উত্তর : বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন কুরবানীর দিন। কারণ কুরবানীর দিনই হজ্জে আকবরের দিন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, অবশ্যই কুরবানীর দিন আল্লাহর নিকট সবচেয়ে মহান দিন (আহমাদ হা/১৯০৯৮; হাকেম হা/৭৫২২; মিশকাত হা/২৬৪৩; ছহীহুল জামে‘ হা/১০৬৪)। তিনি আরো বলেন, ‘কুরবানীর দিন হচ্ছে এই মহান হজ্জের দিন’ (বুখারী হা/১৭৪২; মুসলিম হা/১৩৪৭; আবূদাঊদ হা/১৯৪৫)। আরাফার দিন শ্রেষ্ঠ দিন মর্মে বর্ণিত হাদীছটি বাতিল (যঈফাহ হা/২০৭)। উল্লেখ্য যে, সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুম‘আর দিন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘জুম‘আর দিন সকল দিনের নেতা, সব দিনের চেয়ে বড় ও আল্লাহর নিকট বড় মর্যাদাবান। এ দিনটি আল্লাহর নিকট ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের চেয়ে অধিক উত্তম। এ দিনটির পাঁচটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। (১) আল্লাহ তা‘আলা এ দিনে আদমকে সৃষ্টি করেছেন। (২) এ দিনে তিনি আদমকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। (৩) এ দিনেই আদম মৃত্যুবরণ করেছেন। (৪) এ দিনে এমন একটা মুহূর্ত আছে যে সময় বান্দারা আল্লাহর কাছে হারাম জিনিস ছাড়া আর যা কিছু চায় তা তিনি তাদেরকে দান করেন। (৫) এ দিনেই ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে’ (ইবনু মাজাহ হা/১০৮৪; ছহীহাহ হা/১৫০২)। এক্ষণে সমন্বয়ের প্রশ্নে ইমাম ইবনু তায়মিয়াকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিদ্বানদের ঐক্যমতে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুম‘আর দিন। আর বছরের শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল কুরবানী দিন (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৫/২৮৮)।






প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : মহিলাদের কণ্ঠে ইসলামী গান শোনা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৭/১২৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, কোন ব্যক্তি ওয়ায মাহফিলে যাওয়ার ইচ্ছা করে সামনের পা বাড়িয়ে পিছনের পা তোলার আগেই সকল গোনাহ মাফ হয়ে যায়। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ট্যাটু বা উল্কি অাঁকা মহিলাদের জন্য নিষেধ মর্মে ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। এক্ষণে পুরুষের জন্য এর অনুমোদন আছে কি?
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ক্বিয়ামতের দিন হাশরের ময়দান হবে সিরিয়ায়। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -তহুরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : হিন্দুদের পুজামন্ডপ পরিদর্শনে যাওয়া বা শুভেচ্ছা বিনিময় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : যে সমস্ত ছাগলের শিং উঠেনি যাকে ন্যাড়া ছাগল বলা হয়, সে সমস্ত ছাগল কুরবানী দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/৪০৩) : বার্ধক্যের কষ্ট থেকে মুক্তির কোন উপায় শরী‘আতে আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : জনৈক ভদ্রলোকের দু’জন স্ত্রী। তার জীবদ্দশায় প্রথমা স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যায়। ঐ ব্যক্তি প্রথমা স্ত্রীর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া (জমি) সম্পদ থেকে কিছু সম্পদ মীরাছ হিসাবে পেয়েছেন। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি মৃত্যুকালে প্রথমা স্ত্রীর এক ছেলে, এক মেয়ে সহ দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যান। প্রশ্ন হচ্ছে প্রথমা স্ত্রী থেকে প্রাপ্ত সম্পদ কি শুধুমাত্র প্রথমা স্ত্রীর সন্তানেরা পাবে নাকি দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, সন্তানরাও পাবে?
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : মাশরূমের চাষাবাদ ও ব্যবসা করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? দলীলসহ জানতে চাই। - মাহদী হোসাইন ঢাকা।
প্রশ্ন (১/১২১): ঢাকার একটি পুরাতন মাসিক ইসলামী পত্রিকার অক্টোবর ২০১০ সংখ্যায় প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তি বা প্রিয় নবী (ছাঃ)-এর নামে নফল নামায পড়া শুধু জায়েযই নয়, বরং অনেক ভাল কাজ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৭/১২৭) : আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমাকে গ্রামের লোকজন বাড়ি করে দিয়েছে। আমি কি এখন আমার বিধর্মী বাবার সম্পত্তি নিতে পারব?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
আরও
আরও
.