ভূমিকা :স্বামীর পিতা-মাতার খেদমতের প্রয়োজন হ’লে স্বামীর কর্তব্য হ’ল তাদের সেবা-যত্ন করা। তবে কোন স্ত্রী যদি সন্তুষ্টচিত্তে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করে, এটা তার জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার। এর বিনিময়ে সে অনেক ছওয়াব লাভ করে। তবে স্বামীর পিতা-মাতাকে নিজের পিতা-ম
ইসলামী আহকামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল ইনফাক্ব বা সম্পদ ব্যয়। কিছু ব্যয় নফল বা ঐচ্ছিক আর কিছু ব্যয় ফরয বা অবশ্যপালনীয়। এই নফল ও ফরয ইনফাক্বের ক্ষেত্র, বিধান ও নীতিমালা কুরআন-সুন্নাহতে সবিস্তার বিবৃত হয়েছে। জীবনের অন্যান্য বিষয়ের মতো আয় ও ব্যয়ের এক
স্বামীর অবাধ্যতার স্বরূপস্ত্রীর বিভিন্ন কর্মকান্ডেই স্বামীর অবাধ্যতার চিত্র ফুটে ওঠে। সে স্বামীর সাথে এমন আচরণ করে কিংবা এমন ভাষা প্রয়োগ করে যাতে তার অবাধ্যতা প্রমাণিত হয়। নিম্নে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হ’ল।-১. সহাবস্থান ও সহবাসে অনীহা প্রকাশ করা ও বাধা
ভূমিকা :স্বামীর অনুগত হওয়া দাম্পত্য জীবনে সুখের মূল ভিত্তি। শরী‘আতের নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রী যদি স্বামীর অনুগত থাকে তাহ’লে যেমন দুনিয়াতে সুখী হবে তেমনি আখেরাতেও। সুখের এ রহস্য অনেক আগেই নবী করীম (ছাঃ) বলে দিয়েছেন। স্বামীর আনুগত্য করলে পারিবারিক জীবন
মানুষকে মহান আল্লাহ সৃষ্টি করে তাদেরকে পুরুষ-নারী দু’টি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। এই দুই শ্রেণীর কর্মকান্ড ও কর্মপন্থায় বেশ ব্যবধান ও বৈচিত্র্য লক্ষণীয়। এ বৈচিত্র্য বিশ্ব ব্যবস্থার অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এই কর্মপন্থাগত ব্যবধান-বৈচিত্র্যের সীমানা প্রাচীরক
ইলমে ওহী শিক্ষা করার একটি হক, তা অপরের কাছে পৌঁছে দেয়া। এটাকেই তাবলীগ বলে। তাবলীগ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হ’তে পারে। যেমন, কথার মাধ্যমে অপরকে দাওয়াত দেয়া। জুমআর খুৎবা, ওয়ায-মাহফিল, তা‘লীমী বৈঠক ইত্যাদি বিষয় গুলো কথার মাধ্যমে দাওয়াত প্রদানের ভেতরে অন্তর্ভুক্
শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষা-দীক্ষায় পিতা-মাতার ভূমিকা অনস্বীকার্য। জীবনের কোন নির্দিষ্ট স্তরের সাথে পিতা-মাতার ভূমিকা সীমাবদ্ধ নয়। শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে কৈশোর, যৌবন অতঃপর সেখান থেকে বাকী জীবন বাবা-মায়ের শেখানো পথেই সে চলতে থাকে। সে চিন্তাধারাই লালন ক
সন্তান প্রতিপালন অন্যতম গুরুদায়িত্ব। এটি একটি বিদ্যা, যার কিছু মূলনীতি ও কায়দা-কানুন রয়েছে। সন্তান প্রতিপালনে কোন ভুলভ্রান্তি হ’লে তা ব্যক্তি ও সমাজের জন্য মারাত্মক কুফল বয়ে আনে। সেজন্য সন্তান প্রতিপালনে পিতা-মাতাকে অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। অনে
ভুমিকা : গাঢ় আলিঙ্গন, উষ্ণ আন্তরিকতা, মায়া-মমতা ও শিক্ষার এক উন্মুক্ত দুয়ার হচ্ছে মা। তিনি পুষ্টি জোগানিয়া, তিনি চিকিৎসক, তিনি সান্ত্বনাদানকারিনী, তিনি নার্স, তিনি বেবিসিটার, তিনি জননী, তিনি সৎপরামর্শক, তিনি শিক্ষক, তিনি রক্ষক, তিনি জান্নাতের শ্রেষ্ঠ
ভূমিকা :আদম সন্তানের নারীদের প্রতিমাসে ঋতুবতী হওয়া, এটা আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এটা তাঁর সৃষ্টিকৌশলের অন্যতম। এ সময় মহিলাদের কষ্ট হয়। যে বিষয়ে পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত হয়েছে (বাক্বারাহ ২/২২২)। ফলে এ অবস্থায় তাদের জন্য ইসলামের কিছু বিধান হারাম করা
ভূমিকা : চলমান পৃথিবীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে যুগে যুগে একটি অবহেলিত জাতির নাম নারী। যারা সমাজের অনিয়মে নির্যাতিত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন কুধর্মের জাঁতাকলেও পিষ্ট হয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী। অবশেষে আল্লাহ ইসলামের মাধ্যমে নারী জাতিকে সম্মানিত করেছেন। তাঁরা আম