উত্তর : এ বিষয়ে সাধারণ নিয়ম হ’ল- যোহর ও আছরের ছালাতে ইমাম-মুক্তাদী সকলে সূরা ফাতিহাসহ অন্য সূরা পড়বে এবং ৩য় ও ৪র্থ রাক‘আতে কেবল সূরায়ে ফাতিহা পড়বে। আবু ক্বাতাদাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যোহরের প্রথম দু’রাক‘আতে সূরা ফাতিহা ও অন্য দু’টি সূরা পড়তেন এবং শেষের দু’রাক‘আতে কেবল সূরা ফাতিহা পড়তেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৮২৮)। ওমর, আলী, জাবের (রাঃ) সহ অধিকাংশ ছাহাবীর আমল ও নির্দেশনা উক্ত হাদীছ মোতাবেক ছিল (ইবনু মাজাহ হা/৮৪৩, দারাকুৎনী, ইরওয়া ২/২৮৩, ২৮৮, সনদ ছহীহ; মুগনী ১/৪১২

তবে কখনো কখনো শেষের দু’রাক‘আতেও তিনি সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলিয়েছেন বলে বর্ণিত হয়েছে। যেমন আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ) যোহরের প্রথম দুই রাক‘আতে ত্রিশ আয়াত পরিমাণ কিরাআত পাঠ করতেন এবং শেষ দুই রাক‘আতে পনের আয়াত পরিমাণ। অথবা বলেন, এর অর্ধেক পরিমাণ। এবং আছরের প্রথম দুই রাক‘আতের প্রত্যেক রাক‘আতে পনের আয়াত পরিমাণ কিরাআত পাঠ করতেন এবং শেষ দুই রাক‘আতে এর অর্ধেক পরিমাণ’ (মুসলিম হা/৪৫২; আহমাদ হা/২৩১৪৬)। এছাড়া কোন কোন ছাহাবী সূরা মিলাতেন বলে জানা যায় (মুওয়াত্ত্বা, মির‘আত ১/৬০০ পৃঃ; ঐ ৩/১৩১ পৃঃ; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) পৃঃ ১০০)






প্রশ্ন (২৪/১০৪) : আমি একটা সরকারী কলেজে শিক্ষকতা করি। শিক্ষকগণ সকালে আসেন এবং দুপুর দুইটায় ক্লাস শেষ করে চলে যান। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা হ’ল, সকাল ৯-টা থেকে বিকেল ৫-টা পর্যন্ত অফিস করা। তাদের যুক্তি হ’ল তারা ক্লাস নিয়েছেন তাদের কাজ শেষ। তারা খাতা দেখা সহ অন্যান্য কাজ বাসায় রাতেও করেন। এমনকি ছুটির দিনেও প্রয়োজনে কাজ করেন। তাদের অফিস টাইমের বাইরে বাসায় পড়াশোনাও করতে হয়, যা সরকারী অন্যান্য অফিসাররা করেন না। তাই তারা সরকারী অফিস টাইমের নিয়ম মানেন না। তাদের এ কাজে প্রিন্সিপালেরও মত আছে। তিনি বাধা দেন না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? আমি কি চলে যাবো, না চাকুরীবিধি অনুযায়ী অফিসে ৫-টা পর্যন্ত কাজ করব?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : হস্তমৈথুন কেমন পাপ? এই অপকর্ম থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৪৯) :কোন কোন মাদ্রাসায় কেউ ছাগল বা অন্য কিছু ছাদাক্বা করলে মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারী সবাই তা খায়। এভাবে সবার জন্য ছাদাক্বা খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১০/৩৩০) : আমি জনৈক ব্যক্তিকে ঋণ দিয়েছি। কিন্তু এখন তিনি আমার ঋণ পরিশোধে অক্ষম। এক্ষণে ঋণগ্রস্ত হিসাবে আমি যদি তাকে আমার যাকাতের টাকা দেই এবং সেই টাকা দিয়ে তিনি আমার ঋণ পরিশোধ করেন, তাহ’লে আমার জন্য ঐ টাকা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : মহিলারা কালো চুলে দুলহান তেল ব্যবহার করতে পারবে কি? এছাড়া তারা চুলের মাথা কেটে ছোট করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৪১৬) : কালেমা মোট কয়টি ও কী কী? ৪ কালেমা না জানলে মানুষ মুসলমান থাকে না, একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২২/১৪২) : মাওলানা ইলিয়াস ছাহেব লিখিত মালফূযাত গ্রন্থের ২৯ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে যে, ‘যাকাতের দরজা হাদিয়ার নিম্নে। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উপর ছাদাক্বা হারাম ছিল, হাদিয়া হারাম ছিল না।’ এর সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : বিবাহের সময় পাজামা-পাঞ্জাবী ও টুপী পরা কি যরূরী? কনের বাড়ীতে গিয়ে বর গলায় মালা ও হাতে ফুল উপহার নিতে পারে কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : কোন স্থানে ব্যথা হ’লে কি কি দো‘আ পাঠ করতে হয়?
প্রশ্ন (২/৪০২): শরী‘আতের বিভিন্ন মাসআলার ক্ষেত্রে সালাফী আলেমগণের মাঝে মতপার্থক্য দেখা যায়। সাধারণ মানুষ কিভাবে অনুসরণ করবে?
প্রশ্ন (১২/২৫২) : ছূফীবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন। এদের আক্বীদা পোষণকারী ইমামদের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
আরও
আরও
.