উত্তর : উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই। বরং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় একশ’বার ‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদিহী’ পড়বে ক্বিয়ামতের দিন এর  অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আমল নিয়ে কেউ উপস্থিত হ’তে পারবে না। তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত যে তা অনুরূপ অথবা উক্ত ব্যক্তির চেয়ে অধিকবার পাঠ করবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২২৯৭)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি একশ’বার উক্ত বাক্য পাঠ করবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ করা হবে, যদিও তার গোনাহ সমুদ্রের ফেণা সমতুল্য হয়’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২২৯৬)।






প্রশ্নঃ (১০/২৯০) : আমরা শুনেছি, পিতার আগে ছেলে মারা গেলে সেই ছেলের সন্তানেরা পরিত্যক্ত সম্পত্তির ওয়ারিছ হয় না। এর সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২১/২৬১) : ত্বক ফর্সা করার জন্য ছেলেরা বিভিন্ন ধরনের স্নো, ক্রীম ইত্যাদি প্রসাধনী ব্যবহার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৫/২৫) : ইদানিং অনেক লোক হজ্জ করতে গিয়ে ইহরাম বাঁধার পর জেদ্দা বিমান বন্দর থেকে সরাসরি মদীনায় যান এবং মদীনা থেকে ফিরে এসে মক্কায় হজ্জের কাজ সমাধা করেন। এতে হজ্জের কোন ত্রুটি হয় কি? - -মাহমূদুল ইসলামরিয়াদ, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : দাজ্জাল কি মৃত্যুবরণ করবে? সে কিভাবে মারা যাবে?
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : বিবাহের সময় পাত্র পূর্ণ সম্মতি সহ কেবল আলহামদুলিল্লাহ বললেও সরাসরি ‘কবুল’ বলেনি। উক্ত বিবাহ গ্রহণযোগ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : জন্মের পর থেকে কোন পিতা যদি সন্তানের প্রতি কোন দায়িত্ব পালন না করে সেই পিতার প্রতি সন্তানের কোন দায়িত্ব আছে কি?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : অমুসলিম প্রতিবেশীর সাথে টাকা-পয়সা লেনদেন করা এবং প্রয়োজনে তার বাড়ীতে যাতায়াত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : কোন পাখীকে তীর, ধনুক বা অন্য কিছু দ্বারা আঘাত করে মাটিতে ফেলে দিয়ে যবহ করা হলে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : অনেকে বিতর ছালাতে বুকে হাত বেঁধেই দো‘আ কুনূত পাঠ করে। আবার কেউ কেউ দো‘আ শেষে দু’হাত মুখে মাসাহ করে। এগুলি কি হাদীছ সম্মত?
প্রশ্ন (১০/২১০) : গাভীকে মানুষ ঝাড়-ফুঁক করে দুধ বন্ধ করে দেয়। তখন দুধ হয় না। এথেকে বাঁচার জন্য পাল্টা ঝাড়-ফুঁক করা দড়ি পরালে ভালো হয়ে যায়। এক্ষণে এটা পরানো যাবে কি? - -শরীফুল ইসলাম, বাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৬/১৬৬) : ওহী লেখক ছাহাবীগণের মাঝে কেউ কি মুরতাদ হয়ে গিয়েছিলেন? - -তাহসীন আল-মাহী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/১৩১) : ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পণ্য বাকিতে বিক্রয়ের পর মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে মাসিক বা বার্ষিক বিলম্ব ফী গ্রহণ করা যাবে কি? যেমন প্রথম বছরের মধ্যে পরিশোধ করলে কেবল মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তারপর প্রতি বছর ৫ হাযার টাকা করে জরিমানা যুক্ত হবে। এভাবে না করলে মানুষ অর্থ ফেরৎ দিতে অবহেলা করে। রাষ্ট্রীয় আইনের শিথিলতার কারণে অর্থ আদায়ের তেমন কোন উপায়ও থাকে না। এক্ষণে এটা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.