উত্তর : মহিলাদের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয (আবুদাঊদ হা/৪১৬৫)। মেহেদীর রং ওযূর কোন ক্ষতি করে না। পুরুষের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা নিষিদ্ধ (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৫/২১৮)






প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : আট মাস গর্ভাবস্থায় থেকে ভূমিষ্ট হওয়ার পূর্বেই মৃত্যুবরণকারী সন্তানের জানাযা ও কাফন-দাফনের ব্যাপারে শরী‘আতের নির্দেশনা কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : ফাসেক-ফাজের হওয়া সত্ত্বেও বিত্তবান হওয়ায় কাউকে মসজিদ কমিটির সভাপতি বা সদস্য বানানোয় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -আব্দুর রহমান, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/২১১) : মুসলিম বা অমুসলিম দেশের সরকার শরী‘আত বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে সে দেশের মুসলিম নাগরিক বা প্রবাসীদের করণীয় কি? - -আবুল কালাম, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১০/২১০) : আমরা জানি বিতর ছালাতের পর অন্য কোন ছালাত নেই। এক্ষণে এসময় জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -জুয়েল রেযা, কাঁদাকাটি, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৭/৪৭) : কত মাইল অতিক্রম করার পর ছালাত ক্বছর করা যাবে? প্রচলিত আছে ৪৮ মাইল অতিক্রম করার পর ক্বছর করতে হবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? কতদিন পর্যন্ত ছালাত ক্বছর ও জমা করা যাবে।
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : বর্তমানে অনেকে পরীক্ষার প্র্যাকটিক্যাল খাতা অর্থের বিনিময়ে অন্য কারো মাধ্যমে করিয়ে নিয়ে নিজের নামে জমা দিচ্ছে। এভাবে প্রতারণা করা এবং প্রতারণায় সহযোগিতা করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : ঋতু বন্ধ করার জন্য ঔষধ ব্যবহারে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : জনৈক আলেম বলেছেন, যে ব্যক্তির ইজতিহাদ করার যোগ্যতা নেই, তার জন্য মাযহাব মানা জায়েয। এ বিষয়ে সঠিক বিধান কি?
প্রশ্ন (৯/১২৯) : আমার জানা মতে, হিন্দুরা যেমন সিঁদুর ব্যবহার করে স্বামীর মঙ্গলের জন্য, মুসলিমদের মাঝেও নাকফুল পরিধানের নীতি এরূপ কারণেই এসেছে। এক্ষণে মহিলাদের জন্য এটা ব্যবহার করা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : বর্তমানে প্রবাসীরা কোন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠালে ২% হিসাবে প্রণোদনা পাচ্ছে। এটা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি? - -আব্দুল লতীফসেন্তাসা, সিঙ্গাপুর।
প্রশ্ন (২/২০২) : জনৈক ব্যক্তি আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৬/৩৭০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত ‘আলা ইবনুল হাযরামী কর্তৃক লোকদেরকে নিয়ে একত্রিত মুনাজাত করার ঘটনাটিকে সম্মিলিত মুনাজাতের পক্ষে দলীল হিসাবে উল্লেখ করেছেন। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২২/২২২) : বর্ণিত আছে যে, খলীফা থাকাকালীন সময়ে ওমর (রাঃ) সন্তানদের জন্য ঈদের কাপড় ক্রয় করতে না পেরে বায়তুল মাল-এর প্রধান আবু ওবায়দা (রাঃ)-কে তার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠান। পত্র পেয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত হ’লেও উত্তর লিখলেন যে, অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দু’টি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। প্রথমতঃ আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি-না? দ্বিতীয়তঃ বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কি-না? উত্তর পাঠ করে ওমর (রাঃ) এত বেশী ক্রন্দন করেন যে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তিনি আবু ওবায়দার জন্য আল্লাহর নিকটে রহমত ও হায়াত বৃদ্ধির জন্য দো‘আ করলেন। ফলে আর ঈদের কাপড়ও কেনা হ’ল না। এ ঘটনার সত্যতা আছে কি? - নাছিরুদ্দীন, মিরপুর, ঢাকা।
আরও
আরও
.