উত্তর : যবেহের নিয়ম হ’ল- যবেহকারী ক্বিবলামুখী হয়ে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে যবেহ করবে। এসময় পশু-পাখির মাথা দক্ষিণ দিকে থাকবে। ছুরি বা যন্ত্র ধারালো হ’তে হবে। নারী-পুরুষ যে কেউ পশু-পাখি বা গরু-ছাগল সবই যবেহ করতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/৪৬২-৬৩)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ মিয়াঁ, সারিয়াকান্দি, বগুড়া







বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (১১/২৯১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, হাদীছে রয়েছে, কোন খাবারের পাত্রে কুকুর মুখ দিয়ে খেলে সেখান থেকে খাবার ফেলে দিয়ে পাত্রের বাকি খাবার খাওয়া যাবে। কিন্তু ঐ পাত্রে যদি কোন বেনামাযী হাত দেয়, তাহ’লে ঐ পাত্রের খাবার খাওয়া যাবে না। উক্ত হাদীছ উদ্ধৃতিসহ সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৫/১২৫) : অনেকের মুখে শুনা যাচ্ছে কুরআনের মধ্যে আল্লাহর রাসূলের দাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। এটা কি কোন অলৌকিক ঘটনা?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : আযানের সময় বিভিন্ন মসজিদের আযান শোনা যায়। এক্ষণে যেকোন একটির উত্তর দিলেই যথেষ্ট হবে, না সবগুলিরই উত্তর দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : কোন্ স্থানে (যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা, সংগঠন) দান করলে সর্বাধিক নেকী অর্জিত হয়? অন্যদেরকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রকাশ্যে দান করলে গোপন দানের নেকী অর্জিত হবে কি? মৃত পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের নামে দান করলে মৃতব্যক্তিসহ দানকারীর কোন নেকী হবে কি?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : মুছাফাহা করার সময় কোন দো‘আ পড়তে হয় কি?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : অন্যের গাছের নীচে পড়ে থাকা ফল অনুমতি না নিয়ে কুড়িয়ে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/১২৪) : আবু লাহাবের পুত্র ও রাসূল (ছাঃ)-এর সাবেক জামাতা উৎবা বিন আবু লাহাবের বিরুদ্ধে তিনি কেন বদ দো‘আ করেছিলেন?
প্রশ্ন (২২/৩০২) : জানাযার ছালাতে শেষ পর্যায়ে যোগদান করলে তার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : জনৈক আলেম বলেন, রামাযানের শেষ জুম‘আয় পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করলে তা সারাজীবনের তরককৃত ফরয ছালাতের জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -নাছীর, বরিশাল।
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : নারীরা বোরকার নীচে চুল উঁচু করে বাঁধতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৫৬) : আমি আমার জমি বিক্রি করছি, অন্য একটি জমি ক্রয় করার উদ্দেশ্যে। নতুন জমি ক্রয়ের সকল কার্যক্রম শেষ, শুধু টাকা হস্তান্তর বাকী আছে। বর্তমানে সেই টাকাটা আমার কাছে গচ্ছিত আছে। এর যাকাত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের ‘আক্বীদা ইসলামিয়াহ’ এবং মক্কার আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আহমাদ রচিত ‘সহজ আক্বীদা বা ইসলামের মূল বিশ্বাস’ বই পড়ে জানলাম আল্লাহর কথার বর্ণ ও শব্দ আছে, যা কানে শোনা যায়। অথচ ‘ফিক্বহুল আকবারে’ লেখা আছে, ‘উপকরণ ও বর্ণ ছাড়াই আল্লাহ পাক কথা বলেন’। কোনটি সঠিক? এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা কী?
আরও
আরও
.