উত্তর : সাত দিনে কেউ কুরআন খতম করতে চাইলে ছাহাবায়ে কেরামের পথ অনুসরণ করা মুস্তাহাব। তারা সাত দিনে কুরআন খতম করতে চাইলে প্রথম দিনে প্রথম তিনটি সূরা, দ্বিতীয় দিনে পরের পাঁচটি সূরা, তৃতীয় দিনে পরের সাতটি সূরা, চতুর্থ দিনে পরের নয়টি সূরা, পঞ্চম দিনে পরের ১১টি সূরা, ৬ষ্ঠ দিনে পরের ১৩টি সূরা এবং সপ্তম দিনে সূরা ক্বাফ থেকে শেষ পর্যন্ত তেলাওয়াত করতেন। আওস (রহঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছাহাবীদের নিকট জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা কিভাবে কুরআনের অংশ নির্দিষ্ট করে তিলাওয়াত করতেন? তাঁরা বলেন, প্রথম দিন তিন সূরা, দ্বিতীয় দিন পাঁচ সূরা, তৃতীয় দিন সাত সূরা, চতুর্থ দিন নয় সূরা, পঞ্চম দিন এগার সূরা, ষষ্ঠ দিন তের সূরা এবং সপ্তম দিন ‘মুফাছছাল’ হ’তে শেষ অংশ (আবুদাউদ হা/১৩৯৩; ইবনু মাজাহ হা/১৩৪৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ১৩/৪০৮-৯)। আর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ইবনু ওমর (রাঃ)-কে বলেছিলেন, তাহ’লে তুমি সাত দিনে কুরআন খতম কর, কিন্তু এর চেয়ে অধিক কম সময়ে খতম করবে না (আবুদাউদ হা/১৩৮৮, সনদ ছহীহ)

প্রশ্নকারী : রাইসান, মান্দা, নওগাঁ।








প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : জনৈক আলেম বলেন, ওমর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে পারস্যের শাসনকর্তা স্থানীয় ভাষায় খুৎবা প্রদান করতে চাইলে ওমর (রাঃ) তাকে অনুমতি দেননি। এ ঘটনা প্রমাণ করে মাতৃভাষায় খুৎবা প্রদান করা যাবে না। বক্তব্যটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : জনৈক আলেম বলেন, কোন ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করল, ওযূ করে মসজিদে গেল এবং খুৎবা শুনল। তার প্রতি কদমে এক বছরের নফল ছালাত ও ছিয়ামের সমান নেকী হয়। কথাটা কি সত্য?
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : প্রত্যেক চার রাক‘আত তারাবীহ ছালাতের পর উচ্চৈঃস্বরে ‘সুবহানা যিল-মুলকি ওয়াল মালাকূতি... আবাদান আবাদা... মালাইকাতি ওয়ার রূহ’ দো‘আ পাঠ করার কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইস্তিস্কার ছালাতে একজন ইমামতি ও অন্যজন খুৎবা প্রদান করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৯/৯) : সম্প্রতি বাংলাদেশে সার্বজনীন পেনশন স্কীম চালু হয়েছে। যে পদ্ধতিতে এটি করা হয়েছে তা কি ইসলামী শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : সরকার ও স্কুল কর্তৃপক্ষের নিয়ম হ’ল চাকুরীরত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো যাবে না। এক্ষণে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অগোচরে প্রাইভেট পড়িয়ে আয় করলে উক্ত আয় কি হালাল হবে? - -মোবারক হোসাইনক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : জনৈক নারীকে তার মা ও ভাই-বোন জোরপূর্বক বিবাহ দিয়েছিল। তিনি বিবাহের সময় সম্মতি দেননি এবং কাবিননামাতেও স্বাক্ষর করেননি। ৮ বছরের সংসারে তার ১টি সন্তান রয়েছে। বর্তমানেও তিনি উক্ত বিবাহের ব্যাপারে নারায। এক্ষণে উক্ত বিবাহ কি সঠিক হয়েছে? না হ’লে করণীয় কি? - -ফাতেমা, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : ‘কথার পূর্বেই সালাম’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : ইহরাম অবস্থায় বা তাওয়াফের সময় মহিলারা নেক্বাব বা হাতমোজা পরিধান করলে হজ্জ বা ওমরার কোন ক্ষতি হবে কি? - -আফীফা খাতূন, শ্যামপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : সন্তান জন্মদানের সময় মা মারা যাওয়ায় উক্ত সন্তানের সহোদর বড় বোন ব্যতীত দুগ্ধ দানের কেউ নেই। এমতাবস্থায় বোনের দুগ্ধদান জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : আমার পিতার ১ ভাই এবং কয়েকজন বোন আছেন। পিতা ২০০৫ সালে এবং দাদা-দাদী ২০১২ ও ২০২১ সালে মারা গেছেন। দাদা মৃত্যুর পূর্বে মেয়েদের বঞ্চিত করে সব সম্পদ আমার চাচাকে দিয়ে গেছেন। আমার মৃত পিতা ১৬ বিঘা নিজস্ব জমি রেখে গেছেন। যা থেকে আমার দাদা-দাদী অংশ পাবেন। এক্ষণে দাদা যেহেতু আমার ফুফুদের বঞ্চিত করেছেন তাই আমরা দাদা-দাদীর প্রাপ্য সম্পদ চাচাকে না দিয়ে ফুফুদের মধ্যে ভাগ করে দিতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : জিনের আছর হলে কবিরাজের ঝাড়ফুঁক বা তাবীয নাজায়েয হলেও এর দ্বারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে জিনের আছর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অন্য দিকে এর আশ্রয় না নিলে চরম বিপদে পড়তে হয়। এক্ষেত্রে করণীয় কি?
আরও
আরও
.