উত্তর : মহামারী পরিস্থিতিতে সম্মিলিত মুনাজাত বা তওবার আয়োজন করা যাবে না। কারণ ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈনদের যুগে বহু মহামারী আঘাত হেনেছে। কিন্তু তাঁদের কেউ সম্মিলিত মুনাজাত ও তওবার আয়োজন করেননি। বরং এই বিদ‘আতী পন্থায় ৮৩৩ হিজরী সনে মিসরে সম্মিলিত দো‘আ ও তওবার আয়োজন করার পর সেখানে মহামারীর প্রাদুর্ভাব অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছিল (ইবনু হাজার, ইনবাউল গুমরি বিআবনাইল ঊমর ফিত-তারীখ ৮/২০০-২০৪; জামালুদ্দীন আতাবেগী, আন-নুজূমুয যাহেরা ফী মুলূকে মিসর ওয়াল ক্বাহেরা ৪/১৪২-১৪৫; মাক্বরীযী, আস-সুলূকু ৩/৩৩৩-৩৩৫)। সুতরাং বিদ‘আতী পন্থায় বালা-মুছীবত দূর করার কোন চেষ্টা নাজায়েয।

-আখতারুয্যামান, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।






প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : প্রবল শীতের কারণে বা রোগ বৃদ্ধির আশংকায় ফরয গোসল না করে তায়াম্মুম বা ওযূ করে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : বিয়ে বা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ভিডিও করা যাবে কি? টেলিভিশন দেখা কি শরী‘আত সম্মত হবে?
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : যেসব মসজিদের পরিচালনা কমিটি এবং ইমাম-মুওয়াযযিনগণের আক্বীদা-আমল শিরক ও বিদ‘আতযুক্ত, সেসব মসজিদে দান করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/২৩৫) : কবরে দো‘আ করার ক্ষেত্রে ক্বিবলামুখী হ’তে হবে কি? - -আবু আমাতুল্লাহ, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।
প্রশ্ন (৩১/১৯১) : কোন মহিলা তার দেবর বা ভাসুরের সাথে হজ্জে যেতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫/৫) : মূসা (আঃ) মালাকুল মউতকে থাপ্পড় মেরে তার এক চোখ কানা করে দিয়েছিলেন- এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২৪/২৪) : রাসূল (ছাঃ) হজ্জের সময় জাবালে রহমতে খুৎবা প্রদান করেছিলেন। অথচ বর্তমানে মসজিদে নামিরায় কেন খুৎবা দেওয়া হচ্ছে? - -আসমাউল আলমহরিমোহন সরকারী স্কুল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : ঘরের মধ্যে মাঝে মাঝে নিজের অজান্তে ছবিযুক্ত পণ্য থেকে যায়। এমন ঘরে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/১৩০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন ছহীহ বুখারীতে হাদীছ আছে যে, মাথায় উকুন হ’লে ৩ দিন ছিয়াম বা ৬ জন মিসকীনকে অর্ধ ছা‘ করে খাওয়ালে মাথার উকুন থাকবে না। একথা কি সত্য? - -তা‘লীমুল হক, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : ১০০ বছর পূর্বে নির্মিত মসজিদের জমি ওয়াকফকৃত ছিল না। উক্ত জমির ৭ জন উত্তরাধিকারীর মধ্যে ৩ জন জমি ফেরৎ চায়। তাদের এ দাবী শরী‘আতসম্মত কি? মসজিদ কমিটি উক্ত জমি ফেরৎ দিতে বাধ্য কি?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : বুখারীতে এসেছে আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন অলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করে আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষণা করি।... যখন আমি তাকে ভালবাসি তখন আমি তার কর্ণ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমি তার চক্ষু হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আমি তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমি তার পা হয়ে যাই, যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় চায়, তাহ’লে আমি তাকে আশ্রয় দেই।- এ হাদীছের ব্যাখ্যা কি? কারণ এ হাদীছ থেকে বাতিলপন্থীরা দলীল গ্রহণ করে।
প্রশ্ন (২২/৬২) : রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী, ‘কালেমা পাঠকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে’ এবং কালেমা পাঠ করা সত্ত্বেও মুশরিক ও মুনাফিকরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না’ উভয় বক্তব্যের বৈপরিত্যের সমাধান কি?
আরও
আরও
.