উত্তর : এটা এক প্রকার রোগ। এর জন্য চিকিৎসা নিতে হবে। এক্ষত্রে সর্বশেষ ফোঁটা বের হয়ে আসা পর্যন্ত বসে থেকে পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর উঠবে। আর পানি না থাকলে ঢিলা অথবা টিস্যু ব্যবহার করবে (তিরমিযী হা/১৬, ইবনু মাজাহ হা/৩১৬, সনদ ছহীহ)। এরপরেও দু’এক ফোঁট নির্গত হ’তে দেখলে টয়লেটের ভিতরে থেকে প্রস্রাব হ’তে পবিত্র হওয়ার জন্য যে কোন উপায় গ্রহণ করা যেতে পারে।






প্রশ্ন (৩/৩২৩) : জনৈক ব্যক্তি অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কোন মেয়েকে গর্ভবতী করার পর গর্ভাবস্থায় তাকে বিয়ে করে। উক্ত বিবাহ কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : একজন দ্বীনদার ব্যক্তির পক্ষে ব্যাংকে চাকুরী করে জীবিকা নির্বাহ করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৮/৮) : ফরয ও নফল ছালাত শেষে একাকী নিয়মিতভাবে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/১৩০) : বঙ্গানুবাদ কুরআন বা তাফসীর ওযূ ছাড়া স্পর্শ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : উপুড় হয়ে শোয়ার বিধান কি? - -সাগর, কালিকাপুর, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১৭/১৭৭) : জনৈক আলেম বললেন, সমস্ত মাখলূক আল্লাহর পরিবারের ন্যায়। অর্থাৎ তার সন্তানতুল্য। উক্ত হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯/৪০৯) : বোনেরা পিতার মূল বসতবাড়ি থেকে কোন অংশ পাবে কি? জমি ভাগ করা গেলেও মূল বাড়ি ভাগ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭৭) : জনৈক ব্যক্তি একজন বৌদ্ধ ধর্মের লোকের সাথে ব্যবসা করেন। অনেক সময় তাদের নিকটে থাকতে হয় এবং খেতে হয়। এভাবে থাকা-খাওয়া ও সম্পর্ক রাখা যাবে কি? - -ফরীদ, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : সূরা মুহাম্মাদের ১২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যারা কুফরী করেছ, তারা ভোগ-বিলাসে লিপ্ত থাকে এবং পশুর মত আহার করে। তাদের ঠিকানা হ’ল জাহান্নাম’। এখানে ‘পশুর মত আহার করে’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত করলে জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যায় এই কথার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : বড়শি দিয়ে টোপ ফেলে মাছ শিকার করা জায়েয হবে কি? এভাবে ধোঁকা দিয়ে শিকার করা তাক্বওয়া বিরোধী কি? ইমাম বুখারী খাবারের ধোঁকা দিয়ে ঘোড়ার গলায় দড়ি বাধায় জনৈক লোকের নিকট থেকে হাদীছ গ্রহণ করেননি। এ ব্যাপারে সঠিক সমাধান কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.