উত্তর : হ্যাঁ। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মোহরের বিনিময়ে কোন মহিলাকে বিবাহ করল, অথচ মোহর পরিশোধ করবে না বলে নিয়ত করল, সে যেনাকারী’ (বায়হাক্বী শু‘আবুল ঈমান হা/৫৫৪৯; বাযযার হা/৮৭২১; ছহীহ আত-তারগীব হা/১৮০৬, ছহীহ লিগায়রিহী)। বিবাহে মোহর আদায় করা ফরয। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে প্রদান কর। তবে তারা যদি তা থেকে খুশী মনে তোমাদের কিছু দেয়, তাহ’লে তা তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর’ (নিসা ৪/৪)। বস্ত্ততঃ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে অধিক পরিমাণ মোহরানা ধার্য করা এবং পরে স্ত্রীর কাছে মাফ চাওয়া ধোঁকার শামিল। আর মোহর আদায় না করলে দুনিয়া ও আখেরাতে স্ত্রীর নিকটে ঋণগ্রস্ত হয়ে থাকতে হবে।






প্রশ্ন (২০/১০০) : উষ্ট্রের যুদ্ধে কারণ, ফলাফল ও সেখানে আয়েশা ও আলী (রাঃ)-এর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - -ইহসান ইলাহী যহীর, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : মাযহাবী ভাইদের মতে কুরআন, হাদীছ, ইজমা ও ক্বিয়াস শরী‘আতের উৎস। এ সম্পর্কে আহলেহাদীছদের বক্তব্য কি? উম্মতের সর্বসম্মত মত হল, কোন স্বামী যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, তাহ’লে তার উপর স্ত্রীর মা হারাম হয়ে যায়। ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) এর উপর ক্বিয়াস করে বলেছেন, কেউ কোন নারীর সাথে যেনা করলে পুরুষের জন্য হারাম হয়ে যাবে। উক্ত ক্বিয়াস কি শরী‘আত সম্মত? ঐ নারীর মা ঐ
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : জনৈকা মহিলার মাথায় জট আছে। তা কেটে ফেললে তার ক্ষতি হবে বলে ধারণা করা হয়। শরী‘আতের দৃষ্টিকোণ থেকে এতে ক্ষতির কোন আশংকা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৮) : গত ছয় মাস আগে পারিবারিকভাবে একমত হয়ে বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু বিবাহের অনুষ্ঠান, টাকা-পয়সা খরচ ইত্যাদি ভেবে উভয় পরিবার বিবাহ আরো ৬ মাস পিছিয়ে দিচ্ছে। এদিকে আমরা উভয়ে খুবই কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। মাঝে মাঝে কথাও হয়ে যাচ্ছে। উভয় পরিবার দ্বীনদার না হওয়ায় বুঝানোও সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষণে উভয়ের অভিভাবক যেহেতু একমত তাই আমরা গোপনে বিবাহ করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৯৮) : স্ত্রী পাপ করলে স্বামীকে কি সেই পাপের ভাগিদার হ’তে হবে?
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : মুসলিম নারীদের জন্য গঙ্গা নদীতে গোসল করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : অন্যের নিকট থেকে হারাম অর্থ ঋণ নেওয়া যাবে কি? হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদ স্বয়ং হারাম কি? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২২/২২) : সূরা বাক্বারার ৬২ ও মায়েদার ৬৯ আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় যে, ইহূদী, নাছারা ও অগ্নিপূজকেরাও কেবল আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করলে এবং সৎকর্ম করলে জান্নাতে চলে যাবে। হাদীছ অস্বীকারকারীরা এর দ্বারা বলতে চায় যে, তারাও জান্নাতে যাবে। এর সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৭/১৭৭) : শ্বশুর পক্ষের কেউ বরকে কিছু হাদিয়া দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : জামা-কাপড়ে নাপাক কিছু লেগে গেলে তিনবার ধোয়া ফরয কি? এর চেয়ে কম হ’লে অপবিত্র থেকে যাবে কি? - -জসীমুদ্দীন, মধুপুর, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (৪/৪৪) : ভাগ্যে তো সবকিছু আছেই। আর তা অবশ্যই ঘটবে। অতএব চেষ্টা-প্রচেষ্টার প্রয়োজন কি? বিষয়টি স্পষ্ট করে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : হজ্জ করতে গিয়ে সেখান থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে কিছু আনা যাবে কি? - -আব্দুর রহমানগোদাগাড়ী, রাজশাহী।
আরও
আরও
.