উত্তর : বিদ‘আতযুক্ত আমল যে প্রকারেরই হোক, তওবা না করা পর্যন্ত তা আল্লাহর কাছে কবুল হবে না (আবূদাঊদ হা/৪৬০৭, সনদ ছহীহ)। উল্লেখ্য যে, বিদ‘আতকারীর কোন প্রকার আমল কবুল হয় না, তা নয়; বরং তার যে আমলটি বিদ‘আতযুক্ত, সেটি কবুল হবে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ১১/৬৮৪-৮৫)। স্মর্তব্য যে, যদি কেউ তওবা করে, তবে মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করতে পারেন এবং স্বীয় অনুগ্রহে তার কৃতকর্মগুলোকে সৎকর্মেও রূপান্তরিত করে দিতে পারেন (ফুরক্বান ২৫/৭০)

প্রশ্নকারী : গোলাম রাববী, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩/১২৩) : ব্যাংক থেকে সূদে ঋণ নিয়ে বাড়ি করলে উক্ত বাড়ির ভাড়া ভোগ করা মালিকের জন্য বৈধ হবে কি? - -মামূন, কানাসাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : চাশতের ছালাত আদায় করার সঠিক সময় কখন? বেলা উঠার কতক্ষণ পর হতে এ ছালাত পড়তে হবে? কোনদিন ছুটে গেলে ক্বাযা আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : সূরা তওবা ১১ ও ৮৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই। - রফীকুল ইসলাম, ভালুকা, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) : কোন এলাকায় একজন মুছল্লীও যদি ই‘তিকাফ না করে তাহ’লে পুরো এলাকাবাসী গুনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : আল্লাহর নবী জীবিত না থাকলে সালাম নেন কীভাবে?
প্রশ্ন (১০/১৭০) : মেয়ের পিতা মেয়েকে স্বামীর নিকট থেকে পৃথক করে নিতে চায়। সেজন্য তিনি গর্ভস্থ সন্তানকে নষ্ট করার জন্য চেষ্টা করছেন। এক্ষণে মেয়ের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্নঃ (২০/১০০) : ঋতুবতী নারীদেরকে ঈদের ছালাতের দো‘আয় শরীক হ’তে বলা হয়েছে। এখানে কি হাত তুলে দো‘আর কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্ন (৯/৮৯) : আমি কা‘বাগৃহের সামনে বসে দো‘আ ও মানত করেছিলাম যে, আমার সন্তান হ’লে আমি ওমরাহ করব। পরবর্তীতে আমার সন্তান হয়েছে। এক্ষণে আমার পক্ষ থেকে আমার স্বামী যদি ওমরাহ করেন তাহ’লে উক্ত মানত পূর্ণ হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৪৬২) : আমি স্ত্রীর সাথে রাগ করে আমার মাকে বলেছিলাম যে তাকে আমি তালাক দিব। কিন্তু আমার মা একথা স্ত্রীকে বলতে নিষেধ করেছিল। এক্ষণে কেবল মাকে বলার মাধ্যমে তালাক হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/২২৫) : আমি বর্তমানে হোস্টেলে এক রুমে ৪ জন থেকে পড়াশোনা করি। তন্মধ্যে ২ জন হিন্দু। ওদের টেবিলে ছোট মূর্তি, ঠাকুরের ছবি এগুলো আছে। আমাকে অনেক সময় ঘরে ছালাত পড়তে হয়। এটা সঠিক হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমি তুরস্কের ইমাম হাতিব উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। আমি ও আমার সহপাঠীরা সুন্নাহর অনুসরণে দাড়ি রাখলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের দাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত হেনস্থা করেন। এমনকি দাড়ি না কাটলে ক্লাসে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে এবং শিক্ষকের প্রবল চাপে বাধ্য হয়ে আমাদের দাড়ি কাটতে হচ্ছে। দাড়ি কাটার আদেশদাতা হিসাবে প্রধান শিক্ষক গুনাহগার হবেন, না-কি ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ই এই পাপে অংশীদার হিসাবে গণ্য হবে? এক্ষেত্রে ছাত্র হিসাবে আমাদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : আমি এযাবৎ ধন-সম্পদের যাকাত প্রদান করিনি। এখন যাকাত দিতে চাই। যাকাত দেওয়ার পদ্ধতি জানিয়ে বাধিত করবেন?
আরও
আরও
.