উত্তর : মসজিদে অপ্রয়োজনীয় দুনিয়ারী কথা-বার্তা বলা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, অচিরেই এমন এক সময় আসবে যখন মানুষ মসজিদে বসে নিজেদের দুনিয়াবী কথাবার্তা বলবে। অতএব তোমরা এসব লোকদের গল্প-গুজবে বসবে না। আল্লাহ তা‘আলার এমন লোকের প্রয়োজন নেই (বায়হাক্বী, শুআব হা/২৯৬২; ছহীহাহ হা/১১৬৩; মিশকাত হা/৭৪৩)। ওমর ফারূক (রাঃ) দুনিয়াবী কথা-বার্তা থেকে বিরত থাকার জন্য মসজিদে নববীর পার্শ্বে বুতাইহা নামক একটি চত্বর তৈরী করেছিলেন এবং বলেছিলেন, ‘যে ব্যক্তি অনর্থক কথা, কবিতা পাঠ কিংবা উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে চায়, সে যেন ঐ স্থানে চলে যায়’ (মুওয়াত্ত্বা মালেক, মিশকাত হা/৭৪৫)। তবে ‘যে ব্যক্তি মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলবে তার ৪০ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়ে যাবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (তাযকিরাতুল মাওযূআত, আবুল ফযল আল-মাক্বদেসী, ৩৯ পৃঃ, হা/৪০)

প্রশ্নকারী : আব্দুর রহীমগন্ধর্বপুরসিরাজগঞ্জ।


 






বিষয়সমূহ: মসজিদ
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : সালাম ফিরানোর পর ইমাম বা মুক্তাদী কোন দো‘আ না পড়েই কি উঠে যেতে পারবে?
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : মা হাওয়া নাকের কোন্ দিকে নাকফুল ব্যবহার করতেন? আমরা নাকের ডান দিকে নাকফুল ব্যবহার করি। কারণ রাসূল (ছাঃ) সব কাজ ডান দিক থেকে করা ভালবাসতেন। আমাদের একাজ কি শরী‘আত সম্মত হচ্ছে?
প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : আমাদের মসজিদের নিচে তিনটি কবর (২টি ৩৫ বছর ও ১টি ১৮ বছর পূর্বের) রয়েছে। মসজিদ পাকা করার সময় এগুলির উপর ৪ ফুট বালি ভরাট দিয়ে তার উপর মসজিদ করা হয়। এক্ষণে উক্ত মসজিদে ছালাত হবে কি? - রাজীব হাওলাদার কবিরাজপুর, মাদারীপুর।
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) : বর্তমানে আলু, কলা ও শাক-সবজির ব্যাপক চাষাবাদ হচ্ছে পানের ওশর দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : ঠোটের নীচের লোম কাটা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৪১৫) : আমাদের মসজিদে মাঝে-মধ্যে কোন মুছল্লী অসুস্থ হ’লে তার সুস্থতার জন্য মসজিদে খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে দো‘আ চাওয়া হয়। এরূপ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : নফল ছালাতের কি কোন সংখ্যা-সীমা আছে? না যত খুশী আদায় করা যায়?
প্রশ্নঃ (৩/১৬৩) : সদ্যপ্রসূত শিশু মারা যাওয়ার পর জানাযা না পড়েই দাফন করা হয়। অতঃপর পরবর্তী জুম‘আর ছালাতের পর মসজিদে উপস্থিত সকল মুছল্ল­ী মিলে জানাযা ছালাত আদায় করা হয়। এমনটি করা কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৯/২০৯) : মহিলাদের জামা‘আতে মহিলা ইমাম ক্বিরা’আত ও আমীন সশব্দে পড়তে পারবে কি? - মাযহারুল ইসলাম শিবগঞ্জ, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : অনেক ব্যক্তি বলেন, রাসূল (ছাঃ) যেহেতু হিজামা করিয়ে দীনার বা দিরহাম না দিয়ে ২ ছা‘ খাদ্য দিয়েছেন, সুতরাং হিজামা করিয়ে খাদ্যই দেওয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে তারা হিজামার খাদ্যের পারিশ্রমিককে ছাদাক্বাতুল ফিৎরের সাথে ক্বিয়াস করেছেন। এ ব্যাপারে কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফদের বক্তব্য কি?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : পিতা-মাতার নামে নাম রাখার বিধান কি? এটি কি সদাচরণের মধ্যে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (৩০/২৭০) : ছালাত শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ার পর অনেকে বুকে ফুঁক দেয়। এর পক্ষে ছহীহ দলীল জানতে চাই।
আরও
আরও
.