উত্তর : এমতাবস্থায় ওযূ করে পুনরায় ত্বাওয়াফ শুরু করা উত্তম। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ছালাতের মতই। কিন্তু তাতে তোমরা কথা বলতে পারো (তিরমিযী হা/৯৬০; মিশকাত হা/২৫৭৬)। তবে ভিড়ের কারণে ওযূ করা কষ্টকর হ’লে ঐ অবস্থায় ত্বাওয়াফ শেষ করবেন এবং এর ক্বাযা করতে হবে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৬/২১১-১৩; উছায়মীন, শারহুল মুমতে‘ ৭/৩০০)। উল্লেখ্য যে, এরূপ অবস্থায় শেষের দু’রাক‘আত নফল ছালাত পুনরায় ওযূ করে হারামের যেকোন স্থানে পড়ে নিতে হবে (দ্রঃ হজ্জ ও ওমরাহ ৪র্থ সংস্করণ পৃঃ ৬৩)






প্রশ্ন (১১/৫১) : জনৈক ইমাম ষাড়ের প্রজননের বিনিময়ে টাকা উপার্জন করেন। এরূপ কাজ জায়েয হবে কি? যদি এরূপ উপার্জন হারাম হয়, তাহ’লে ঐ ইমামের পিছনে ছালাত হবে কি? - -আবুল কালাম আযাদ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : স্ত্রী বেনামাযী, বেপর্দা এবং শারঈ বিধান পালনে অনাগ্রহী। এক্ষণে ধৈর্য ধরে দাওয়াত দিয়ে যেতে হবে, না তালাক দেওয়া উত্তম হবে?
প্রশ্ন (২৫/২৫) : হালাল পন্থায় উপার্জন করে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম হওয়ায় যদি হারাম পন্থায় ইনকাম করে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয় তাহ’লে তা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : আমাদের মসজিদের খত্বীব বলেছেন, ফজরের আযানের পর ২ রাক‘আত দুখূলুল মসজিদ ও ২ রাক‘আত সুন্নাত ছালাত ছাড়া অন্য কোন ছালাত পড়া যাবে না। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪/২০৪) : আমি একটি মসজিদে বড় অংকের সহযোগিতা করি। কিন্তু সেখানে মীলাদ-ক্বিয়ামসহ যাবতীয় বিদ‘আতী কার্যক্রম হয়ে থাকে। এক্ষণে উক্ত অর্থদানের জন্য কোন নেকী অর্জিত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : জামা‘আতে ফরয ছালাতের পর সুন্নাত আদায়ের পূর্বে জানাযার ছালাত পড়া যরূরী কি? না সুন্নাত ছালাত শেষ করেও জানাযা আদায় করা যাবে?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : আমি শহুরে পরিবেশে বড় হয়েছি। আমার স্বামী আমাকে শহরে রাখতে চায়। কিন্তু শ্বশুর-শ্বাশুড়ী আমাকে গ্রামে রাখার পক্ষে। স্বামী তার পিতা-মাতার নির্দেশ অমান্য করে আমাকে শহরে রেখেছে। এক্ষণে আমার স্বামী বা আমি কি গোনাহগার হব? - -খুরশিদা আখতার, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (২১/৪২১) : ঢাকা শহরে প্রচুর যানজটের কারণে মীরপুর থেকে ইসলামপুরে যেতে ২-৩ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। যদিও সেটাকে সফর কিংবা ক্বছরের দূরত্ব বিবেচনা করা যায় না। কিন্তু যেতে আসতে অনেক সময় ব্যয় হয় ও কষ্ট হয়। এক্ষেত্রে ছালাত কি ক্বছর করা যাবে? এছাড়া কোন কারণবশতঃ আছর ও মাগরিবের ছালাত জমা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২/৪৪২) : আমরা ‘লাইফ লাইন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সমিতি করে ২৩ জন প্রতিমাসে ১০০০ টাকা করে জমা করি। সেই টাকা দিয়ে আমরা সমাজের বিভিন্ন মানুষকে পণ্য কিনে দেই। ক্রেতা কিস্তিতে কিছু লাভ সহ মূল্য পরিশোধ করে। আমাদের কোন নিজস্ব দোকান নেই। এরূপ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/২৯) : বিভিন্ন কোম্পানী ডাক্তারদের যেসব ঔষধের স্যাম্পল দেয়, সেগুলো গরীব মানুষদের দান করা অথবা তা ঔষধের দোকানে বিক্রি করে উক্ত অর্থ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : ঔষধ দিয়ে পোকা-মাকড়, পিঁপড়া, মাছি, তেলাপোকা মারা যাবে কি? অনেকে এগুলোকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : বিভিন্ন মসজিদে মাগরিবের ছালাতের পর হালক্বায়ে যিকরের আয়োজন করা হয়। হালক্বায়ে যিকর অর্থ কী? এটা কি সুন্নাত সম্মত?
আরও
আরও
.