উত্তর : স্ত্রীর হজ্জের খরচ বহন করাকে বিবাহের মোহরানা হিসাবে নির্ধারণ করায় কোন বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) কুরআনের সূরা শিক্ষা দানকেও বিবাহের মোহরানা হিসাবে গণ্য করেছেন (বুখারী হা/৫০২৯; মুসলিম হা/১৪২৫; মিশকাত হা/৩২০২)






প্রশ্ন (১০/৯০) : নারীদের ফোঁটা ফোঁটা রক্ত বের হ’লে তা কি হায়েয হিসাবে গণ্য হবে এবং এ অবস্থায় ছিয়াম পালন করা যাবে কি? - -হেলেনা আখতার, ভদ্রা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/৪৫৮) : মহিলাদের জন্য বাড়িতে থাকা অবস্থায় ফরয ছালাত জামা‘আতে না একাকী পড়া উত্তম?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : পিতা-মাতার নামে নাম রাখার বিধান কি? এটি কি সদাচরণের মধ্যে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : মূসা (আঃ) সপরিবারে মিসরের পথে যাত্রাকালে যে আগুন দেখেছিলেন তা কি আসল আগুন ছিল?
প্রশ্ন (২৮/২৮) : মাক্বামে মাহমূদ কি? এটা কি রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য খাছ? কোন ব্যক্তি এই অবস্থান লাভের জন্য দো‘আ করতে পারবে কি? - -জাহাঙ্গীর আলম, আজীজুল হক কলেজ, বগুড়া।
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : এক ব্যক্তির নিজস্ব বাড়ি আছে এবং অতিরিক্ত ৫০-৬০ লাখ টাকা মূল্যের জমি রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তার আয় কমে যাওয়ায় সংসারের খরচের জন্য প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা ঋণ হয়েছে। উক্ত জমি বিক্রি করলে সে ঋণ পরিশোধ করে স্বচ্ছল হ’তে পারবে। এ অবস্থায় কি তাকে যাকাত দিয়ে সাহায্য করা যাবে?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : আমি বড় ছেলের কথা শুনে ত্রাণ আত্মসাৎ করেছি, জমি লুটপাট করেছি এবং দুর্বলদের উপর অত্যাচার করেছি। এখন সমাজের লোকেরা আমাকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করেছে। সূরা মায়েদার ৩৩নং আয়াত অনুযায়ী আমাকে বহিষ্কার করা ঠিক হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : এশার পর বিতর ছালাত আদায় করে নিলে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ ছালাত আদায়ে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : একটি মেয়ে একটি ছেলের সাথে পালিয়ে বিবাহ করে সংসার করছে। পিতা মেয়েকে ত্যাজ্য করেছে। উক্ত বিবাহ ও ত্যাজ্যকরণ সঠিক হয়েছে কি? এক্ষণে পিতার করণীয় সম্পর্কে শরী‘আতের নির্দেশনা কি? - সাইফুযযামান, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১/১২১): ঢাকার একটি পুরাতন মাসিক ইসলামী পত্রিকার অক্টোবর ২০১০ সংখ্যায় প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তি বা প্রিয় নবী (ছাঃ)-এর নামে নফল নামায পড়া শুধু জায়েযই নয়, বরং অনেক ভাল কাজ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : অনেক সন্তান পিতা-মাতার মাথায় হাত রেখে কসম করে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের ‘আক্বীদা ইসলামিয়াহ’ এবং মক্কার আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আহমাদ রচিত ‘সহজ আক্বীদা বা ইসলামের মূল বিশ্বাস’ বই পড়ে জানলাম আল্লাহর কথার বর্ণ ও শব্দ আছে, যা কানে শোনা যায়। অথচ ‘ফিক্বহুল আকবারে’ লেখা আছে, ‘উপকরণ ও বর্ণ ছাড়াই আল্লাহ পাক কথা বলেন’। কোনটি সঠিক? এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা কী?
আরও
আরও
.