উত্তর : নিজ বিধবা ও দরিদ্র মেয়েকে ফিদইয়ার টাকা দেওয়া যাবে না। কারণ তাদের উপর খরচ করা পিতা-মাতার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। তবে পিতা নিজে দরিদ্র হ’লে এবং তার উপর ফিদইয়া ওয়াজিব হ’লে উক্ত ফিদইয়া নিজ দরিদ্র সন্তানদের প্রদান করতে পারবে (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৪/১৭১)। যেমন রাসূল (ছাঃ) কাফফারা ওয়াজিব হওয়া ব্যক্তিকে ছাদাক্বার মাল নিজের পরিবারকে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন (বুখারী হা/১৯৩৬; মুসলিম হা/১১১১)






প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : ময়দানের জিহাদ ছোট ও প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ বড়। উক্ত বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি? - .
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : পরিবারসহ বিদেশে অবস্থানকারী কোন প্রবাসী অধিক মূল্যের কারণে সেখানে কুরবানী না করে দেশে ভাই-বোনের পরিবারে কুরবানী করতে পারবে কি? - -ফয়ছাল মাহমূদ, নিউজার্সি, আমেরিকা।
প্রশ্ন (১/৮১) : বাথরুমে প্রবেশের সময় বাম পা দিয়ে প্রবেশ করবে এবং বের হওয়ার সময় ডান পা সামনে দিয়ে বের হবে- উক্ত বক্তব্যের সত্যতা দলীলসহ জানতে চাই।
প্রশ্ন (১/২৮১) : ছিয়াম অবস্থায় করোনার টিকা গ্রহণ করা যাবে কী?
প্রশ্ন (১০/১০) : বাঁশের বাঁশি বাজানো বা শোনা শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : বাড়িতে কয়েকজন একত্রে জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে মসজিদে জামা‘আতে ছালাত আদায়ের নেকী পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২/২০২) :কুরআন তেলাওয়াতের সময় নারীদের ছালাতের মত পর্দা করা বা পুরুষের সতর ঢাকা ও উত্তম পোষাক পরিধান যরূরী কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : মানুষের বয়স ৪০ হ’লে শ্বেত, কুষ্ঠ ও পাগলামির মত ভয়াবহ রোগ থেকে মুক্তি পাবে। ৫০ বছর হ’লে আল্লাহ তা‘আলা পরকালে কঠিন হিসাব নেন না। ৬০ বছর হ’লে ফেরেশতা বন্ধু হয়ে যায়। ৭০ বছর বয়স হ’লে আল্লাহ তার বান্দাকে দুনিয়ায় দেখতে চান না। এভাবেই ৯০ বছর বয়স হ’লে তার আগে-পরের কোন গোনাহ থাকে না। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : কুরআন তেলাওয়াতের আদব কী? তেলাওয়াত শেষে কুরআন মাজীদকে চুমু খাওয়া ও ‘ছাদাক্বাল্লাহুল আযীম’ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : কিছু লোক যুক্তি দেখিয়ে বলে থাকে, মসজিদে যাওয়ার জন্য যেমন অনেকগুলো পথ থাকে, তেমনি বিভিন্ন ইসলামী দলের মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়া যাবে। উক্ত যুক্তি কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : সশস্ত্র বাহিনী সহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন কুচকাওয়াজে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৬২) : আমি শিশু অবস্থায় একটি অসহায় ছেলেকে দত্তক হিসাবে গ্রহণ করি। তার পিতা জন্মের আগেই মাকে ছেড়ে যায়। বর্তমানে নথিপত্রে শিশুটির পিতা-মাতার নাম লেখার প্রয়োজন পড়ছে। সাধ্যমত চেষ্টা করার পরও তার পিতার কোন খোঁজ না পাওয়ায় পালক পিতা বা অভিভাবক হিসাবে আমার এবং আমার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করতে পারব কি? উল্লেখ্য যে, আমার নিজের কোন সন্তান না থাকায় এবং আমার স্ত্রী মানসিক রোগগ্রস্ত হওয়ায় উক্ত ছেলের মায়ের স্থলে তার নাম না লিখলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে। অনেক বুঝিয়েও কাজ হয়নি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.