উত্তর :  চোখে ও কানে ড্রপ ব্যবহার করায় কোন বাধা নেই। কারণ তা কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না এবং দেহে রক্ত তৈরিতে সহায়তা করে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৫/২৪৫; মাজাল্ল­াতু মাজমা‘ইল ফিক্বহিল ইসলামী ১০/৯১৩)। তবে নাকে ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা আবশ্যক। যাতে তা কণ্ঠনালী অতিক্রম না করে (আবুদাঊদ হা/২৩৬৬, মিশকাত হা/৪০৫; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/১৫০)। স্মর্তব্য যে, ছিয়াম অবস্থায় খাদ্য নয় এরূপ বস্ত্ত দ্বারা চিকিৎসা গ্রহণ করায় কোন বাধা নেই। নবী করীম (ছাঃ) ছিয়াম অবস্থায় (আরোগ্যের জন্য) শিঙ্গা লাগাতেন (বুখারী হা/১৯৩৮, ১৯৩৯)। আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হ’ল, আপনারা কি রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে ছিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতে অপসন্দ করতেন? উত্তরে তিনি বলেন, না। তবে দুর্বলতার বিষয়টি ভিন্ন (বুখারী হা/১৯৪০; মিশকাত হা/২০১৬)






প্রশ্ন (১৩/৫৩) : জনৈক মাওলানা বলেন, রাবে‘আ বছরী হজ্জ ব্রত পালন করার ইচ্ছা করেন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। ফলে অলৌকিকভাবে আল্লাহ কা‘বাকে তার সামনে হাযির করান। অতঃপর তিনি হজ্জ পালন করেন। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২২/৩৮২) : চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই-বোনদের মধ্যে দেখা হারাম হ’লে তাদের সাথে আত্মীয়তা কিভাবে বজায় থাকবে? পর্দা মানতে গিয়ে যদি সম্পর্ক আন্তরিক না হয়, তবে কি গুনাহ হবে?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : শয়নকালে আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে চুরি-ডাকাতি হ’তে নিরাপদ থাকা যায়। একথা কি ঠিক?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জনৈক আলেম বলেন, দুই সিজদার মাঝে দো‘আ পড়া ওয়াজিব নয়। অল্প কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। দো‘আ না পড়লে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৫/২৪৫) : আমি একজন সরকারী কর্মচারী। প্রতিমাসে প্রভিডেন্ট ফান্ডের যে অর্থ আমার বেতন থেকে কর্তন করা হয় তার বিপরীতে প্রদত্ত সূদ গ্রহণ না করে মূল টাকা নিলে কোন পাপ হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : ইমামের সূরা ফাতিহা পাঠের শেষের দিকে ছালাতে যোগদান করলে প্রথমে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে, না ইমামের সাথে আমীন বলতে হবে?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : খোলা তালাক গ্রহণকারীর জন্য কোন রাজ‘আতের ব্যবস্থা আছে কি? - -মুহাম্মাদ আব্দুল হালীম, ভুগরইল, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/১২৩) : যেনা কত প্রকার ও কি কি? ব্যভিচারীর শাস্তি কি? ব্যভিচারীর তওবা কবুল হয় কি?
প্রশ্ন (৫/৫) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি স্বামী-স্ত্রীকে এক সাথে ফরয গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন?
প্রশ্ন (৩৬/৩১৬) : জনৈক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘ঈমানকে মাখলূক বললে কাফির হবে’। এ ব্যাপারে আমাদের আক্বীদা কেমন হবে? অন্তরের বিশ্বাস, মুখে স্বীকৃতি ও কর্মে বাস্তাবায়ন এগুলো কী মাখলূক?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : খলীফা মামূনুর রশীদের আমলে মু‘তাযিলা সম্প্রদায় যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-কে কেন এই আক্বীদা পোষণ করার জন্য চাপ দিয়েছিল যে, ‘কুরআন আল্লাহর কালাম নয় বরং এটা আল্লাহর সৃষ্ট’?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : কোন ব্যক্তি মসজিদের আযান ও ইক্বামতের দায়িত্ব পালন করে ইমামতির দায়িত্বও পালন করতে পারবেন কি?
আরও
আরও
.