উত্তর : ইসলামের সোনালী যুগে আক্বীক্বার জন্য লোকদেরকে দাওয়াত দেওয়ার কোন প্রচলন ছিল না। ইবনু ‘আব্দিল বার্র ইমাম মালেক (রহঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘বিবাহের ওয়ালীমায় যেভাবে লোকদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয়, সেভাবে আক্বীক্বায় লোকদের দাওয়াত দেওয়া হ’ত না’ (ইবনুল ক্বাইয়িম, তুহফাতুল মওদূদ বি আহকামিল মওলূদ পৃঃ ৬০)। তবে আক্বীক্বার গোশত কুরবানীর গোশতের ন্যায় তিন ভাগ করে একভাগ ফকীর-মিসকীনকে ছাদাক্বা দিবে ও একভাগ বাপ-মা ও পরিবার খাবে এবং একভাগ আত্নীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে হাদিয়া হিসাবে বণ্টন করবে (বায়হাক্বী ৯/৩০২ পৃ.)। চামড়া বিক্রি করে তা কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায় ছাদাক্বা করে দিবে (ইবনে রুশদ, বিদায়াতুল মুজতাহিদ ১/৪৬৭ পৃঃ; মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা পৃ. ৫২)






প্রশ্ন (৫/২৪৫) : বর্তমানে যারা নিজেদের লিঙ্গ পরিবর্তন করে পুরুষ বা নারী হচ্ছে, তাদের বিধান কি হবে? তারা যদি আগে পুরুষ থেকে থাকে, তাহ’লে এখন কি নারী হিসাবে বিবেচিত হবে ও নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ইসলামী বিধান তার উপর আরোপিত হবে? আর যদি আগে নারী থেকে থাকে, তাহ’লে এখন কি পুরুষ হিসাবে বিবেচিত হবে ও পুরুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ইসলামী বিধান তার উপর আরোপিত হবে?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : হাই উঠার সময় করণীয় কি? - -আসাদুয্যামান, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) ছিয়ামরত অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : ইউসুফ (আঃ) কর্তৃক মন্ত্রীত্ব চেয়ে নেওয়ার দ্বারা বর্তমান যুগের গণতান্ত্রিক রাজনীতির যথার্থতা প্রমাণিত হয় কি? - -হাসান, সিঙ্গাপুর।
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : আমাদের এলাকায় মাইয়েতের সম্পদ দ্বারা জানাযায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। এরূপ কাজ জায়েয হবে কি? এছাড়া কোন নির্দিষ্ট দিন ধার্য ব্যতীত মৃতের পক্ষ থেকে খানার আয়োজন করা যাবে কি? - -ফখরুল ইসলাম, মাহিলাড়া, গৌরনদী, বরিশাল।
প্রশ্ন (৩১/২৭১) : সন্তানের নাম ইয়াস, আয়াস বা আইয়াশ হাসান রাখা যাবে কি? - -আল-আমীন, মধ্য নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : যে ঔষধে এ্যালকোহল মিশানো থাকে সে ঔষধ খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : চার বছর অথবা পাঁচ বছরের টাকা অগ্রিম পরিশোধ করে আমের পাতা লীজ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : পিতা খালাতো ভাইয়ের সাথে আমার বোনকে বিবাহ দেয়। পরে ৮ বছরের সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে নানাবিধ পারিবারিক সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তালাক নেওয়া হয়। কিন্তু ১ বছর আমাদের বাসায় থাকার পর আমাদের সবার অবাধ্য হয়ে নতুন বিয়ের মাধ্যমে বোন তার সাবেক স্বামীর কাছে ফিরে যায়। এখন আমি তার সাথে আর সম্পর্ক রাখি না। এটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৯/১২৯) : জুম‘আর দিনে সুস্থ-সবল ইমামকে লাঠি ভর দিয়ে খুৎবা প্রদান করতে দেখা যায়। এর রহস্য কি?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : আমার দুই মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। তারা চাচ্ছে এখনই তাদের নামে জমি-জমা রেজিস্ট্রি করে দেই। এরূপ কাজ করা জায়েয হবে কি? - -ফয়ছাল শেখকিষাণগঞ্জ, বিহার, ভারত।
আরও
আরও
.