উত্তর : স্ত্রীর বোন তথা শ্যালিকা মাহরাম না হওয়ায় তার প্রতি অন্যায় দৃষ্টিপাত বা স্পর্শ তো দূরের কথা, তার সাথে নির্জনে সাক্ষাৎ করা বা অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলাও হারাম। আল্লাহ বলেন, তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন কোন অশ্লীলতার নিকটবর্তী হয়ো না’ (আন‘আম ৬/১৫১)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা যেনার নিকটবর্তী হয়ো না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল ও নিকৃষ্ট পথ’ (ইসরা ১৭/৩২)

উল্লেখ্য যে, কোন পুরুষ কোন নারীকে স্পর্শ করলে বা কারো সাথে যেনায় লিপ্ত হ’লে সে পুরুষ মহাপাপী হবে। কিন্তু তার বৈধ সম্পর্কগুলি হারাম হবে না। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ‘যেনা বৈবাহিক বন্ধনকে হারাম করে না’ (মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, বায়হাক্বী, ইরওয়া ৬/২৮৭ পৃ., হা/১৮৮১)। অনুরূপই বর্ণিত হয়েছে আলী (রাঃ) থেকে (ইরওয়া ৬/২৮৮ পৃ., তা‘লীক্ব বুখারী)। সেকারণ স্ত্রী হারাম হবে কথাটি সঠিক নয়।

প্রশ্নকারী : কামরুল ইসলাম, পাবনা।








বিষয়সমূহ: মহিলা বিষয়ক
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : তাহাজ্জুদ ছালাত আলোতে না অন্ধকারে পড়া উত্তম?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : হাত তুলে দো‘আ করার সময় দু’হাতের মাঝে ফাঁকা থাকবে, না মিলিয়ে রাখতে হবে?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : অনেকে বলছেন, হজ্জ-এর ব্যাপারে আহলেহাদীছ ও হানাফীদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কথাটা কতটুকু সত্য?
প্রশ্ন (৩০/৩০) : কেউ ১ ওয়াক্ত ছালাত ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করলে সে কাফের হিসাবে গণ্য হবে বলে জানি। কিন্তু কেউ এরূপ কাজ করে আবার ফিরে আসলে তার জন্য কি তওবা, কালেমা পাঠ ও গোসল করা আবশ্যক হবে?
প্রশ্ন (১৯/২১৯) : জনৈক ব্যক্তি কোনদিন বিবাহ করবেন না মর্মে একাধিক বার কসম করেন। পরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর হাদীছ জানতে পেরে তওবা করে কসম ফিরিয়ে নেন এবং এর কাফফারা দিতে চান। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একই কসম বার বার করায় এর কাফফারার নিয়ম কিরূপ হবে?
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : জনৈক ব্যক্তি একটি গার্মেন্টসে কাজ করে, যেখানে তার দায়িত্ব হ’ল কর্মীদের কাজ পর্যবেক্ষণ করা এবং তাদের দিয়ে টার্গেট পূরণ করানো। অনেক সময় কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করে না। তখন সে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বাধ্য হয় এবং অশিক্ষিত হওয়ায় মন্দ ভাষাও ব্যবহার করতে হয়। অন্যথা তারা কাজ করে না। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে মালিকও মন্দ ভাষা ব্যবহার করেন। সে জানে ইসলামে গালাগালি নিষিদ্ধ। এক্ষণে একাজ করা তার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : নাপিত হিসাবে আমি মূলত চুল কাটলেও মাঝে মাঝে ভোক্তার চাহিদা মোতাবেক দাড়িও কাটতে হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে বেশী ছওয়াব পাওয়ার জন্য কষ্টকর অবস্থাকে বেছে নেয়া কি ব্যক্তির জন্য শরীআ‘তসম্মত? যেমন- গরম পানি থাকা সত্ত্বেও ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযূ করা কিংবা নিকটে মসজিদ থাকা সত্ত্বেও দূরের মসজিদে যাওয়া। কারণ আমি শুনেছি, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্টকর বিষয় খুঁজে বেড়ায় সে ছওয়াব পাবে না। সঠিক উত্তর জানতে চাই। - -পারভেয আলম সরদার, বিনোদপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৮৯) : কোন ব্যক্তির সন্তান জন্মসূত্রে মুসলিম হয়েও পরে যদি কাফের হয়ে যায়, রাসূল (ছাঃ)-এর বিরোধিতা করে, তাকে গালি দেয়, তাহ’লে পিতা তাকে ত্যাজ্য ও সকল সম্পদ থেকে বঞ্চিত করতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (৪০/৩২০) : করোনা ভাইরাসের কারণে ধারাবাহিকভাবে জুম‘আর ছালাত পরিত্যাগ করতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় মসজিদের পরিবর্তে বাড়িতে বা মহল্লায় জুম‘আ কায়েম করা যাবে কি? - -আবুল বাশার, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪০/২৮০) : জনৈক নারী ২০ বছর যাবৎ ফরয ছিয়াম নিয়মিতভাবে আদায় করে আসলেও হায়েয অবস্থায় কোন ছিয়াম পালন করেনি। বর্তমানে এজন্য সে অনুতপ্ত। এক্ষণে তার করণীয় কি? - -কাযী সাজ্জাদ, কালাই, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (১২/৫২) : বিদ্যুৎ বিল সময়মত পরিশোধে ব্যর্থ হ’লে এবং ফরম পূরণ করতে দেরী হলে জরিমানা হিসাবে বিলম্ব ফী দিতে হয়। এটা দেয়া জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.