফুল ইসলাম, লাকসাম, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (১/৪৪১) : ইসলামিক টিভি-র প্রশ্নোত্তর পর্বে জনৈক মুফতী বলেন, ফজরের আযানের পর এবং মাগরিবের আযানের কিছু পূর্বে মসজিদে প্রবেশ করার পর তাহিইয়াতুল ওযূ বা দুখূলুল মসজিদের ছালাত আদায় করা যাবে না। তবে ফজরের সুন্নাতের সাথে বা মাগরিবের আযানের পর সুন্নাতের সাথে দুখুলুল মসজিদের নিয়তে ছালাত আদায় করলে একই সঙ্গে উভয় সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। উক্ত কথার দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : ঈদের মাঠে সামিয়ানা টাঙানো বা মাঠ পাকা করা যাবে কি? - -আহমাদ, নয়াপাড়া, গাযীপুর।
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : আমার ছেলের বউ নিয়মিত ছালাত আদায় করে না এবং শ্বশুরবাড়ীর লোকদের সাথে মন্দ আচরণ করে। মেয়ের পিতা-মাতাকে বলার পরও কোন ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৯/৬৯) : যদি কোন ব্যবসায়ী বাকীতে পণ্য বিক্রয় করে এই শর্তে যে, তুমি অমুক দিন পর্যন্ত বাকীতে নিবে এবং কম হোক বা বেশী হোক সেদিন ঐ পণ্যের যে বাজারদর থাকবে সে অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করবে। এরূপ লেনদেন বৈধ হবে কি?
আরও
আরও
.