অভিভাবক হিসাবে আমরা আমাদের সন্তানদের কল্যাণ চাই। কল্যাণকামিতায় আমরা সকলেই এক। তবে এই কল্যাণ কতদিনের জন্য হবে বা এটা কেমন পরিসরে হবে সেটা নির্ধারণে আমরা বিভিন্ন চিন্তাধারা লালন করি। কেউ হয়ত শুধু কর্মজীবন পর্যন্ত কল্যাণ চান। কেউ চান দুনিয়াবী জীবনের সুখ
ছাত্রজীবন শেখার সময়। এই সংক্ষিপ্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে যে যত বেশী শিখতে পারে সে তার জীবনে তত বেশী এগিয়ে যায়। অনেক সময় আমরা অনেক বেশী পরিশ্রম করি। কিন্তু আমাদের ফলাফল আশানুরূপ হয় না। কারণ আমাদের পদ্ধতিগত কিছু ভুল রয়েছে। যেগুলো আমাদেরকে পিছিয়ে দেয়। আলোচ্য
‘দাওরাতুল হাদীছ’ একটি সীমানার নাম। প্রতিটি দেশের যেমন একটি সীমানা রয়েছে তেমনই ‘দাওরা’ হ’ল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ছাত্রজীবনের সীমানা। যদিও এরপরে অনেক পড়াশোনা রয়েছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠানে সেগুলো একাডেমিকভাবেই শুরু হয়েছে। তবু এটাও সত্য যে, দাওরার
ছাত্রজীবনের অধ্যায় শেষ করে আমরা শিক্ষকতায় আসি। শিক্ষকতায় আমরা এমন অনেক বিষয়ের সাথে পরিচিত হই যা আমরা কোনদিনই ভেবে দেখার প্রয়োজন মনে করিনি। কখনো ভাবা হয়নি যে, পড়া ও পড়ানোর বাইরে এই বিষয়গুলোও খেয়াল করতে হয়। অজ্ঞতায় বা বেখেয়ালে আমরা হরহামেশাই ভুল করে যা
আরবী কুরআন ও হাদীছের ভাষা। বলতে গেলে মাদ্রাসা শিক্ষার ভিত এই ভাষার ওপরে নির্মিত। তবে যখন আলোচনা হয় আরবী শিখা ও শিখানোর তখনই আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। খুব অভিমান হয় বড়দের ওপর। মনে হয়, তারা যদি আমাদের প্রতি একটু যত্নবান হ’তেন! আমরা হয়ত ভাষাগত দিক থেকে
আমরা যখন চাকুরীর আবেদনের জন্য একটি সিভি তৈরি করি তখন সেখানে আবেদনকারীর কোন্ কোন্ প্রতিভাগুলো বাদ দেয়া হয়? কারো কোন প্রতিভা আছে আর সেটা সে সিভিতে উল্লেখ করবে না, এমন হয় কখনো? হয় না। দেখুন! চাকুরীর বাজারে যে প্রতিভাগুলোর দাম আছে, বাস্তব জীবনে প্রয়োজন আ
এককালে কর্মক্ষেত্র কম ছিল। মানুষ যে কোন একটি পেশায় সীমাবদ্ধ থেকেছে। তবে আজ কর্মক্ষেত্র অনেক বেশী। তাই মানুষেরও একাধিক পেশা হয়েছে। একজন মানুষের কয়েকটি পেশা থাকতেই পারে। তবে এর মধ্যে একটি পেশা হয় মূল। যে পেশার মাধ্যমে তিনি অপরের কাছে পরিচিত হন। সেই মৌল
আজকের শিরোনাম দেখে আপনি মনে করতেই পারেন, এই বিষয়েও প্রবন্ধ হয়! দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা এমনই মনে করে এসেছি। আমরা সবসময়ই মনে করেছি, শিক্ষক সর্বদা শিক্ষার ওপরে। তিনি শুধু শিখাবেন। কিছু শিখবেন না। এজন্য আমাদের শিক্ষকগণ কোন বই তো পড়েনই না, এমনকি পাঠ্য বইয়ের শু
শিক্ষা সংস্কার একটি কঠিন কাজ। কারণ শিক্ষার সাথে জড়িত সবাই শিক্ষিত। আর একজন শিক্ষিত ব্যক্তি আরেকজন শিক্ষিতের সাথে কোন সংস্কারমুখী বিষয়ে একমত হ’তে চান না। তারা মনে করেন, এত বড় বড় ব্যক্তি থাকতে যার তার কথায় সংস্কার আসবে! এটা কি করে হয়! এজন্য শিক্ষা ব্যব
সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা : আমাদের দেশে মাদ্রাসা শিক্ষায় হিফয মাদ্রাসার সংখ্যা অনেক বেশী। পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায় হাফিযিয়া মাদ্রাসা তৈরি হচ্ছে অহরহ। এর কারণ মূলত কয়েকটি। প্রথমত হিফয বিভাগের জন্য অনেক বেশী জায়গার দরকার হয় না। একটা ফাঁকা ঘর হ’লেই চলে।
শিক্ষার্থীর জীবনে কুরআনের প্রভাব :কুরআন একটি মহাসমুদ্র, যার গভীরতা মাপা অসম্ভব। এটি কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নয়; বরং একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানুষের মন, মেধা ও চরিত্রকে উন্নত করে। ছাত্রদের জীবনে কুরআনের প্রভাব অপরিসীম। এটি তাদের নৈতিকতা, জ্ঞানার্জ
দুনিয়া যেখানে প্রতিনিয়ত সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে পুরাতন দিনের গল্প শোনানো এবং পুরাতন রীতি নীতি গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করা যেন আমাদের নিত্য দিনের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। পাঠকের মনে এই ধারণা সৃষ্টি হয়ে গেছে যে, শিক্ষাঙ্গনের পাতা মানেই প্রচলিত ধারার বিরু
বহুকাল আগের কথা। সে সময় আমরা জানতাম, সময় অটোমেটিক অতিবাহিত হয়। এটা স্বয়ংসম্পূর্ণ। কারো সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই ঘটে যায়। তবে কালের পরিক্রমায় আজ আমাদের জানা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। মূলত সময় অতিবাহিত হ’তে চায় না। তাকে কষ্ট করে অতিবাহিত করতে হয়। আজ আমরা জেনে
ইমারত যেমন তার ভিত্তির দৃঢ়তা সমান শক্তিশালী, তেমনই প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার আর্থিক সচ্ছলতায় সমান সুস্থির। অর্থের অভাবে যে কোন প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যায়। ঘুমিয়ে যায় অনেক শক্তিশালী চেতনা। পথ হারিয়ে ফেলে অনেক পথপ্রদর্শক। আর্থিক টানাপোড়েন থেকেই পরি
বছর ঘুরে আসে বসন্ত। জানান দিয়ে যায়, পৃথিবীটা সুন্দর। তেমনই যুগের পরিক্রমায় আসে উত্থান। আসে বিপ্লব। জানান দিয়ে যায়, জাতি চিরশায়িত নয়। তাদের মাঝেও আছে যোগ্যতা। আছে শক্তি ও সামর্থ্য। তেমনই এক বিপ্লবের স্বপ্ন বুনছি হৃদয়ের গহীন কোণে। সে বিপ্লব হবে বাংলার
ভূমিকা : দিনে দিনে আমাদের সমাজে এক ভিন্ন ধরণের অজ্ঞতার প্রকোপ বাড়ছে। যেমন কোন বিষয়ে আমার অজ্ঞতা রয়েছে, অথচ আমি জানিই না যে, আমি সে বিষয়ে অজ্ঞ। এই অবস্থার সুন্দর একটি আরবী নাম আছে- জাহালা মুরাক্কাবা। দর্শনশাস্ত্রে কোন বস্ত্ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানকে
ভূমিকা : শিক্ষক আমাদের পিতৃতুল্য। কারণ, দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান বস্ত্ত আমরা তাঁদের কাছে প্রাপ্ত হয়েছি। এজন্যই তাঁরা সম্মানিত। তাঁদের মর্যাদা নিয়ে যদি মনীষীদের বাণী উল্লেখ করতে শুরু করি তবে এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা সুদীর্ঘ ফিরিস্তিতে রূপ নেবে। আমি প্রলম্বি
ভূমিকা : এক সময়ে বাবা-মা ছেলে-মেয়েকে জোর করে বিভিন্ন প্রফেশনে যেতে বাধ্য করত। সন্তানের ইচ্ছার কোন মূল্য সেকালে ছিল না। ছেলে খেলোয়াড় হ’তে চায়, তবুও বাবা তাকে ডাক্তার বানাবেই। ডাক্তারী পেশায় রোজগার বেশী। তাই ডাক্তার বানাতে ছেলের ওপরে যত ধরনের চাপ দেয়া
ভূমিকা :সবার কাছে সফল জীবনের চিত্রটা এক রকম নয়। অধিকাংশের কাছেই একটি ভাল বাড়ি, ভাল গাড়ি, উন্নত জীবন ব্যবস্থা, দামী খাবার-দাবারের সমাহার সফল জীবন। অনেকের কাছে আবার দরিদ্র অবস্থায় শুধুমাত্র ইবাদত করে জীবন পার করে দেয়াই সফলতা। আহাল-পরিবারের হক ঠিকমত আদা
ভূমিকা :মুর্খতার দাবানলে ঝলসে যাওয়া এক সমাজে আমরা বসবাস করছি। জাতীয় পরিচয়পত্রে মুসলিম হ’লেও ঈমান ও আমলের পরিচয়ে ভীষণ জরাজীর্ণ অবস্থা আমাদের। অন্তরে নেই আল্লাহর পরিচয়, বিশ্বাস নেই পরকালের প্রতি, আস্থা নেই তাক্বদীরের ভাল-মন্দের প্রতি। আমরা সারা জীবন রি