উত্তর : ভাল কাজে মানত করে তা পুরা না করে ভঙ্গ করলে কাফফারা দিতে হবে। এর কাফফারা হল, (১) ১০ জন মিসকীনকে মাঝারি মানের খাদ্য দেওয়া (২) অথবা তাদেরকে পোষাক দেওয়া (৩) অথবা গোলাম আযাদ করা। (৪) এগুলো করতে অক্ষম হলে ৩টি ছিয়াম পালন করা (মায়েদাহ ৮৯)। আর যদি অন্যায় ও পাপ কাজে মানত করে তাহলে তা পূরণ করতে হবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৪২৮)






বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (১/৩৬১) : আমার অফিসে সিসি ক্যামেরার মনিটর আছে। যাতে মানুষের ছবি/ভিডিও দেখা যায়। আমি সুন্নাত ছালাত মাঝে মধ্যে অফিসে আদায় করি। আমার ছালাত কবুল হবে কি-না এবং রহমতের ফেরেশতা আমার অফিসে প্রবেশ করবে কি-না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১/৩৬১) : অন্যের জমিতে ফসলের ক্ষতি না করে বিনা অনুমতিতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী চরানো বা ঘাস খাওয়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : বাংলাদেশের কোন ব্যাংক কি পরিপূর্ণভাবে শরী‘আত অনুসরণ করছে? বর্তমান ব্যাংকিং সিস্টেম কি শরী‘আত সম্মত? এতে সঞ্চয় করা কি বৈধ?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : কোন কবরস্থান নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বংশ বা গ্রামবাসীর জন্য নির্ধারণ করা যাবে কি? - -আম্মার, নাটোর।
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : ছালাতে এক্বামত দেওয়ার সময় ‘হাইয়া ‘আলাছ ছালাহ’ বলার পর মুছল্লীগণ দাঁড়াবেন এবং আগে দাঁড়ানো যাবে না, শরী‘আতে এরূপ কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : পুরুষ বা মহিলা সিজদারত অবস্থায় দু’পা মিলিত না পৃথক রাখবে?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : হজ্জ পালনকালে মীক্বাতের বাইরে গেলে পুনরায় মক্কায় প্রবেশের সময় ইহরাম বাঁধা আবশ্যক কি? ইহরাম ব্যতীত প্রবেশ করলে দম দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমি তুরস্কের ইমাম হাতিব উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। আমি ও আমার সহপাঠীরা সুন্নাহর অনুসরণে দাড়ি রাখলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের দাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত হেনস্থা করেন। এমনকি দাড়ি না কাটলে ক্লাসে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে এবং শিক্ষকের প্রবল চাপে বাধ্য হয়ে আমাদের দাড়ি কাটতে হচ্ছে। দাড়ি কাটার আদেশদাতা হিসাবে প্রধান শিক্ষক গুনাহগার হবেন, না-কি ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ই এই পাপে অংশীদার হিসাবে গণ্য হবে? এক্ষেত্রে ছাত্র হিসাবে আমাদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : মৃত্যু যন্ত্রণা ও কবরের আযাব থেকে বাঁচার উপায় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩০/৭০) : আছর ছালাতের সঠিক সময় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : কাঁকড়া খাওয়া ও এর ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/৮৩) : রাবেয়া বছরী (রাঃ) সম্পর্কে একটি বইয়ে লেখা হয়েছে, তিনি চির কুমারী ছিলেন। হজ্জ পালন করতে গেলে কা‘বা ঘর তাকে সম্মান জানানোর জন্য এগিয়ে আসে। রাতের অন্ধকারে আলোর জন্য শাহাদাত আঙ্গুলে ফুঁক দিলে ঘর আলোকিত হ’ত ইত্যাদি। লেখকের উক্ত দাবী কি সঠিক?
আরও
আরও
.