উত্তরঋণদাতাকে ঋণগ্রহীতা তুচ্ছ কোন হাদিয়া দিলেও সেটি গ্রহণ করা সূদ’ (বুখারী হা/৩৮১৪; মিশকাত হা/২৮৩৩)। অতএব ঋণদাতার সন্তুষ্টির জন্য বিশেষভাবে দাওয়াত দেয়া যাবে না। তবে যদি তাদের মধ্যে আগে থেকে সাধারণ যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়া থাকে তবে দাওয়াত খাওয়ায় বাধা নেই (ইবনু মাজাহ হা/২৪৩২; সনদ যঈফ; মিশকাত হা/২৮৩১)। এটা সূদ নয়। স্মর্তব্য যে, ওমর ফারূক (রাঃ) বলেন, সবশেষে নাযিল হয়েছে সূদের আয়াত এবং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মৃত্যুবরণ করেছেন অথচ আমাদের জন্য সূদের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দান করেননি। অতএব তোমরা সূদ এবং সন্দেহ থেকে দূরে থাক’ (ইবনু মাজাহ হা/২২৭৬; সনদ ছহীহ; মিশকাত হা/২৮৩০)

-প্রশ্নকারী : খুকি আখতার, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (৩৯/২৭৯) : লভ্যাংশের কিছু অংশ প্রদানের শর্তে একজনের টাকা অন্যজনের পরিশ্রমের ভিত্তিতে ব্যবসা করলে উক্ত ব্যবসা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : শারঈ বিধান অনুযায়ী ব্যভিচারের শাস্তির দাবীর ক্ষেত্রে ৪ জন সাক্ষী প্রয়োজন হয়। কিন্তু যদি ভিডিও ফুটেজ থাকে, তাহ’লে এই একটি সাক্ষ্য থাকলেই কি তা শাস্তির জন্য যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৪/৪৪৪) : বর্তমানে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ইসলামিক মুভি দেখানো হয়। যেমন দ্যা মেসেঞ্জার, দ্যা ম্যাসেজ, এছাড়া ওছমানীয় খেলাফত নিয়ে তুর্কী মুভি ইত্যাদি। এই ধরণের মুভিতে শিক্ষণীয় ও ঈমানবর্ধক অনেক কিছু থাকলেও বিভিন্ন বাজনা ও নারীর উপস্থিতি রয়েছে। এসব দেখা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩৪২) যে ব্যক্তি ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী’ পড়ে তার আমলনামায় নাকি এক লক্ষ চবিবশ হাযার নেকী লেখা হয়। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : বুখারীর ১৫১১ নং হাদীছে বলা হয়েছে যে, ওমর বিন আব্দুল আযীয টাকা দিয়ে ফিতরা আদায়ের জন্য বলেছিলেন।
প্রশ্ন (৪/১২৪) : বাড়ীতে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় যদি মহিলাদের মাথায় কাপড় না থাকে তাহ’লে পাপ হবে কি?
প্রশ্ন (২২/১৮২) : কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা মুসলিম হওয়ার পরেও অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করে এবং তাদের ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করে। এমন কাজ করা কেমন গুনাহ এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/২২১) : একই রাক‘আতে কয়েকটি সূরা পাঠ করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২১/২২১) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি লায়লাতুল ক্বদরে রাত্রি জাগরণ করে ইবাদত করল, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মাণ করা হবে। বক্তব্যটির সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : আরবী পড়তে না পারার কারণে বাংলায় উচ্চারণ করে কুরআন তেলাওয়াত করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি? কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবের কোন কম-বেশী হবে কি? উত্তর : আরবী পড়ে কুরআন শিক্ষা করে কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে (বুখারী, মিশকাত হা/২১০৯)। কুরআন শিক্ষা করার জন্য অক্ষরগুলি উচ্চারণ ও শব্দ বুঝার জন্য বাংলা উচ্চারণের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। কুরআন পড়ার জন্য চেষ্টা করলে দ্বিগুণ নেকী রয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২১১২)। কুরআন শিক্ষা করার চেষ্টা না করে শুধু বাংলা বা অন্য কোন ভাষায় উচ্চারণ করে পড়া উচিত নয়। কারণ এভাবে পড়লে কুরআন শিক্ষা করার গুরুত্ব ও ফযীলত থাকবে না। এছাড়াও উচ্চারণ সঠিক না হওয়ার কারণে অর্থের মধ্যে গোলমাল হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবে কোন কম-বেশী হবে না (ছহীহ তিরমিযী হা/২৯১০)। কারণ এতে দেখে আর মুখস্থ পড়ার মধ্যে কোন পার্থক্য করা হয়নি।
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : সন্তানের অসুস্থতার কারণে আমি মানত করেছিলাম যে, যেদিন আমি হাসপাতাল থেকে সন্তানকে বাসায় নিয়ে যাব, তার পরদিন থেকে আমি একমাস ছিয়াম পালন করব। এক্ষণে এ ব্যাপারে করণীয় কি? এটা কি ভেঙ্গে ভেঙ্গে করতে পারব না লাগাতার এক মাস পালন করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : বাড়ী করার জন্য পিতা-মাতা আমাকে একখন্ড জমি দান করেন। কিন্তু আমি ভাইদের সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে বলে ফেলি যে, আমি যদি ঐ জমিতে যাই তাহ’লে মুসলিম থেকে খারিজ হয়ে যাব। এখন ঐ জমিতে যেতে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.