উত্তর : সাগরের সকল প্রকারের প্রাণী হালাল। চাই তা হাঙ্গর, শুশুক কিংবা অক্টোপাস হোক। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য ভোগ্যবস্ত্ত হিসাবে সমুদ্রের শিকার ও সামুদ্রিক খাদ্য হালাল করা হয়েছে’ (মায়েদাহ ৫/৯২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণীও হালাল’ (আবুদাউদ হা/৮৩; মিশকাত হা/৪৭৯; ছহীহাহ হা/৪৮০)। এজন্য বিদ্বানগণ বলেছেন, যে সকল প্রাণী কেবল সাগরে তথা পানিতে বসবাস করে সেগুলো হালাল এবং মৃত হ’লেও তা খাওয়া জায়েয (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/৩১৩, ৩২০; বিন বায; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৫/৩৪)। মনে রাখতে হবে যে, ‘সাগরের শিকার’ অর্থ যে সকল প্রাণী কেবলমাত্র পানিতেই থাকে, উপরে থাকে না, তাদেরকেই বুঝানো হয় (আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৫/৩৪)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, কুতুপালং, কক্সবাজার।








বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (১২/২৫২) : ডলার কেনা-বেচার ব্যবসা কি হালাল? - -ছিদ্দীকুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : নযর বা মানত ভঙ্গের কোন কাফফারা আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : আমরা দুইভাই নওমুসলিম। আমি নিঃসন্তান। আমার মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া সম্পদে স্ত্রী, ভাই, মা ও বোনদ্বয় অংশ পাবে কি?
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : কেউ যদি তার স্ত্রীর অগোচরে তার স্ত্রীকে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক দেয়, তাহলে তাতে তালাক হবে কি? সবার মতে এক সাথে তিন তালাক দিলে তালাক হয়ে যায়। কিন্তু অগোচরে দিলে তা পতিত হবে কি? উক্ত প্রশ্নের জবাবে জামি‘আ আরাবিয়া কাসেমুল উলূম লাকসাম, কুমিল্লা থেকে ফৎওয়া দেওয়া হয়েছে যে, এক সাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হয়। চাই সেই তালাক স্ত্রীর উপস্থিতিতে হউক বা তার অনুপস্থিতিতে হউক। দলীল হিসাবে ইবনু ওমর (রাঃ) বর্ণিত এক সঙ্গে তিন তালাক পতিত হওয়ার বর্ণনা পেশ করা হয়েছে এবং ফাতাওয়া শামীর ৩/২৪৮ পৃষ্ঠার উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে। উক্ত জবাব কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৯/২৪৯) : কাউকে রক্ত দিতে গেলে মেডিকেল থেকে জুস, বিস্কুট দেওয়া হয়। আবার রক্ত গ্রহীতার আত্মীয়-স্বজনরা ডাব বা হোটেলে ভালো কিছু খাওয়ায়। এগুলো গ্রহণ করা কি রক্ত বিক্রয়ের শামিল?
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : ১০ই মুহাররমকে বিশেষ ফযীলত মনে করে উক্ত দিনে বিবাহের দিন ধার্য করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : জনৈক মাওলানা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পিতা-মাতা জাহান্নামী। প্রশ্ন হ’ল, কেন তারা জাহান্নামী? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সুফারিশ করে তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবেন কী?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, তাফসীর পড়া যাবে না। এতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। বরং কুরআন ও হাদীছ পাঠ করতে হবে। উক্ত বক্তব্য সঠিক কি?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : কিছু মসজিদে দেখা যাচ্ছে ফরয ছালাতের সালাম ফিরানোর পরেই উচ্চ আওয়াযে হাদীছ পাঠ শুরু হচ্ছে। অন্যদিকে মাসবূক মুছল্লীরা ফরযের বাকী অংশ আদায় করছেন। উচ্চ আওয়াযের কারণে মাসবূকের সূরা বা দো‘আ পাঠ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আবার সব মাসবূকের ছালাত শেষ হ’তেও অন্য মুছল্লীদের সুন্নাত পড়ার সময় হয়ে যাচ্ছে। এক্ষণে হাদীছ পাঠ কিভাবে এবং কোন সময়ে করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) : ওয়াক্তিয়া মসজিদের পাশে অনুষ্ঠিত ইসলামী সম্মেলন আযান হ’লে মসজিদে আযান দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৬৭) : নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তবে কর্য তার চেয়ে বেশী আছে। এ অবস্থায় করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
আরও
আরও
.