উত্তরঃ পাঁচটি নয়, বরং তিনটি স্থানে মিথ্যা বলা যায়। (১) মীমাংসার জন্য, (২) যুদ্ধক্ষেত্রে, (৩) স্ত্রী-স্বামী পরষ্পরের নিকট (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৪৯২১; মুসলিম, তিরমিযী, মিশকাত হা/৫০৩১ ও ৫০৩৩)। এছাড়া কল্যাণকর কাজের স্বার্থে সাময়িকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া যায়। যেমন ইবরাহীম (আঃ) বলেছিলেন, ‘আমি পীড়িত’ (ছফফাত ৮৯)। মূর্তি ভাঙ্গার পরে তিনি বড় মূর্তিকে দোষারোপ করে বলেছিলেন, ‘এই বড়টাই তো একাজ করেছে। অতএব তাকে জিজ্ঞেস কর’ (আম্বিয়া ৬৩)। ইউসুফ (আঃ) ভাইদের রসদপত্রের মধ্যে পানপাত্র লুকিয়ে রেখে ঘোষককে দিয়ে বলেছিলেন, হে কাফেলার লোকজন! তোমরা অবশ্যই চোর’ (ইউসুফ ৭০)। উল্লেখ্য, এগুলো প্রকৃত অর্থে মিথ্যা নয়, বরং ‘তাওরিয়াহ’। যা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই করা হয়ে থাকে।






প্রশ্ন (৭/২৮৭) : ফেসবুক চ্যাটের কারণে স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যের পর আমি ফেসবুক ব্যবহার করব না বলে কসম করি। বর্তমানে আমি তার সম্মতিতে ফেসবুক ব্যবহার করছি। এক্ষণে উক্ত কসম ভঙ্গের কারণে কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলের চেয়ে মেয়ের বয়স বেশী হ’লে শারঈ কোন বিধি-নিষেধ আছে কি? - -জসীম ক্বাযী, দোহা, কাতার।
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : ছহীহ মুসলিম ও মুসনাদে আহমদের হাদীছে বুঝা যায় কদরের রাত্রি হবে ২৭ রামাযান (মুসলিম হা/২৮০৪; মিশকাত হা/২০৮৮)। সে অনুযায়ী আমাদের দেশে উক্ত রাত্রিতে কদর তালাশ করা হয়। অনেকে এর বিরুদ্ধে বলেন। এর সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : ময়দানের জিহাদ ছোট ও প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ বড়। উক্ত বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি? - .
প্রশ্ন (৮/৪৪৮) : অধিকাংশ আলেম বলেন, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ পৃথক ছালাত। তাহাজ্জুদ ১১ রাক‘আত আর তারাবীহ ২০ রাক‘আত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : উলুল আমর কাকে বলে? ইসলামী খেলাফত যদি কায়েম না থাকে, তবে শরী‘আতে উলুল আমর- এর নির্দেশ মেনে চলার বিধান কি ততদিন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে? এছাড়া আমীরের আনুগত্য, জামা‘আতবদ্ধ জীবন-যাপন ইত্যাদি বিষয়গুলির ব্যাপারে বিধান কি হবে?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : ছালাতের দুই সালামের মাঝে কোন দো‘আ পাঠ করতে হয় কি? - -শরীফ আলম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (২৭/৬৭) : ঋতু অবস্থায় সহবাস করলে শিশু বিকলাঙ্গ হয়- একথা কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৯/১৪৯) : সফরকালে কেউ দো‘আ চাইলে ‘ফী আমানিল্লাহ’ বলা যাবে কী?
প্রশ্ন (১/১৬১): ২০০৩ ইং জুলাই আত-তাহরীক ৯নং প্রশ্নোত্তরে লেখা হয়েছে, ‘কবিরাজগণ জিনদের মাধ্যমে যেসব কথাবার্তা বলে থাকেন তা বিশ্বাস করা যাবে’। কিন্তু হাদীছে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোন গণকের নিকট আসল এবং তার কথার প্রতি বিশ্বাস করল সে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাকে অস্বীকার করল (আহমাদ ২/৪২৯ পৃঃ)। অন্য হাদীছে রয়েছে, ৪০ দিন তার ছালাত কবুল হবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫)। উক্ত বিষয়ে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২২/৪৬২):‘আলেমের এক ঘন্টা ইলম চর্চা একজন আবেদের সত্তর বছর ইবাদতের সমান’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - -শরীফুল ইসলাম, বাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : তাহাজ্জুদের ছালাত অনিয়মিতভাবে আদায় করা যাবে কি? - -তাসনীমুল হক প্রধান, বগুড়া।
আরও
আরও
.